রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্ত্র কেনাবেচা!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
আটককৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আটককৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর শ্যামপুরের গেন্ডারিয়া কাঁচাবাজারে অস্ত্র কেনা বেচার জন্য একদল অস্ত্র ব্যবসায়ী একত্রিত হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের আটক হয়। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।'

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইব্রাহীম খান।

রাজধানীর কাঁচা বাজারে অস্ত্র কেনাবেচা!

তিনি বলেন, 'একদল অস্ত্র ব্যবসায়ী অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশে গেন্ডারিয়া কাঁচাবাজারে সকাল ৮টার দিকে একত্রিত হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাদের কাছে থাকা কালো ব্যাগ থেকে চারটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলভার, সাতটি ম্যাগাজিন ও ১২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।'

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীরা হলেন- মো. রাজু গাজী (৪৩), মিনহাজুল ইসলাম (২৮) এবং শওকত হোসেন (৩৮)।

তিনি বলেন, 'একদল অস্ত্র ব্যবসায়ী অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশে গেন্ডারিয়া কাঁচাবাজারে সকাল ৮টার দিকে একত্রিত হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাদের কাছে থাকা কালো ব্যাগ থেকে চারটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলভার, সাতটি ম্যাগাজিন ও ১২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।'

এই ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- শ্যামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমানসহ উপপরিদর্শক (এসআই) সোহাগ চৌধুরী ও এএসআই মাসুম বিল্লাহ্ আহত হয়।

ডিসি ইব্রাহিম খান বলেন, 'উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোতে গুলি লোড করা ছিল। তবে এখন পর্যন্ত জানা যায়নি, অস্ত্রগুলোর চালান কার কাছে যাবে। তদন্তের পর বিষয়টি জানানো হবে।'

তিনি আরও জানান, এই অস্ত্র ব্যবসায়ীদের দল থাকা ৩/৪ জন পালিয়েছে। তাদের বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন :