Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাপানের শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগাবে বাংলাদেশ

জাপানের শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগাবে বাংলাদেশ
জাপানের আজিক্কি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতে মোস্তাফা জব্বার, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

১৪টি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাপানে দক্ষ কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের বিশাল এক শ্রম বাজার রয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে এ সুযোগ কাজে লাগাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশে সফররত জাপানের আজিক্কি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট আউমু তাকাসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।

বৈঠককালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, জাপানের চাহিদা অনুযায়ী ১৪টি ক্যাটাগরির প্রতিটিতে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করা সম্ভব। সরকার জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির জন্য সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর।'

তিনি বলেন, 'ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন টেলিকম ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট ও চারটি পোস্টাল একাডেমিকে জাপানের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য কাজে লাগানো সম্ভব। জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত এক বন্ধু। জাপানের জনগণের অনুকরণীয় জীবন যাপন এবং আচরণ বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় এবং জাপান অত্যন্ত উপযোগী কর্মক্ষেত্র।'

মোস্তফা জব্বার বলেন, 'প্রশিক্ষণের সিলেবাস বা কারিকুলাম পেলে দক্ষ জনবল তৈরি করার দায়িত্ব আমাদের। দেশে ৬৫টি ল্যাবে জাপানি ভাষাসহ নয়টি ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।'

আউমু তাকাসি জানান, জাপানে বর্তমানে কেয়ার ওয়ার্কার, বিল্ডিং ক্লিনিং ম্যানেজমেন্ট, মেশিন পার্টস অ্যান্ড টুলিং ইন্ডাস্ট্রিজ, ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইনফরমেশন ইন্ডাস্ট্রি, কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি, শিপ বিল্ডিং এন্ড শিপ মেশিনারিজ ইন্ডাস্ট্রি, অটোমোবাইল রিপেয়ার ইন্ডাস্ট্রি, এভিয়েশনস ইন্ডাস্ট্রি, একমোডেশন ইন্ডাস্ট্রি, এগ্রিকালচার, ফিশারিজ, ফুড এন্ড বেভারেজ এবং ফুড সার্ভিসেস ইন্ডাস্ট্রিতে তিন লাখ ৪০ হাজার কর্মীর চাহিদা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৯টি জাপানি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টি দেশ থেকে এই সকল কর্মী নিয়োগ করা হবে। ৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে সরকার বাংলাদেশকে এই তালিকায় যুক্ত করার জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে টেকনোগ্রাম লিমিটেডের সিইও একেএম আহমেদুল ইসলাম বাবু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার  বিকল্প নেই

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার  বিকল্প নেই
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ কোনও বিকল্প চিন্তা করছে না। যে কোনো সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হয়ে যেতে পারে। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

রোববার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস-বিস) মিলনায়তনে 'রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: ওয়ে ফরওয়ার্ড' বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের নিজ নিজ স্বার্থ আছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গার ভাগ্যবান কারণ তারা সব সময় বাংলাদেশে সব রকম মানবিক  সহায়তা পেয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ কোনোও বিকল্প চিন্তা করছে না।  রোহিঙ্গাদের নিজের স্বার্থেই তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী  আগামী জাতিসংঘ সম্মেলনে এই ইস্যুটি জোরালভাবে উত্থাপন করবেন।

রোহিঙ্গা ইস্যু একটি বিশ্ব সংকট। কিন্তু যারা এ সংকট সৃষ্টি করেছে তাদের জবাবদিহিতায় আনার জন্য এখনও বিশ্বে সব রকম কাঠামো তৈরি হয়নি। দিনশেষে প্রতিটি দেশেই তাদের নিজ দেশের স্বার্থ দেখেই সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরেও আন্তর্জাতিকভাবে বেশ কিছু দেশ এ ইস্যুতে কাজ করে যাচ্ছে।

মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা সংকট যে মিয়ানমারের তা তারা মানতেই চাচ্ছে না। বাংলাদেশ তার সাধ্যমত সবটুকু করছে কিন্তু পশ্চিমের দেশগুলো এ বিষয়ে শুধু ভণ্ডামি করে চলেছে। মানবাধিকারের এমন নির্মম ঘটনা রোহিঙ্গাদের ওপর নেমে এসেছে যেখানে-গণহত্য, নৃগোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন করার, যুদ্ধাপরাধসহ সব রকমের অপরাধই ঘটেছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায়। তৃতীয় কোনও দেশেও পুনর্বাসন হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিস-এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত যেতেই হবে। এই সংকটের দ্রুত সমাধান চাই। একমাত্র সমাধান আছে তা হল তাদের নিরাপদ, স্থায়ী ও সম্মানের সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া। রোহিঙ্গাদের সব রকম রাজনৈতিক অধিকার দেওয়ার মধ্যেই এটির সমাধান হবে। এটি একমাত্র মিয়ানমারই করতে পারে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব তাদের শুধু সহযোগিতা করতে পারে।

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২২৪

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২২৪
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এবারের ঈদযাত্রায় সারাদেশের সড়ক ও মহাসড়কে ২০৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ২২৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৮৬৬ জন।

রোববার (১৮ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, 'গত ৬ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বিগত ১২ দিনে ২০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২২৪ জন নিহত ও ৮৬৬ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় তিনজন শ্রমিক, ৭০ জন নারী, ২২ জন শিশু, ৪২ জন ছাত্রছাত্রী, তিনজন সাংবাদিক, দুইজন চিকিৎসক, আটজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, তিনজন রাজনৈতিক নেতা, ৯০০ জন যাত্রী ও পথচারী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।'

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, 'সড়ক রেল ও নৌপথে সম্মিলিতভাবে ২৪৪টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ২৫৩ জন নিহত ও ৯০৮ জন আহত হয়েছেন।'

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, 'বিগত ঈদের চেয়ে এবার রাস্তাঘাটের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। তাই সড়ক দুর্ঘটনা ৬.২ শতাংশ, নিহত ৬.৫ শতাংশ, আহত ১.৫ শতাংশ কমেছে এসেছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র