Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কুপিয়ে জখম

নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কুপিয়ে জখম
আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাসেল আহমেদ / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়ায় একটি ফ্ল্যাট বাসায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাসেল আহমেদকে (৩০) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আমলাপাড়ার কে সাহা বাইলেন সড়কের নিজাম উদ্দিনের বাড়ির তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্বজনেরা আহত রাসেলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

জানা গছে, আহত রাসেল আহমেদ ফতুল্লার বিসিকের মার্টিন গার্মেন্ট এলাকার গুল মুহাম্মদের ছেলে। সম্প্রতি রাজধানীতে একটি মিছিলে যাওয়ার সময় ফতুল্লা থানা পুলিশ রাসেলসহ ৪৯ জনকে গ্রেফতার করেছিল। প্রায় এক মাস রাসেল কারাভোগও করেন। তিনি মূলত জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি মাহাবুবুর রহমানের অনুগামী।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

জরুরী বিভাগের ডাক্তারের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, আহতের মাথায়, ঘাড়ে ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক আঘাত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ভবনের বাসিন্দারা জানান, স্বামী ও স্ত্রী পরিচয়ে বিগত কয়েক মাস আগেই বাসা ভাড়া নেন রাসেল। ভাড়া নেওয়ার পর থেকেই তাদের দিনের বেলায় দেখা যেত না। প্রায় সময় বিকেলে বাসায় আসতেন আবার রাত ১২টার দিকে বের হয়ে যেতেন। জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় স্বামী স্ত্রী দুইজন চাকরিজীবী তাই তারা রাতে বাসায় ফিরেন আর সকালে চলে যান।

রাসেলের বাবা গুল মোহাম্মদ বলেন, ‘কি কারণে কারা মিলে রাসেলকে মারধর করেছে সেটা এখনো নিশ্চিত না।’

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে পরকীয়ার জের ধরে ওই যুবককে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াাখালীর সেনবাগে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার পশ্চিমপাড়ার ও দিঘিরপাড়ার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফয়েজ, মামুন, ফিরোজসহ পাঁচজনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির জের ধরে ছাতারপাইয়া পশ্চিমপাড়ার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দিঘিরপাড়ার ফয়েজ নামে এক ছেলেকে মারধর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র