এডিস মশা ধ্বংসে প্রত্যেক বাসায় অ্যারোসল দেবে ডিএসসিসি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
পৌরকরদাতাদের মাঝে অ্যারোসল স্প্রে বিতরণ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পৌরকরদাতাদের মাঝে অ্যারোসল স্প্রে বিতরণ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এডিস মশা ধ্বংসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেছেন, আমরা ১ জুলাই থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এডিস মশা লার্ভা ধ্বংসের কাজ শুরু করেছি। অনুমতি সাপেক্ষে আমরা এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফগিং মেশিন দিয়ে মশার ওষুধ স্প্রে করব। এজন্য সবার সহযোগিতা দরকার।

শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটোরিয়ামে পৌরকরদাতাদের মাঝে অ্যারোসল স্প্রে বিতরণ অনুষ্ঠানে মেয়র একথা বলেন। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সচিব মোস্তফা কামাল মজুমদার, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি: জেনা: শরীফ আহমেদ, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার।

মেয়র খোকন বলেন, ‘ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই প্রাদুর্ভাব থেকে পরিত্রাণ দেবার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের সমস্ত প্রচেষ্টা নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। মানুষের ধারণা ফগিং মেশিন দিয়ে বেশি স্প্রে করলে নিয়ন্ত্রণে আসবে। বিষয়টি আসলে সঠিক না। বাইরে স্প্রে করে নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন। যেহেতু এডিস মশা বাসা বাড়িতে জন্মায় তাই সবার আগে দরকার সচেতনতা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565424020439.jpg
বক্তব্য রাখছেন মেয়র সাঈদ খোকন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাসপাতাল, পুলিশ স্টেশন, সরকারি-বেসরকারি অফিস ভবনে এডিস মশা জন্মাতে পারে। নির্মাণাধীন ভবন, বাসার ছাদে, ফুলের টবে জন্মাতে পারে, তাই সবার আগে দরকার সচেতনতা। আমাদের টার্গেট সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এই পরিস্থিতি থেকে নগরবাসীকে মুক্ত করতে পারব। অতিদ্রুত নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসবে।’

মেয়র বলেন, ‘যেহেতু এডিস মশা বাড়িতে স্কুলে, জন্মাতে পারে। তাই আমরা চিন্তা করেছি প্রত্যেক বাসায় অ্যারোসল বিতরণ করব। এরইমধ্যে ৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যারোসল দেওয়া হয়েছে এবং ৭৬৫টি মসজিদেও অ্যারোসল দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রত্যেক পৌর করদাতার বাসায় অ্যারোসল পৌঁছে দেব। এনিয়ে ১ লাখ ৬৩ হাজার অ্যারোসল দেওয়া হবে। পরে মেয়র পৌর করদাতাদের হাতে অ্যারোসল তুলে দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। কর প্রদানের রশিদ দেখিয়ে করদাতাগণ অ্যারোসল গ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :