২ ঘণ্টায় ১ কি.মি. অতিক্রম করছে বাসগুলো

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
প্রচণ্ড গরমে বাসের ভেতর হাঁসফাঁস করছে শিশু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রচণ্ড গরমে বাসের ভেতর হাঁসফাঁস করছে শিশু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজার জটিলতায় টাঙ্গাইল-সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে গাড়ির প্রচণ্ড চাপ। এই মহাসড়কের যানবাহন চলছে কচ্ছপ গতিতে। এতে নাকাল হয়ে পড়েছে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গগামী ঘরমুখো সাধারণ মানুষ। তবে গাবতলী থেকে যানজট মুক্তভাবে সাড়ে ৩ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল মির্জাপুরে সহজেই আসতে পারছে পরিবহনগুলো। তবে এরপরের অবস্থা ভয়াবহ। সামনের অংশে তীব্র যানজট।

করটিয়া বাইপাস থেকে টাঙ্গাইলের সামনের অংশে ৪০ কি.মি পুরোটাই যানজট। সেখানে গাড়ি গুলো ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে। এই জায়গা কখন যানজট মুক্ত হবে, সে সর্ম্পকে জানে না কেউই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই মহাসড়কের ঘরেফেরা মানুষেরা এই ৪০ কি.মি জায়গাতেই দুর্ভোগে পড়েছে। ২ ঘণ্টায় ১ কিমি অতিক্রম করেছে বাসগুলো। সেই অবস্থা এখনও চলছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565454134076.jpg

আরও পড়ুন: ৯ ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি!

বগুড়াগামী শাহ ফতেহ আলী বাসের হেলপার রেজা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘তাদের অন্য বাস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় নিয়ে টাঙ্গাইলের এই ৪০ কিমি অংশ পার হয়েছে। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে যানজট থাকলেও বিকেল থেকে যানযট মুক্ত হয়েছে এই অংশে। তাই মাত্র সাড়ে ৩ ঘন্টায় মির্জাপুরে পৌঁছালাম। তবে সামনের দিকে আর যাওয়া যাবে না।

মেহেরপুরগামী সুপার সনি গাড়ির চালক হাবিবুর বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ঢাকা থেকে এ পর্যন্ত চার লেনের সুবিধা পেয়েছি। তাই দ্রুত এসেছি। এলেঙ্গার পর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেনে গাড়ি চালাতে হয়। যানবাহনের চাপ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যায়। রাস্তাও ভাল না। সব কিছু মিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565454145195.jpg

এদিকে সরেজমিনে দেখা যায়, এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে দুর্ভোগের পড়েছে নারী ও শিশুরা। একদিকে যানজট অন্যদিকে প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তারা। বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের কান্না থামিয়ে রাখা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: ১০ ঘণ্টা দেরিতে যথাসময়ে ছাড়লো বাস!

সার্বিক পরিস্থিতি জানতে চাইলে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা ছয় বার বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব থেকে টাঙ্গাইল অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ৮০০ পুলিশ সদস্য মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে। খুব দ্রুত যানজট নিরসন হবে।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে ঠাঁয় দাঁড়ানো সেতুমুখী যানবাহন

আপনার মতামত লিখুন :