Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সিলেটে যুবকের সর্বস্ব ছিনতাই 

সিলেটে যুবকের সর্বস্ব ছিনতাই 
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গোলাপগঞ্জের হেতিমগঞ্জে এক যুবককে ছুরিকাঘাত সর্বস্ব লুটে নিয়েছে ছিনতাইকারীরা। তার নাম মারজান (২০)। সে উপজেলার কিসমত মাইজভাগ গ্রামের মন্তুু মিয়ার ছেলে। বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ছিনতাইর ঘটনা ঘটে।

সহকর্মী ইমদাদ হোসেন জানান, মারজান সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসেরকর্মী।বিভিন্ন ব্যাংকের ডকুম্যানট নগদ কিছু টাকা নিয়ে গোলাপগঞ্জস্থ অফিসে ফিরছিলেন মারজান। ছিনতাইকারীরা হেতিমগন্জস্হ কায়স্হগ্রাম নয়া মসজিদের কাছে ছুরিকাঘাত করে ফেলে যায়। পরে কায়স্হগ্রাম নয়া মসজিদের মুসল্লীারা দেখে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

গোলাপগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হহক শিবলী জানান, খবর পেয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, ছবি: বার্তা২৪.কম

মাদক থেকে দূরে রাখতে নিজের ও প্রতিবেশীর সন্তানদের সবসময় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া।

বুধবার (২৬ জুন) খুলনায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। খুলনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্বাস্থ্যেই সুবিচার, মাদক মুক্তির অঙ্গীকার’।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, 'মাদকের ন্যায় নিকৃষ্ট বস্তুর প্রসার সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। মাদকের অপব্যবহার কেবল যুবকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নারী, পুরুষ ও বয়স নির্বিশেষে অনেকেই মাদকের গ্রাসে পতিত হচ্ছে। সন্তান মাদকাসক্ত হলে পরিবারের অর্থ-সম্পদ, সম্মান সব ধ্বংস হয়। এজন্য নিজের ও প্রতিবেশীর সন্তানদের সবসময় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।'

'সন্তানদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে'

তিনি আরও বলেন, 'মাদকাসক্ত সন্তান নেশার টাকা না পেলে মা-বাবাকেও আক্রমণ করে শারীরিক নির্যাতন করতে দ্বিধা করে না। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের পূর্বে চাকরিপ্রার্থী মাদকাসক্ত কিনা তা জানতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে কর্মরত সরকারি চাকুরীজীবীদেরও আগামীতে এ পরীক্ষার আওতায় আনা যেতে পারে। সমাজ ও পরিবারকে মাদকমুক্ত রাখতে অভিভাবকদের সচেতন করা জরুরি। মনে রাখতে হবে সন্তান বড় হলে দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। খুলনা বিভাগের চারটি জেলা নড়াইল, মাগুরা, বাগেরহাট ও খুলনাকে শতভাগ মাদকমুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।' মাদকের ন্যায় অভিশপ্ত বস্তুর সঙ্গে যুক্ত না হতে সবাইকে পরামর্শ দেন প্রধান অতিথি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির এবং মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবুর রহমান।

খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী এতে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত জানান খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান।

অনুষ্ঠান শেষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর আগে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে শহীদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

‘মাদক-সন্ত্রাস রুখতে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে’

‘মাদক-সন্ত্রাস রুখতে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে’
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসের উদ্বোধন করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, ছবি: বার্তা২৪

সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি এবং সচেতন জনগণই মাদক সন্ত্রাস রুখবে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কেএম তারিকুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে মাদক ব্যবসায়ী ও চালানকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতিতে অনড়। জনগণও দিন দিন মাদকের ব্যাপারে সচেতন হচ্ছে। তবে মাদক-সন্ত্রাস রুখতে জনসচেতনতা আরও বাড়াতে হবে।’

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে রংপুর টাউন হলে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সুস্বাস্থ্যেই সুবিচার, মাদক মুক্তির অঙ্গীকার’ এই প্রতিপাদ্যে রংপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর মাদক বিরোধী আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদক প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রম সকলকে জানাতে হবে। জনগণ সচেতন হলে মাদক ব্যবসায়ীদের সমাজে স্থান হবে না। আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যতের এখন বড় বাধা মাদক। এটা সন্ত্রাসে রুপ নিয়েছে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে এই সন্ত্রাস রুখতে হবে। এজন্য মাদক বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জনসচেতনা বাড়াতে হবে।’

 https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561539952027.jpg

রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রংপুর ররেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ, রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানম, পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আবু মারুফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ, মহানগরের সভাপতি সাফিউর রহমান সফি।

স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাসুদ হোসেন। আলোচনা শেষে প্রবন্ধ লেখা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা।

এদিকে, সকালে রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে মাদকবিরোধী একটি বর্ণিল শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের রিকোভারি, সমাজকর্মী, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের সদস্যরাসহ বেসরকারি সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র