Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের গাড়িচালকের হাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা লাঞ্ছিত

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের গাড়িচালকের হাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা লাঞ্ছিত
খুলনা জেলা পরিষদ কার্যালয়/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

ভুয়া বিল ও ভাউচারে স্বাক্ষর না করা ও সন্দেহজনক প্রকল্পের চেক আটকে দেওয়ায় খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর হামলা ও তাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের গাড়িচালকের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের গাড়িচালক মোঃ শহীদুল্লাহ লাঠি ও কোদাল নিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের ওপর হামলা চালান। পরে ঠিকাদার ও অন্য কর্মচারীরা এসে মাহবুবকে রক্ষা করেন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রতি ৪০টির বেশি প্রকল্পে প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও নানা অনিয়মের কারণে যাচাই-বাছাইয়ের পর তা আটকে দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলোর অধিকাংশই বাস্তবে অস্তিত্ব নেই। এছাড়া দুঃস্থদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য সরবরাহ করা এবারের ভ্যানগুলো খুবই নিম্নমানের। এসব ভ্যান গ্রহণ না করতে চেয়ারম্যানকে অনুরোধ জানাই। এসব কারণে একটি পক্ষ উঠেপড়ে লেগেছে।’

তিনি বলেন, ‘গাড়িচালক মো. শহিদুল্লাহ কিছুদিন আগে গাড়ির ক্যামেরা কেনার কথা বলে ২৪ হাজার ৯৭০ টাকার একটি বিল জমা দেন। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি ঐ ক্যামেরার দাম পাঁচ হাজার টাকা। বিলটি আটকে দিয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাই। একই ব্যক্তি রূপসার আলাইপুর উত্তর শেখপড়া হযরত আবু বক্কার (রা.) মসজিদ উন্নয়নের নামে এক লাখ টাকার একটি প্রকল্প দাখিল করেন। এই প্রকল্প নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি আটকে দেওয়া হয়।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বিল ও প্রকল্পের ফাইল ছেড়ে দিতে গাড়িচালক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাপ দেন। কিন্তু তিনি অস্বীকার করায় মো. শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে দুই জন লাঠি ও কোদাল নিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর হামলা চালান। এ সময় অফিসের কর্মচারী ও কয়েকজন ঠিকাদার তাদের ধরে ফেলেন। পরে তাদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গাড়িচালক শহিদুল্লাহ বলেন, ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা তার ব্যবহৃত গাড়িতে ১২ হাজার টাকার মালামাল সংযোজন করলেও বিল পরিশোধ করেননি। এছাড়া তার গাড়ির জন্য চারটি টায়ার দাবি করেছেন। কিন্তু অবৈধ সুবিধা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের দোষারোপ, বাংলাদেশের প্রতিবাদ

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের দোষারোপ, বাংলাদেশের প্রতিবাদ
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গারা, পুরনো ছবি

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে দোষারোপ করছে দেশটির সরকার। এর তীব্র প্রতিবাদ করেছে বাংলাদেশ।

রোববার (২৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

দু’দেশের মধ্যে সমঝোতা অনুযায়ী, ২২ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) প্রায় সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যে ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও কোনো কেউ ফেরত যায়নি।

মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলে হচ্ছে, দেশটির কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের দেশে গ্রহণ করার অপেক্ষায় ছিল। আর এসব রোহিঙ্গাকে ফেরতের মাধ্যমে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে না পারায় বাংলাদেশ সরকারকে দুষছে তারা। এ খবর জানিয়েছে দেশটির স্থানীয় মিডিয়া।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন পরিষদের পক্ষ থেকে জানিয়েছে, পুনর্বাসন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কেননা শরণার্থীরা ফেরত যেতে চায় না। যদিও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের দেশে ফেরত যেতে উৎসাহিত করা হয়েছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কাছে প্রমাণ করতে হবে যে তারা দেশে ফিরে সুরক্ষিত থাকবে। শরণার্থী শিবিরে এমন কেউ নেই যারা দেশে ফিরে যেতে চায় না।

মূলত, রোহিঙ্গাদের দাবি অনুযায়ী তাদের সুরক্ষা ও জীবিকা সংক্রান্ত নিশ্চয়তা মিয়ানমার সরকার দিলেই এ সমস্যার সহজ সমাধান হবে।

ময়মনসিংহে ১৫ জুয়াড়িসহ গ্রেফতার ২১

ময়মনসিংহে ১৫ জুয়াড়িসহ গ্রেফতার ২১
আটক হওয়া জুয়াড়িরা, ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৫ জুয়াড়ি, ৫ মাদক ব্যবসায়ী ও ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি প্রাইভেটকার ও ৪ হাজার ২১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জুয়াড়ি আবুল খায়ের (৩৮), ফজলুল হক (৫০), আল আমিন (৩৫), লিটন (৩৮), আব্দুল জলিল (৪০), হাসমত আলী (৩৮), তাইজুল ইসলাম (৪০), মুনসুর আলী (৩৮), শহিদুল্লাহ (৪৩), বাবুল আহম্মেদ (৪০), হাবিবুল্লাহ (৩২), মাসুদ (২৮), নজরুল ইসলাম (৪২), জাহাঙ্গীর আলম (২৪), রাকিবুল হাসান (২০), মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন (২১), রেজাউল করিম শাওন (৩২), রুহুল আমিন (২৬), রিপন (২০) এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মোজাম্মেল হক রাসেল (৩৬)।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ডিবি কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল হোসেন আকন্দ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডিবির বিশেষ অভিযানে ওই ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর মধ্যে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া থেকে রোববার (২৫ আগস্ট) ভোরে একটি জুয়ার আসর থেকে নগদ টাকা ও তাসসহ ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে শনিবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় পৃথক অভিযানে ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাখাইল এলাকা থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ একজন এবং রাতে ময়মনসিংহ শহরের পাটগুদাম এলাকা থেকে ৪ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ও একটি প্রাইভেটকারসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

এছাড়াও একই দিন রাতে তিন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে সদরের বারুয়ামারি এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি স্কুল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র