Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জমে উঠেছে ফুটপাতের ঈদ বাজার

জমে উঠেছে ফুটপাতের ঈদ বাজার
শাহরিয়ার হাসান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বড় বড় শপিংমল ও বিপনী বিতানগুলোতে বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। থেমে নেই ফুটপাতের ঈদ বাজারও, রীতিমত জমে উঠেছে এটি। রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দেখা যায়, ছেলে বুড়ো সবার হাতে বড় বড় ব্যাগ নিয়ে এ দোকান ও দোকান ঘুরে বেড়াচ্ছে।

রমজান মাস শেষে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের এখনো বাকি প্রায় বেশ কিছু দিন। তবে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদ বাজারের বিক্রিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা। রাজধানীতের ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা দম ফেলার সুযোগ পাচ্ছেন না। ঈদ যতোই এগিয়ে আসছে, বিক্রি বাড়ছে তাদের। সে তুলনায় এখনো ততোটা জমজমাট নয় রাজধানীর বড় বড় শপিংমলগুলো।

রাজধানীতে প্রায় ৩০টির বেশি স্থানে চলছে ফুটপাতে ঈদের কেনাবেচা। এসবের মধ্যে জমে উঠেছে বঙ্গবাজার, নিউমার্কেট, গাউছিয়া, দৈনিক বাংলা মোড়, মতিঝিল জনতা ব্যাংকের সামনে, মতিঝিল শাপলা চত্বরের চারদিকের ফুটপাত, ফকিরাপুল এলাকা, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ হকার্স সমিতি মার্কেট, গুলিস্তান মোড়ের চারপাশের ফুটপাত, নয়াপল্টনের ভিআইপি সড়কের ফুটপাত, গোলাপ শাহ মাজার সংলগ্ন ফুটপাত, চাঁদনীচকের ফুটপাতেও চলছে এই বেচাকেনা।

বিভিন্ন ফুটপাতে বসা ব্যবসায়ীদের দেখা যায় কথা বলারও সময় পাচ্ছেন না তারা। ক্রেতারাও দোকান ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত। আতিকা নামের এক গৃহিণী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ভেবে ছিলাম ঈদের অনেক আগে এসেছি ভিড় থাকবে না, তবে দেখছি অনেক ভিড়, এর মধ্যে ঈদের বাজার করতে হচ্ছে।

/uploads/files/iMZdkd4mShuEqnQBkcR9mmEdMA4Pdw2mXXPX4VVY.jpegফুটপাতের মার্কেটে কাপড়ের দাম কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে জিনিস এখানে ২৫০ টাকা মার্কেটে সেটাই ৫০০/৬০০ টাকা, তা হলে কেন আমি নিউমার্কেটে গিয়ে বেশি টাকা খরচ করবো!

ফুটপাতের কাপড়ের দাম কম কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে রফিকুল নামের এক কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, কাপড় একই, আমাদের এসি খরচ নেই, লাইট খরচ নেই, তাই আমরা কম দামে বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, নিউমার্কেটে আর ফুটের কাপড়ের মান একই, আমরা এক জায়গা থেকেই ক্রয় করি। ওরা এনে ঘরে তোলে, আর আমরা রাস্তায় বসি।

এদিকে আবার দেখা যায়, কথার ঝামেলা এড়াতে একদামে বেচাকানা করছেন অনেক ব্যবসায়ী। অনেকে বলছেন, বিত্তবানদের জন্য না হলেও, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য অনেকটাই আশীর্বাদস্বরুপ এই দোকানগুলো।

ফুটপাত থেকে বের হয়ে, রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটের দোকানে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র, অনেকটা অলস সময় কাটছে দোকানদারদের। তারা জানালেন ক্রেতারা প্রতিদিনই আসছেন, তবে জমজমাটভাবে শুরু হয়নি বেচাকেনা।

তবে ঈদ মার্কেট এখানেই শেষ না, ঈদকে সামনে রেখে বসে নেই মৌসুমি হকাররাও। বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ট্রাফিক সিগনালে থামা গাড়িগুলোর দিকে ছুটছেন একেকজন। কারো হাতে আতর, কারো হাতে টুপি কারো হাতে নামাজ শিক্ষার বিভিন্ন ধরনের বই সামগ্রী। যানজটে গাড়িতে বসে থাকা মানুষের কাছে নিয়ে যাচ্ছেন এই ভাসমান হকাররা। তাদের বিক্রিও নেহাত কম নয়।

আপনার মতামত লিখুন :

অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেতাকে বিদায়

অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেতাকে বিদায়
অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেতাকে বিদায়

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুরে নিজ বাসভবন পল্লী নিবাসে চিরশায়িত হয়েছেন।  বড় ভাই এরশাদের দাফন শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য জিএম কাদের।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৬ টায় পল্লী নিবাসে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে দুপুর আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লী নিবাসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে চিরবিদায় দেওয়ার দৃশ্যে দেখা জিএম কাদের অনবরত চোখের জল মুছছেন। একই দৃশ্য দেখা গেছে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার ক্ষেত্রেও। তিনি নেতাকর্মীদের জড়িয়ে হু হু করে কেঁদে যাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563283346887.jpg

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে হারিয়ে নেতাকর্মীসহ অনেকের চোখেমুখে তখন শোকের ছাপ। এর মধ্যেই কেউ কেউ একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন।

রংপুরের প্রিয় নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কবরে একমুঠো মাটি দেওয়ার জন্য অসংখ্য ভক্ত, নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, আমার বড় ভাই কে আপনাকে এত ভালবাসে তা আমার জানা ছিল। আপনারা প্রমাণ করে দিলেন রংপুরের ছেলে রংপুরে থাকার দরকার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563283369045.jpg

এর আগে মঙ্গলবার(১৬ জুলাই) বিকেল ৩ টায় তার জানাজা পড়ান রংপুর জামে মসজিদের খতিব মাওনালা হাফেজ ইদ্রিস আলী। জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে মানুষের ঢল নামে।

রোববার (১৪ জুলাই) সকাল পৌনে ৮ টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এরশাদ। ৮৯ বছর বয়সী এরশাদ রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন।

২০২৫ সালে বিশ্বের অর্ধেক কাজেই উচ্চস্তর যোগ্যতা প্রয়োজন হবে

২০২৫ সালে বিশ্বের অর্ধেক কাজেই উচ্চস্তর যোগ্যতা প্রয়োজন হবে
রাষ্ট্রদূত রেনেসি তেরিংকের সঙ্গে ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপ পাওয়া শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বাংলাদেশেসহ বিশ্বব্যাপী দক্ষ কর্মী ও সামাজিকভাবে যুক্ত মানুষের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক কাজেই উচ্চস্তর যোগ্যতা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনেসি তেরিংক।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ঢাকায় ২০১৯-২০ সালের জন্য ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপ পাওয়া ৭৮ শিক্ষার্থীর এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রেনেসি তেরিংক বলেন, ‘বর্তমানে এখনো উচ্চস্তরের দক্ষতা লাভ করা মানুষের কাজের স্থান ফাঁকা রয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত কাজগুলো আরও বেশি বিস্তৃত এবং জটিল হয়ে উঠছে। উদ্যোক্তা হতে যে কারো স্বতঃস্ফূর্ত সৃজনশীল চিন্তা করা, কার্যকরভাবে যোগাযোগ করা এবং স্থিতিশীল হওয়ায় পূর্বের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতার প্রয়োজন পড়ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরাসমাস পাওয়া ব্যাক্তিরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জন করে তাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, পরিবর্তিত বিশ্বব্যাপী পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে, নতুন সুযোগ পেতে এবং তাদের প্রতিভা প্রকাশ করার সুযোগ পায়।’

বর্তমান বিশ্বে যে সকল বৃত্তিগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সম্মানজনক বলে বিবেচনা করা হয় তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে ‘ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপ'। প্রতিবছর ইউরোপিয়ান কমিশন হতে সারাবিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। এর অধীনে ইউরোপের প্রায় সবগুলো দেশে নিজের পছন্দের বিষয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ রয়েছে। এই স্কলারশিপ দেওয়ার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল শিক্ষাবৃত্তির পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে সংস্কৃতির আদান-প্রদান, পড়াশোনার পাশাপাশি ভাষা, মানুষ ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারা।

এছাড়া এই স্কলারশিপের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তির পরিমাণ। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশের শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি, ভ্রমণ ভাতা, স্বাস্থ্য বিমার পাশাপাশি বসবাসের জন্য মাসিক বৃত্তি পেয়ে থাকে। এই স্কলারশিপে ২০০ টিরও অধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে। এই শিক্ষাবৃত্তির অধীনে সকল কোর্সই আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় সাজানো। প্রতিটি মাস্টার্স কিংবা পিএইচডি প্রোগ্রামে থাকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চুক্তি, যার ফলে শিক্ষার্থীরা তার কোর্সের সময়কালে পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পায়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে নূন্যতম দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করতে হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র