Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

এইচএসসি’র ফলাফলে রাজশাহী মহিলা কলেজের চমক

এইচএসসি’র ফলাফলে রাজশাহী মহিলা কলেজের চমক
রাজশাহী সরকারি কলেজ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ  করেসপন্ডেট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসির ফলাফলে চলতি বছর জিপিএ-৫ পাওয়ার হারে শিক্ষার্থীরা চমক দেখিয়েছে। এ বছর কলেজটির বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮২ জন। অথচ গত বছর কলেজটি থেকে মাত্র ১০ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এবার ১ হাজার ৩৮৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৩১৭ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছে ৬১৪ জন। ফেল করেছে ২৭ জন। মানবিকে পাস ও ফেলের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩০ ও ৩৯। আর ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে পাস-ফেল যথাক্রমে ২৭৩ ও ২১ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া ১৮২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৯ জন বিজ্ঞান, ২১ জন মানবিক ও দুইজন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী।

গত বছর শুধু বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগ থেকে পাঁচজন করে মোট ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। সে বছর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের কেউ জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

এর আগে ২০১৭ সালে কলেজটি থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৭৭ জন। আর ২০১৫ সালে পেয়েছিল ৫৫ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দা নীলুফার ফেরদৌস এই ফলাফলে ভীষণ খুশি। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আমাদের এবারের পাসের হার ৯৫ দশমিক ০৯ শতাংশ। এটা খারাপ না। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও এবার অনেক বেড়েছে। তাই আমরা খুশি।’ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন আরও ভাল করা যায় সেই চেষ্টাই থাকবে।‘

 

আপনার মতামত লিখুন :

তৃতীয় দফায় পেছাল সাংবাদিক শিমুল হত্যার চার্জগঠন

তৃতীয় দফায় পেছাল সাংবাদিক শিমুল হত্যার চার্জগঠন
কারাগার থেকে মেয়র হালিমুল হক মিরুকে (লাল চিহ্নিত) আদালতে নেওয়া হচ্ছে/ ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সমকালের প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার বিচারকাজ চলছে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে। সিরাজগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত থেকে মামলাটি রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর গত ৮ আগস্ট চার্জ শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ- কৃত্রিমভাবে বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে চার্জগঠন পেছানোর জন্য বার বার আবেদন করছে আসামি পক্ষ।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে আসামি পক্ষের আবেদনে তৃতীয় দফায় মামলার চার্জগঠন শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ঐ মামলার চার্জ শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালতের বিচারক অনুপ কুমার। তবে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার বরখাস্তকৃত মেয়র হালিমুল হক মিরুকে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. এন্তাজুল হক বাবু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘গত ৮ আগস্ট প্রথম চার্জগঠনের দিন ধার্য ছিল। পরে দ্বিতীয় দিনে ১৮ আগস্ট ও তৃতীয় দফায় ২৫ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার চার্জগঠন হলে গেলে ১৩৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ হয়ে যাবে। আসামি পক্ষের কাছে মামলা থেকে বাঁচার কোনো উপায় না থাকায় তারা বিভিন্ন বাহানা বানাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘১৮ আগস্টের দিনে আসামিপক্ষ বলেছিল- মামলার ৯ নম্বর আসামি কালু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫১ ধারায় আটক হয়েছেন। এজন্য চার্জ গঠনের তারিখ পেছানোর দাবি করেন। এবার তারা মামলার ১৪ নম্বর আসামি সাহেব আলী ৩৪ ধারায় পাবনার ফরিদপুর থানায় গ্রেফতার হয়েছেন বলে চার্জ গঠনের তারিখ পেছানোর আবেদন করেন।’

অ্যাড. বাবু আরও বলেন, ‘১৫১ কিংবা ৩৪ ধারা, গ্রেফতার দেখানোর মতো কোনো ধারা নয়। ৩৪ ধারা মাতলামোর ধারা। সামান্য কিছু জরিমানা করেই এ ধারা থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়। তবে প্রধান আসামির অনুসারীরা কৌশলে মামলাটির চার্জগঠনে বিলম্ব করার জন্য কৃত্রিমভাবে বার বার এসব ঘটনা সংগঠিত করছে। তারা টাকার বিনিময়ে এসব মামুলি ধারায় পুলিশকে দিয়ে অন্য আসামিদের গ্রেফতার দেখাচ্ছেন। ফলে তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা দিন পেছানোর সুযোগ পাচ্ছেন।‘

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. একরামুল হক বলেন, ‘কৃত্রিমভাবে ঘটনা ঘটানো হচ্ছে- বিষয়টি সঠিক নয়। অন্য আসামিরা যদি আদালতে হাজির না হন, তবে স্বাভাবিকভাবে তাদেরকে হাজির করে শুনানির দিন ধার্য করার জন্য আবেদন করব।’

আদালতে বিচারক পাবনার ফরিদপুর থানায় আটক আসামি সাহেব আলীকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন। উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা অন্য ৩৬ আসামির জামিন বহাল রাখেন।

চিরুনি অভিযানে অসহযোগিতা করলে আইনগত ব্যবস্থা

চিরুনি অভিযানে অসহযোগিতা করলে আইনগত ব্যবস্থা
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম , ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের বাহক এডিস মশা নির্মূলে চলমান চিরুনি অভিযানে কেউ অসহযোগিতা করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে গুলশান ২নম্বর ডিএনসিসি মার্কেট প্রাঙ্গণে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

মেয়র বলেন, ‘এডিস মশা নির্মূলে ডিএনসিসি’র ৩৬টি ওয়ার্ডে চলমান চিরুনি অভিযানে কোনো বাড়ি/প্রতিষ্ঠানের কেয়ারটেকার/নিরাপত্তা প্রহরী/মালিক অসহযোগিতা করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিরুনি অভিযান চলাকালে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অনেক বাড়ি ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, অনেকে সময়ক্ষেপণ করেন। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনায় ব্যাঘাত ঘটছে।’

মেয়র বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইতোমধ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে এসেছেন, তবে আরও এগিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডিএনসিসির সকল বাড়ি, প্রতিষ্ঠান, খোলা জায়গা, পরিত্যক্ত ভবন ইত্যাদি ১০ দিনব্যাপী চলমান চিরুনি অভিযানের আওতায় আসবে, কিছুই বাদ যাবে না। তবে পরবর্তীতে এটি চালিয়ে যাওয়াই মূল চ্যালেঞ্জ এবং এজন্য বছরের ৩৬৫ দিনই এডিস মশা নিধনে কাজ করতে হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা শিগগিরই ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট (আইভিএম) এর পরিকল্পনা প্রকাশ করব। মশক নিধনের যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণ, মশক নিধনকর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, কীটনাশক প্রয়োগের পরে মশা, অন্যান্য কীটপতঙ্গ এবং সর্বোপরি পরিবেশের উপর প্রভাব ইত্যাদি গবেষণা এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ এ পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, চিরুনি অভিযানের লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি ব্লকে এবং প্রতিট ব্লককে ১০টি সাব-ব্লকে ভাগ করা হয়। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডের একটি করে ব্লক থেকে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আফসার উদ্দিন খান এবং ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ এর সভাপতি পীযুষ বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র