ঈদে ইরানিয়ান কোচে নয়া লালমনি এক্সপ্রেস

ঢাকা: বাংলাদেশে ৯০ দশকের শেষ দিকে ইরানিয়ান বেশ কিছু কোচ আনা হয়। সুবর্ণ এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস , প্রভাতী ও গোধুলী ট্রেন চলছিলো ইরানি কোচ দিয়ে। এক পর্যায়ে ড্যামেজ হওয়া শুরু হলে এসব কোচ খুলে নেয়া শুরু হয়।

কোচগুলির ‘আন্ডারফ্রেম’ সহ প্রায় ৮০ শতাংশ যন্ত্রাংশ ড্যামেজ হয়। এসব প্রতিস্থাপন করে ১৪টি কোচ দিয়ে নতুন সাজে আসছে ঢাকা-লালমনিরহাট রুটের ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ।

/uploads/files/RGqR7TCerdeeH2fuwLNY3jz6YwzhN2SftVQ5HUlg.jpeg

এবার ঈদে সাদা রেকে লালমনি যাত্রী টানবে। এসব একেকটি কোচ মেরামতে ব্যয় হয়েছে ৭০ লাখ টাকা। বড় ধরণের কোন মেরামত ছাড়াই এগুলো আগামী ১২ বছর চলতে পারবে বলছে রেলওয়ে সৈয়দপুর ওয়ার্কশপ।

এছাড়া পাহাড়তলী কারখানা থেকে ৯০টি ও সৈয়দপুর কারখানা থেকে ৯০টিসহ মোট ১৮০টি কোচ ঈদে মেরামত করে নামানো হচ্ছে।

রেলওয়ের বিভিন্ন তথ্যে জানা গেছে, ২০০৬ সালে সাদা চাইনিজ কোচ আসার পর ইরানিয়ান কোচ খুলে মহানগর এক্সপ্রেসে দেয়া হয়। পরে সুবর্ণ ট্রেনে আগুন লাগার পর পারাবত ট্রেন থেকে ইরানিয়ান খুলে সুবর্ণতে জোড়া দেয়া হয়েছিলো। সেই কোচ পরে আর ফেরত পায়নি পারাবত। ২০১৬ সালে পারাবত নতুন ইন্দোনেশিয়ান কোচ পায়।

/uploads/files/xmvzdLJcuTqcGAR6sFhknfiQhrhqDiNQbT0P25Pd.jpeg

এদিকে ২০০৬ সালে সুবণ্যের রেক চেঞ্জ হয়ে চাইনিজ কোচ যুক্ত হয়, যা এখনও চলছে। ২০১১ তে ইরানি রেক দিয়ে সিলেট রুটে নতুন একটি কালনী ট্রেন যাত্রা শুরু করে। ২০১৪ তে কালনীতে আগুন লাগার পর ইরানী কয়েকটি রেক হারায় কালনী।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাহাড়তলি তে এখনো অনেক ইরানী পড়ে আছে যা দিয়ে আরও ২ টি ট্রেনের রেক সাজানো যাবে। কালনী ট্রেনকে পাহাড়তলীতে পড়ে থাকা ইরানী রেক দিয়ে সাজানো সম্ভব।

জাতীয় এর আরও খবর

//election count down