Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। তিনি বলেছেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অবশ্যই আমাকে উদ্বিগ্ন করে। কারণ আমিও তো নারী।’

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, ‘আগেও নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটত। কিন্তু সেগুলো তারা প্রকাশ করত না। কিন্তু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নারীদের এতটা ক্ষমতাধর ও ভয়েস রেইজ করেছেন যে তারা নিজেরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসছেন এবং ঘটনাগুলো প্রকাশ করছেন।’

দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিন গণমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেছিলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন তেমনভাবে বাড়েনি বা ক্রাইসিস মোমেন্ট তৈরি হয়নি, বিষয়টি গণমাধ্যমেই বেশি প্রচারণা হচ্ছে।’

পূর্বের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংখ্যা যেটা বলছেন, সেটা আর ক্রাইসিস নিয়ে কথা বলেছি। এখনো আমি সেটাই বলব। সেটা হচ্ছে আপনারা যে বলেন অনেক বেড়েছে, আমি আপনাদের থেকে পাল্টা জানতে চাই যে, এ বিষয়ে আপনাদের কাছে কি কোনো বেজ লাইন সার্ভের ডাটা আছে? যার সাথে তুলনা করে বলছেন যে, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন বেড়েছে?’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সংগঠন বলে, তাদেরই বা কি.. তারা যে গবেষণার মাধ্যমে বলে আমি জানতে চাই যে, তাদের ম্যাথডোলজি কী? তাদের স্যাম্পল সাইজ কী? তাদের ম্যাথড অব ডাটা কালেকশন কী? কী ইনস্ট্রুমেন্ট তারা ইউজ করেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563359134078.gif

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, ‘যে প্রসঙ্গে আমি বলেছি সেটা হচ্ছে যে, আগেও কিন্তু নারী নির্যাতন সংক্রান্ত ঘটনাগুলি ঘটেছে। কিন্তু তাদের সংখ্যা আমরা জানি না। কারণ এখন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া অগণিত। সেজন্য এখন জানতে পারছি যে, ওখানে এতজন নারী নির্যাতন বা শিশু নির্যাতন হয়েছে।’

আপনি কি বলছেন এ সংখ্যাটা বাড়েনি- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাড়েনি সেটাও বলিনি, কমেছে সেটাও বলিনি। আমি বলছি যে, যদি বলি বেড়েছে তাহলে একটা তুলনা করে বলতে হয়। কিন্তু আমরা তুলনা করতে পারি না। কারণ আমাদের কাছে বেজ লাইন ডাটা নেই।’

এ বিষয়ে সরকারের কাছেও কি কোনো ডাটা নেই জানতে চাইলে নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমিতো বলছি বেজলাইন ডাটা কোথাও নেই। এ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ডিসিদের এ বিষয়ে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। উনারা যাতে তাদের মনিটরিং, কো-অপারেশন বাড়ান, এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা

ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা
ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত কলেজছাত্র ফারদিন ইসনা আশারিয়া রাব্বী/ ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারদিন ইসনা আশারিয়া রাব্বীকে (১৯) হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত যুবলীগ কর্মী রওনক (২৩)। শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, শনিবার বিকালে রাজশাহী মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতের বিচারক সেলিম রেজার আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তার জবানবন্দি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে তিনি একাই অংশ নিয়েছিলেন। মাদকের অর্থ যোগাড় করতে রওনক ছিনতাই করতেন।

আরএমপি’র মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, আদালতে ঘাতক রওনক জানান- মাদকের টাকা জোগাড় করতে গত ৬ আগস্ট ভোরে উঠে রাস্তার ধারে ওঁৎপেতে ছিলেন তিনি। বাড়ি ফেরার জন্য স্টেশনে ট্রেন ধরতে ভোরে মেস থেকে বের হন রাজশাহী সিটি কলেজের ছাত্র ফারদিন আশারিয়া রাব্বী। ঐ সময় ‘আমরু কনফেকশনারী’ এর কাছাকাছি গেলে রওনক ধারালে অস্ত্র দেখিয়ে কলেজছাত্র রাব্বীকে ভয় দেখিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ দিয়ে দিতে বলে।

রওনক আদালতে আরও জানান, তবে রাব্বী তাকে কৌশলে মাটিতে ফেলে দিয়ে চিৎকার শুরু করলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে রওনক রাব্বীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেছন দিক থেকে কোপ দেয়। এতে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে মানিব্যাগ ও মোবাইল না নিয়েই দ্রুত পালিয়ে যায় ঘাতক রওনক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566060037670.gif
ছিনতাইকরা রওনক/ ছবি: সংগৃহীত

 

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রওনক আদালতে আরও জানান, তিনি আগে থেকে রাব্বীকে চিনতেন না। নেশায় আসক্ত হওয়ায় তিনি যেকোনো উপায়ে কিছু টাকা যোগাড় করতে পথে ওঁৎ পেতে বসেছিলেন। ঐ সময় রাব্বীকে পেয়ে তার ওপর হামলা করেন।

জানা যায়, গত ৬ আগস্ট ভোরে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে রাস্তায় খুন হন কলেজছাত্র ফারদিন আশারিয়া রাব্বী। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মমিনপুর গ্রামে। ঘটনার একদিন পর ৮ আগস্ট পুলিশ সন্দেহভাজন হত্যাকারী হিসেবে মাদকাসক্ত ও ছিনতাইকারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত রওনককে গ্রেফতার করে।

রওনক রাজশাহীর মহানগরীর হেতেমখাঁ এলাকার মৃত কুদরত আলীর ছেলে। স্থানীয়রা তাকে যুবলীগের কর্মী হিসেবে চেনে। তিনি যুবলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তবে যুবলীগ নেতারা দাবি করেছেন- মিছিল-মিটিংয়ে গেলেও রওনকের যুবলীগে কোন পদ-পদবি নেই।

১২ দিন ধরে নিখোঁজ পোশাক কারখানার কর্মকর্তা

১২ দিন ধরে নিখোঁজ পোশাক কারখানার কর্মকর্তা
মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল। ছবি: সংগৃহীত

মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল (৪০) নামে এক পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ১২ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাসিন্দা ও গাজীপুর সদরে অবস্থিত স্টাইপ কাফ লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানার প্রোডাকশন এক্সিকিউটিভ অফিসার।

জানা যায়, বুলবুল গত ৫ আগস্ট ভোরে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশে উপজেলার পুখুরিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হন। তার স্ত্রী পান্না বেগম সেদিন দুপুরে তাকে ফোন দিয়ে মোবাইল বন্ধ পান।

পরে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও বুলবুলের সন্ধান পায়নি তার পরিবারের লোকজন। এ ব্যাপারে গত ১৫ আগস্ট বুলবুলের বড় ভাই মজিবর রহমান গফরগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান জানান, নিখোঁজ বুলবুল ও সংশ্লিষ্ট সকলের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে অবস্থান জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র