Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

হজে যাওয়ার ৮ লাখ টাকা ছিনতাই

হজে যাওয়ার ৮ লাখ টাকা ছিনতাই
কান্ট্রি ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর: পবিত্র হজ পালনে যাওয়ার জন্য ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার ৮ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে ছিনতাইকারী চক্র।

রোববার দুপুরে রংপুর মহানগরীর পায়রা চত্বরে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের গেটের সামনে ছিনতাইয়ের এ ঘটনা ঘটে।

নবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, নগরীর সাতগাড়া মাস্টার পাড়া এলাকার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মহসিন আলী ও স্ত্রী লাভলী বেগম হজে যাওয়ার জন্য আল-আরাফাহ ব্যাংকের ওই শাখা থেকে ৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে। পরে ব্যাংক থেকে বের হয়ে ব্যাগ মোটরসাইকেলে রাখে। এসময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছিনতাইকারী চক্রটি টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে মাটিতে বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু নোট পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ছিনতাইকারীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে টার্গেট নিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা কৌশল হিসেবে আগেই রাস্তায় টাকা ফেলে রেখেছিল। ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ছিনতাইয়ের শিকার মহসিন আলী জানান, আগামী ১৪ জুলাই তিনি তার স্ত্রীসহ হজ পালনে রওনা হবেন। হজে যাওয়া এবং পারিবারিক বিভিন্ন খরচাদি মেটানোর জন্য ব্যাংকে এসে ৮ লাখ টাকা তুলে নিচে নামতেই ছিনতাইকারীরা টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পাশেই এসপি অফিস এবং রংপুর মহানগরীর সবচেয়ে জনবহুল এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এ ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনা খুবই আশ্চর্যজনক। তিনি তাদের হজ যাত্রা নির্বিঘ্নে করতে ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার এবং টাকা উদ্ধারের দাবি জানান।

এদিকে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সূত্র জানায়, গত ২৭ মে ওই শাখার ভেতরে টাকা জমা দিতে এসে আরবি ট্রেডার্সের মালিক শফি মিয়ার ১ লাখ টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারী। ওই ছিনতাইকারীকে জমাদানকারী ব্যাংকের স্টাফ হিসেবেই জানতেন। ওই ঘটনায় টাকা চুরির ব্যাপারে মামলা করতে গেলেও কোনো মামলা নেয়নি পুলিশ।

এ বিষয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. ইব্রার বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজসহ আনুষঙ্গিক নানা বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও এ ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা একটি জিডি করেছিলাম।’

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের অবস্থা সংকটাপন্ন

এরশাদের অবস্থা সংকটাপন্ন
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারিরীক অবস্থা সংকটাপন্ন। 

বুধবার (২৬ জুন) সকাল নয়টায় তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।  

 

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

মাদক থেকে দূরে রাখতে নিজের ও প্রতিবেশীর সন্তানদের সবসময় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া।

বুধবার (২৬ জুন) খুলনায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। খুলনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্বাস্থ্যেই সুবিচার, মাদক মুক্তির অঙ্গীকার’।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, 'মাদকের ন্যায় নিকৃষ্ট বস্তুর প্রসার সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। মাদকের অপব্যবহার কেবল যুবকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নারী, পুরুষ ও বয়স নির্বিশেষে অনেকেই মাদকের গ্রাসে পতিত হচ্ছে। সন্তান মাদকাসক্ত হলে পরিবারের অর্থ-সম্পদ, সম্মান সব ধ্বংস হয়। এজন্য নিজের ও প্রতিবেশীর সন্তানদের সবসময় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।'

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'

তিনি আরও বলেন, 'মাদকাসক্ত সন্তান নেশার টাকা না পেলে মা-বাবাকেও আক্রমণ করে শারীরিক নির্যাতন করতে দ্বিধা করে না। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের পূর্বে চাকরিপ্রার্থী মাদকাসক্ত কিনা তা জানতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে কর্মরত সরকারি চাকুরীজীবীদেরও আগামীতে এ পরীক্ষার আওতায় আনা যেতে পারে। সমাজ ও পরিবারকে মাদকমুক্ত রাখতে অভিভাবকদের সচেতন করা জরুরি। মনে রাখতে হবে সন্তান বড় হলে দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। খুলনা বিভাগের চারটি জেলা নড়াইল, মাগুরা, বাগেরহাট ও খুলনাকে শতভাগ মাদকমুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।' মাদকের ন্যায় অভিশপ্ত বস্তুর সঙ্গে যুক্ত না হতে সবাইকে পরামর্শ দেন প্রধান অতিথি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির এবং মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবুর রহমান।

খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী এতে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত জানান খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান।

অনুষ্ঠান শেষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর আগে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে শহীদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র