ঈদে রেলওয়ের চমক ইরানিয়ান কোচ

ঢাকা: প্রতি বছর ঈদকে কেন্দ্র করে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বিশাল ঝক্কি-ঝামেলা সৃষ্টি হয়। ২৩টি কাউন্টার থেকে বিক্রি হয় অগ্রিম টিকিট। রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে যান হাজার হাজার টিকিট প্রত্যাশী। বাড়তি যাত্রী টানতে অতিরিক্ত ট্রেন ও বগি যোগ করা হয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপের বিভাগীয় সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ কুদরত ই খুদা জানান, এবার রেলওয়েতে চমক হবে ইরানিয়ান কোচসমৃদ্ধ চকচকে লালমনি এক্সপ্রেস। এছাড়া ঈদের বহরে সৈয়দপুর থেকে ৯০ টি কোচ এবং পাহাড়তলী থেকে ৭০ টিসহ মোট ১৬০ টি কোচ সংযুক্ত হবে।

দেশে প্রথম ইরানী কোচ আনা হয় ১৯৯৫ সালে। শুরুতে সুবর্ণ এক্সপ্রেস চলতো ইরানী কোচ দিয়ে। সাদা চাইনিজ কোচ আসার পর সুবর্ণ থেকে ইরানী কোচ খুলে মহানগর এক্সপ্রেসে দেওয়া হয়। যা আগে প্রভাতী/গোধূলী নামে ছিল।

ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের কালনী এক্সপ্রেসও ইরানিয়ান কোচ ছিলো। ২০১৬ তে কালনীর রেক চেঞ্জ হয় আর ইরানী কোচ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। এরপর দীর্ঘ সংস্কার শেষে ইরানী কোচ সমৃদ্ধ হয়ে এবার আসছে লালমনী এক্সপ্রেস।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি, আগামী ২ জুন থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। প্রথম দিন ২ জুন বিক্রি হবে ১১ জুনের টিকিট। ৩ জুন বিক্রি হবে ১২ জুনের টিকিট। ৪ জুন বিক্রি হবে ১৩ জুনের টিকিট। ৫ জুন বিক্রি হবে ১৪ জুনের টিকিট। ৬ জুন হবে ১৫ জুনের টিকিট। ১ জুন দেয়া হ‌বে ১০ জু‌নের টি‌কিট।

ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৯ জুন থেকে। এ দিন বিক্রি হবে ১৮ জুনের টিকিট। এরপর ১০, ১১, ১২ ও ১৩ জুনের টিকিট পাওয়া যাবে যথাক্রমে ১৯, ২০, ২১ ও ২২ জুন।

রেলপথে এখন দৈনিক ২ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে। তার সঙ্গে ঈদের আগে প্রত্যেক দিন আরও ৫০ হাজার অতিরিক্ত যাত্রী যাতায়াত করবেন।

জাতীয় এর আরও খবর

//election count down