জাপানের শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগাবে বাংলাদেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
জাপানের আজিক্কি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতে মোস্তাফা জব্বার,  ছবি: সংগৃহীত

জাপানের আজিক্কি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতে মোস্তাফা জব্বার, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১৪টি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাপানে দক্ষ কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের বিশাল এক শ্রম বাজার রয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে এ সুযোগ কাজে লাগাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশে সফররত জাপানের আজিক্কি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট আউমু তাকাসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।

বৈঠককালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, জাপানের চাহিদা অনুযায়ী ১৪টি ক্যাটাগরির প্রতিটিতে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করা সম্ভব। সরকার জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির জন্য সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর।'

তিনি বলেন, 'ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন টেলিকম ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট ও চারটি পোস্টাল একাডেমিকে জাপানের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য কাজে লাগানো সম্ভব। জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত এক বন্ধু। জাপানের জনগণের অনুকরণীয় জীবন যাপন এবং আচরণ বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় এবং জাপান অত্যন্ত উপযোগী কর্মক্ষেত্র।'

মোস্তফা জব্বার বলেন, 'প্রশিক্ষণের সিলেবাস বা কারিকুলাম পেলে দক্ষ জনবল তৈরি করার দায়িত্ব আমাদের। দেশে ৬৫টি ল্যাবে জাপানি ভাষাসহ নয়টি ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।'

আউমু তাকাসি জানান, জাপানে বর্তমানে কেয়ার ওয়ার্কার, বিল্ডিং ক্লিনিং ম্যানেজমেন্ট, মেশিন পার্টস অ্যান্ড টুলিং ইন্ডাস্ট্রিজ, ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইনফরমেশন ইন্ডাস্ট্রি, কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি, শিপ বিল্ডিং এন্ড শিপ মেশিনারিজ ইন্ডাস্ট্রি, অটোমোবাইল রিপেয়ার ইন্ডাস্ট্রি, এভিয়েশনস ইন্ডাস্ট্রি, একমোডেশন ইন্ডাস্ট্রি, এগ্রিকালচার, ফিশারিজ, ফুড এন্ড বেভারেজ এবং ফুড সার্ভিসেস ইন্ডাস্ট্রিতে তিন লাখ ৪০ হাজার কর্মীর চাহিদা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৯টি জাপানি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টি দেশ থেকে এই সকল কর্মী নিয়োগ করা হবে। ৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে সরকার বাংলাদেশকে এই তালিকায় যুক্ত করার জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে টেকনোগ্রাম লিমিটেডের সিইও একেএম আহমেদুল ইসলাম বাবু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :