Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শতভাগ বাস্তবায়ন চাই: দোলন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শতভাগ বাস্তবায়ন চাই: দোলন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর: বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শতভাগ বাস্তবায়ন করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহসভাপতি এবং ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুর রহমান দোলন।

তিনি বলেন, ‘ঘাতকেরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছে, কিন্তু তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। তার সম্ভাবনাকে ধ্বংস করতে পারেনি। জাতির জনকের দুই কন্যা তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।’

শনিবার (১১ আগস্ট) সকালে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভা, রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ, চিত্রকলা প্রদর্শনী ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দোলন।

কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দোলন বলেন, ‘ঘাতকেরা মনে করেছিল জাতির জনককে হত্যার মাধ্যমে একটি বিশ্বাসকে, একটি সম্ভাবনাকে তারা ধ্বংস করবে, হত্যা করবে। কিন্তু চেতনার মৃত্যু হয় না, বিশ্বাসের মৃত্যু হয় না, সম্ভাবনার মৃত্যু হয় না। এটি হয়তো শারীরিক হত্যা হয়েছে, কিন্তু তার চেতনার, তার আদর্শের মৃত্যু হয়নি। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তিলে তিলে কষ্ট করে আওয়ামী লীগেকে এমন একটি সংগঠনে পরিণত করেছেন যে সংগঠন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Aug/11/1533995103465.jpg

ফরিদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের এই মনোনয়ন প্রত্যাশী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হলো, টিআর-কাবিখা মেরে না খাওয়া। জনগণের হক জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই জায়গাতে হয়তো এখনো ঘাটতি আছে।’

বক্তব্যে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শতভাগ বাস্তবায়নে কাজ করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এবং নিজেও এ লক্ষ্যে কাজ করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দীন আহমেদ, ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা কৃষক লীগের সদস্য সচির শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খান বেলায়েত হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু হোসেন তালুকদার, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা শেখ শওকত আহমেদ, আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, টগরবন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, গোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইনামুল হাসান, কলেজের উপাধ্যক্ষ কামাল আতাউর রহমান, কলেজের সহ-অধ্যাপক রবিউল হক মিয়া প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান ইকু, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিন্টু, বোয়ালমারী উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক সৈয়দ আব্দুর রহমান বাশার, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মৃধা লিটন, আলফাডাঙ্গা পৌর কৃষক লীগের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাজিব, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র