Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্ত্র কেনাবেচা!

রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্ত্র কেনাবেচা!
আটককৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর শ্যামপুরের গেন্ডারিয়া কাঁচাবাজারে অস্ত্র কেনা বেচার জন্য একদল অস্ত্র ব্যবসায়ী একত্রিত হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের আটক হয়। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।'

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইব্রাহীম খান।

রাজধানীর কাঁচা বাজারে অস্ত্র কেনাবেচা!

তিনি বলেন, 'একদল অস্ত্র ব্যবসায়ী অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশে গেন্ডারিয়া কাঁচাবাজারে সকাল ৮টার দিকে একত্রিত হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাদের কাছে থাকা কালো ব্যাগ থেকে চারটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলভার, সাতটি ম্যাগাজিন ও ১২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।'

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীরা হলেন- মো. রাজু গাজী (৪৩), মিনহাজুল ইসলাম (২৮) এবং শওকত হোসেন (৩৮)।

তিনি বলেন, 'একদল অস্ত্র ব্যবসায়ী অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশে গেন্ডারিয়া কাঁচাবাজারে সকাল ৮টার দিকে একত্রিত হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাদের কাছে থাকা কালো ব্যাগ থেকে চারটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলভার, সাতটি ম্যাগাজিন ও ১২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।'

এই ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- শ্যামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমানসহ উপপরিদর্শক (এসআই) সোহাগ চৌধুরী ও এএসআই মাসুম বিল্লাহ্ আহত হয়।

ডিসি ইব্রাহিম খান বলেন, 'উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোতে গুলি লোড করা ছিল। তবে এখন পর্যন্ত জানা যায়নি, অস্ত্রগুলোর চালান কার কাছে যাবে। তদন্তের পর বিষয়টি জানানো হবে।'

তিনি আরও জানান, এই অস্ত্র ব্যবসায়ীদের দল থাকা ৩/৪ জন পালিয়েছে। তাদের বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন :

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় ২ যুবক গ্রেফতার

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় ২ যুবক গ্রেফতার
গণধর্ষণের মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই যুবক, ছবি: সংগৃহীত

রংপুরে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় আলমগীর ও রুবেল নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে তাদেরকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরেশ চন্দ্র।

তিনি জানান, গত শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতে ওই স্কুলছাত্রী বাড়ির পেছনে টিউবওয়েলের পানি আনতে যায়। পানি নিয়ে ফিরে আসতে দেরি হলে অনেক খোঁজাখুজির পর নারকেল গাছ থেকে হাত পা বাধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায় তার পরিবার। ঘটনার পর দিন কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে দু’জনের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত ৩টায় পীরগঞ্জের মিলনপুর গ্রাম থেকে আলমগীর ও রুবেল নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তাদেরকে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত করে বাকিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি সরেশ চন্দ্র।

তৃতীয় দফায় পেছাল সাংবাদিক শিমুল হত্যার চার্জগঠন

তৃতীয় দফায় পেছাল সাংবাদিক শিমুল হত্যার চার্জগঠন
কারাগার থেকে মেয়র হালিমুল হক মিরুকে (লাল চিহ্নিত) আদালতে নেওয়া হচ্ছে/ ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সমকালের প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার বিচারকাজ চলছে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে। সিরাজগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত থেকে মামলাটি রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর গত ৮ আগস্ট চার্জ শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ- কৃত্রিমভাবে বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে চার্জগঠন পেছানোর জন্য বার বার আবেদন করছে আসামি পক্ষ।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে আসামি পক্ষের আবেদনে তৃতীয় দফায় মামলার চার্জগঠন শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ঐ মামলার চার্জ শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালতের বিচারক অনুপ কুমার। তবে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার বরখাস্তকৃত মেয়র হালিমুল হক মিরুকে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. এন্তাজুল হক বাবু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘গত ৮ আগস্ট প্রথম চার্জগঠনের দিন ধার্য ছিল। পরে দ্বিতীয় দিনে ১৮ আগস্ট ও তৃতীয় দফায় ২৫ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার চার্জগঠন হলে গেলে ১৩৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ হয়ে যাবে। আসামি পক্ষের কাছে মামলা থেকে বাঁচার কোনো উপায় না থাকায় তারা বিভিন্ন বাহানা বানাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘১৮ আগস্টের দিনে আসামিপক্ষ বলেছিল- মামলার ৯ নম্বর আসামি কালু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫১ ধারায় আটক হয়েছেন। এজন্য চার্জ গঠনের তারিখ পেছানোর দাবি করেন। এবার তারা মামলার ১৪ নম্বর আসামি সাহেব আলী ৩৪ ধারায় পাবনার ফরিদপুর থানায় গ্রেফতার হয়েছেন বলে চার্জ গঠনের তারিখ পেছানোর আবেদন করেন।’

অ্যাড. বাবু আরও বলেন, ‘১৫১ কিংবা ৩৪ ধারা, গ্রেফতার দেখানোর মতো কোনো ধারা নয়। ৩৪ ধারা মাতলামোর ধারা। সামান্য কিছু জরিমানা করেই এ ধারা থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়। তবে প্রধান আসামির অনুসারীরা কৌশলে মামলাটির চার্জগঠনে বিলম্ব করার জন্য কৃত্রিমভাবে বার বার এসব ঘটনা সংগঠিত করছে। তারা টাকার বিনিময়ে এসব মামুলি ধারায় পুলিশকে দিয়ে অন্য আসামিদের গ্রেফতার দেখাচ্ছেন। ফলে তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা দিন পেছানোর সুযোগ পাচ্ছেন।‘

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. একরামুল হক বলেন, ‘কৃত্রিমভাবে ঘটনা ঘটানো হচ্ছে- বিষয়টি সঠিক নয়। অন্য আসামিরা যদি আদালতে হাজির না হন, তবে স্বাভাবিকভাবে তাদেরকে হাজির করে শুনানির দিন ধার্য করার জন্য আবেদন করব।’

আদালতে বিচারক পাবনার ফরিদপুর থানায় আটক আসামি সাহেব আলীকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন। উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা অন্য ৩৬ আসামির জামিন বহাল রাখেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র