শোভন-রাব্বানীতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী, কমিটি বাতিলের নির্দেশ!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
শোভন-রাব্বানী। ছবি: সংগৃহীত

শোভন-রাব্বানী। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের শোভন-রাব্বানীর নেতৃত্বাধীন কমিটির কর্মকাণ্ডে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির নামে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে। দলের সিনিয়র কেন্দ্রীয় নেতারাও শোভন-রাব্বানীর ওপর বিরাগভাজন। অবশেষে বিরক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কমিটি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভায় তিনি এ ইচ্ছা ব্যক্ত করেন বলে জানা গেছে।

বৈঠকে উপস্থিত সূত্র জানায়, বিভিন্ন মাধ্যমে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সাংগঠনিক অক্ষমতা, কমিটি গঠনে বিলম্ব করা, ঘুম থেকে দেরি করে ওঠা, দলীয় সব কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া, জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের অনুপ্রবেশ করানো, মাদক সেবনের মতো গুরুতর অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। সেসব নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের বর্তমান শীর্ষ নেতাদের ওপর তিনি ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়ে কমিটি ভেঙে দিতে বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমি ছাত্রলীগের এমন নেতা চাই না, যাদের বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ পর্যন্ত উঠেছে।’

সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের ওপর প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী গণভবনে শনিবার তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেও দেখা দেননি তিনি। উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা তখন দুজনকে গণভবন থেকে চলে যেতে বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সামনে পেয়ে সবার সামনেই ‘তিরস্কার’ করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চলে যাও এখান থেকে।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে সম্মেলনের এক বছরের মাথায় ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সংগঠনটির ভেতর থেকেই নানা সমালোচনা চলছিল। এরআগে ২০১৮ সালের ১২ ও ১৩ মে সম্মেলনে কমিটি করতে ব্যর্থ হয় ছাত্রলীগ।

আপনার মতামত লিখুন :