গাবতলী হাটে ভিড়, নেই ক্রেতা!

রেজা-উদ্-দৌলাহ্ প্রধান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
গাবতলী গরুর হাট, ছবি: সুমন শেখ

গাবতলী গরুর হাট, ছবি: সুমন শেখ

  • Font increase
  • Font Decrease

গাবতলী গরুর হাট থেকে: ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র দুই দিন। একটু বেশি লাভের আশায় বিক্রেতারা দূরদূরান্ত থেকে নিজের পালিত গরু নিয়ে এসেছেন শহরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট গাবতলীতে। ভিড়ের মধ্যে প্রকৃত ক্রেতা খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন অনেকে। তাইতো বিক্রেতাদের চোখ খুঁজে ফিরেছে ক্রেতাদের মুখ।

মলিন মুখে ব্যাপারীরা জানান, হাটে মানুষের ভিড় কিন্তু প্রকৃত ক্রেতা নেই। তবে সময় যত গড়াবে তত ক্রেতাদের ভিড় বাড়বে বলে প্রত্যাশা তাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565429477207.jpg

 

শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সরেজমিনে গরুর হাট ঘুরে দেখা যায়, গাবতলীর হাটে প্রচুর গরু উঠেছে। হাটের প্রবেশমুখে আর রাস্তার দুপাশে অনেকে গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।  গরু হাটে বেশ মানুষ আসতে শুরু করেছে। ক্রেতারা গরু দেখছেন, দরদামও করছেন। কিন্তু দাম বেশি চাওয়ায় ক্রেতাদের বিমুখ হতে দেখা গেছে।

এদিকে হাসিলঘরের সামনেও বেশ ভিড় দেখা যায়। গরু বিক্রি হলে হাসিল ঘরে গিয়ে হাসিল পরিশোধ করে তবেই গরু বাইরে নিতে পারছেন ক্রেতারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565429646586.jpg

 

কুষ্টিয়া থেকে হাটে দুটো গরু নিয়ে এসেছেন আমিনুল ইসলাম। ৭ মণ ওজনের একটা ষাঁড়ের দাম তিনি চাচ্ছেন ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বিক্রেতারা সর্বোচ্চ ১ লাখ চার/পাঁচ হাজার টাকা বলছেন।

তিনি বলেন, কুষ্টিয়া থেকে ৩০ হাজার টাকা ট্রাক ভাড়া নিয়ে এসেছি। গরু হাটে তুলতে প্রতিদিন খরচ আছে ৫ হাজার টাকা, গরুর পেছনে দিনে খরচ হয়েছে কমপক্ষে ৫০০-৭০০ টাকা। দুই বছর বাড়িতে পালন করেছি। অথচ ক্রেতারা  দাম বলে না।

এমন দাম বললে পানির দামে গরু বিক্রি করে তাকে বাড়িতে ফিরতে হবে বলেও শঙ্কা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565429757162.jpg

 

গরুর কিনতে আসা ক্রেতা হাসিবুর রহমান বলেন, গরু কিনতেই বাজারে এসেছি। এবার বাজার খুব চড়া। গরু পছন্দ করলেই দাম বেশি চাচ্ছে ব্যাপারী। বাজারের শেষ দিকে দাম কমতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

গরুর দাম চড়া হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ব্যাপারী মানিক বলেন, গরু পালতে অনেক খরচ পড়ে। আমরা সিঙ্গাইর থেকে ১৯টা গরু নিয়ে আসছি। এখন পর্যন্ত মাত্র ২টা বিক্রি হয়েছে। আমাদের গরুগুলোকে খড়, ভুসি, গাজর, বিদেশি ঘাস খাইয়ে বড় করছি। এগুলা খরচ পোষাতে দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, হাটে ভিড় থাকলেও ক্রেতা কম এখন। আমাদের সিঙ্গাইরের গরুর চাহিদা আছে বাজারে। বেলা বাড়লে ক্রেতা বাড়তে পারে এমনটাই আশা করছি।

আরও পড়ুন,

সড়কে পশু কোরবানি না দেওয়ার নির্দেশ

হাটে বড় গরু বেশি, অস্বস্তিতে ছোট গরুর ক্রেতারা

আপনার মতামত লিখুন :