Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

রসিকে ২০ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ

রসিকে ২০ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
রংপুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের গাড়ি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলেও মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যে সেই বর্জ্য অপসারণে আবারো সফল রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক)। ঈদের প্রথম দিন (১২ আগস্ট) দুপুর থেকেই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করে রসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। রিকশা ভ্যান নিয়ে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ও নির্ধারিত স্থান ও বাড়ি বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য সন্ধ্যার পর ডাম্পিং প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়। রাতে এক ঘণ্টার বৃষ্টির পর আবারো বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকালে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও নগরীর বিভিন্ন অলি-গতিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা যায়। নগরবাসীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিচ্ছন্ন নগরীর উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টা থেকে রসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের তিনটি ইউনিটে ৬২৭ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী এ কাজ করছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে গত ঈদুল আজহাতেও প্রশংসিত হয়েছেন সিটি মেয়র। এবারো সেই সফলতা ধরে রাখলেন তিনি।

তবে চামড়া কেনাবেচার প্রসিদ্ধ এলাকার চামড়াপট্টি থেকে গতকাল রাতে ও আজ সকালে গাড়িগুলোতে বেশ কয়েকবার পশুর বর্জ্য অপসারণ করে দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেয়া হলেও এখনো দুর্গন্ধমুক্ত হয়নি এলাকাটি। বেশ কিছু চামড়া গুদামের সামনে ময়লা পানি, বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

রংপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহবুবার রহমান মঞ্জু বলেন, 'রসিকের ৭০টি রিকশা ভ্যান, ২৭টি বর্জ্যবাহী ট্রাক, দুটি স্টিল রোডার, পানিবাহী দুটি গাড়ি ও ৬২৭ জন সেবক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। গতকাল সোমবার রাতের বৃষ্টি হওয়াতে কিছুটা লাভ হয়েছে। তবে আমরা বর্জ্য অপসারণ শেষ করেনি। আজ বিকেলের আগেই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শতভাগ সম্পন্ন হবে।'

রসিকে ২০ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ

তিনি বলেন, 'ঈদের তিন দিনেই অনেকে কোরবানি করে থাকেন। এ কারণে বুধবারও (১৪ আগস্ট) বর্জ্য অপসারণের কাজ চলবে। এ কার্যক্রম সরাসরি মনিটরিং করছেন সিটি মেয়র মোস্তাাফিজার রহমান মোস্তফা। ঈদের দিন বর্জ্য অপসারণে আমরা শতভাগ সফল হয়েছি। এবার শতভাগ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়।'

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সিটি মেয়র নিজেই বেশ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের পাশাপাশি সিটির বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা এই ঈদে পরিবার পরিজনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, 'কোরবানির বর্জ্য অপসারণে যে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম- ওই সময়ের মধ্যেই পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করে তা সফল করেছে। এই কাজের জন্য আমি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলাম। সিটি করপোরেশনের নিয়োজিত পুরো টিম এই চ্যালেঞ্জ সার্থক করেছে।'

এবার নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ড থেকে ঈদের দিন রাত পর্যন্ত ১৭০ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। অপসারিত বর্জ্য নগরীর কলাবাড়ি, নাসনিয়া ও শরেয়ারতল এলাকায় ডাম্পিং করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

‘জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনার অংশ’

‘জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনার অংশ’
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে দেশের শত্রুরা দুটি কাজ সুপরিকল্পিতভাবে করেছে। এর একটি হচ্ছে পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা সেনা কর্মকর্তাদের কাজে লাগানো আর অন্যটি জাসদ ও গণবাহিনীর সৃষ্টি। এদের সম্পর্কে অনেক ভালো জেনেছি যখন জেলে ছিলাম।’

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘৩ নভেম্বর যে অভ্যুত্থান হল তখন কর্নেল তাহের ও তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের সবাইকে অ্যারেস্ট করে তারা আবার জেলখানায় চলে এল। জেলে শাফায়াত জামিল আমার সাথে। জেলখানায় তখন প্রথম জানতে পারলাম ৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে একটি বিপ্লবী সেল তৈরি করা হয়েছিল এবং সেটি সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে। তখন শুনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কী জঘণ্য উক্তি তারা করত।’

পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসারদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সেনা অফিসাররা এসেই এমন একটা বিভেদ সৃষ্টি করে ফেলল। পরবর্তীতে দেখেন, বেছে বেছে মুক্তিবাহিনীর অফিসারদের এরা হত্যা করেছে। মুক্তিবাহিনীর সেনা যারা, তারাই প্রাণ দিয়েছে, এরা কিন্তু কেউ প্রাণ দেয়নি। জেনারেল জিয়াউর রহমান তার কোর্সমেট জেনারেল মোজাম্মেল, জেনারেল আব্দুর রহমান, জেনারেল ওয়াজিমুল্লাহকে ভালো ভালো জায়গায় বসিয়েছে। এমনভাবে পুরো জিনিসটা কুক্ষিগত করে ফেলল আমাদের সেনাবাহিনীকে যে জেনারেল শফিউল্লাহ কিছুই না।’

‘জেনারেল জিয়া তো ওদেরই লোক। এরা সকলে কোর্সমেট। এদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে উঠেছে কর্নেল রশিদ, কর্নেল ফারুক। কর্নেল রশিদের তো ঢাকায় পোস্টিং ছিল না, তার তো আর্টিলারি ব্যাটালিয়ন নিয়ে কুমিল্লায় থাকার কথা, ফারুকের ট্যাঙ্ক বাহিনী নিয়ে থাকার কথা বগুড়া অথবা সাভারে। এরা যে ঢাকায় এল তাহলে আমাদের সেনাপতিরা, যারা তখন ছিলেন, তারা জানতেন না, এ সমস্ত মুভমেন্ট কী কখনো আর্মি হেডকোয়ার্টাসের অনুমতি কিংবা অনুমোদন ছাড়া হয়? এগুলো তো হয় না। তাহলে আমাদের মধ্যে কীভাবে ঢুকে পড়েছিল এই ষড়যন্ত্রকারীরা। আর মূল ষড়যন্ত্রটি যারা করেছে তারা হল পাকিস্তানিরা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566671529801.jpg

দেশের সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটের ইতিহাস তুলে ধরে সাবেক এই আমলা বলেন, ‘১৯৬৫ সালের পরে তৎকালীন সিএসপি নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ ভাব তৈরি হয়েছিল। তার পেছনে কারণ ছিল আইয়ুব খান। মার্শাল ল চালুর পরে উনি দেখলেন সবকিছু চালায় সিএসপিরা। তিনি তখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য কমিটি করলেন। সিভিল সার্ভিসের ক্ষমতা কীভাবে খর্ব করা যায় সে ব্যবস্থা কমিটি পাকাপোক্ত করল। সেই থেকে সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়ন কিংবা তাদের ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হলো।’

‘আইয়ুব খানের আরেকজন প্রতীকী ইয়াহিয়া খান। আর আমাদের দেশে এসে হলেন জিয়াউর রহমান খান। আমি জিয়াউর রহমান খানই বলব। কারণ তিনি কিন্তু ওই লাইনেরই এবং তারপরে এরশাদ খান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই খানেরা আমাদের ক্রমান্বয়ে যে কী পরিমাণে ক্ষতি করে গেছেন, অথচ সে জিনিসটি থেকে বঙ্গবন্ধু এসে সেই রাষ্ট্রটিতে তিনি আবার খুঁজে খুঁজে সিভিল সার্ভিসের লোকদের নিয়ে এসেছেন। শুধু সিভিল সার্ভিস নয়, উনি প্রথম সরকারে ল্যাটারাল এন্ট্রি অর্থাৎ সরকারের বাইরে কোথায় কোনো প্রতিভা আছে, যিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে পারবেন, সেটা চালু করেন।’

বাকশালের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী এইচ টি ইমাম বলেন, ‘বাকশালের গঠনতন্ত্র কেউ দেখেনি। বাকশালের উদ্দেশ্য কী ছিল এটি সম্পর্কে কেউ জানে না। বঙ্গবন্ধু এভাবে জনগণের কাছে ক্ষমতা নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ভিত্তিমূলে, তৃণমূলে। যে জন্য ৬৪টি মহকুমাকে তিনি জেলায় পরিণত করলেন। প্রতিটা জেলায় গভর্নর নিয়োগ করলেন এবং তাদেরকে ক্ষমতায়ন করে গেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব ড.কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। স্বাগত সংগঠনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন প্রমুখ।

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর কাফরুল এলাকার একটি বাসার ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। এ ঘটনায় মো. ইউনুস নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

রোববার (২৪ আগস্ট) রাতে র‍্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566664805904.jpg

সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, 'আজ বিকেল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ এর একটি দল কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি আবাসিক ভবনের ৬ তলার ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। ফ্ল্যাটটিতে অভিযানের এক পর্যায়ে একটি ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফকে আটক করা হয়।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ইউসুফ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকে।'

আটকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র