সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ অটোরিকশা

নাবিল চৌধুরী, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, সিলেট
অটোরিকশার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটে মহাসড়কে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অটোরিকশার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটে মহাসড়কে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের ম্যানেজ করে টোকেনের মাধ্যমে মহাসড়কে চলাচল করে এসব অটোরিকশা।

জানা গেছে, নির্বিঘ্নে মহাসড়কে চলতে অটোরিকশার চালকদের প্রতিমাসে গড়ে ৫০০-১০০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। এলাকাভেদে শ্রমিক নেতারা আদায় করেন এসব অর্থ।

সরেজমিনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অবাধে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চলছে এসব অটোরিকশা। আর পাশেই দুইজন যাত্রী বসা থাকে বলে চালকরা অটোরিকশা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।

সিলেট পরিবহন মালিক সমিতির দাবি, তিন চাকার ধীরগতির এই যানবাহনটি মহাসড়কে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। মহাসড়ক নিরাপদ করতে দ্রুত ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক সড়ক বা লেন থাকতে হবে। না হলে এগুলো চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। তাদের অভিযোগ, দেশের বেশিরভাগ মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলার চলাচল এখন খুবই কম কিন্তু আর্থিক লেনদেনের কারণে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। এসব অটোরিকশা হঠাৎ করে দূরপাল্লার বাসের সামনে চলে আসে। এতে দ্রুতগতির যান দুর্ঘটনার শিকার হয়। ধীরগতির যানগুলো দুর্বল হওয়ায় এর যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তা নেই। সামান্য ধাক্কা লাগলে আহত বা প্রাণহানি ঘটে।

সিলেট জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল কবির পলাশ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করে। শ্রমিক নেতারা এসব সিএনজি থেকে টোকেনের মাধ্যমে টাকা তোলে। টোকেন দেখালে মহাসড়কে এসব সিএনজি চলতে পারে।’

সিলেট জেলা অটোরিকশা সিএনজি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হুসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা প্রকাশ্যেই চলে। আমাদের সংগঠনের কোনো গাড়ি মহাসড়কে চলে না। যেসব সিএনজি মহাসড়কে চলাচল করে তারা প্রশাসনকে ৬০০-১০০০ টাকা চাঁদা দেয়।’

এ বিষয়ে জানতে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাইওয়ে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু হাইওয়ে পুলিশের অফিসের নাম্বারে ফোন করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন :