Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রভাষক কাবেরী হত্যা: রায় কার্যকর চায় স্বজনরা

প্রভাষক কাবেরী হত্যা: রায় কার্যকর চায় স্বজনরা
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাজবাড়ী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাস হত্যা মামলার আসামি গুলশানের ব্রোকারেজ হাউজ হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম পলাশের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদনূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী নিহতের ভাসুর অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সুধাংশু শেখর বিশ্বাস। একই সাথে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরাও।

রায় ঘোষণার পর মোবাইলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মামলার বাদী সুধাংশু শেখর বিশ্বাস বার্তা২৪কে বলেন, ‘আদালত আজ (৩ জানুয়ারি) যে রায় ঘোষণা করেছে তাতে আমরা সবাই আনন্দিত। তবে মামলার আসামি গুলশানের ব্রোকারেজ হাউস হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম পলাশ উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে। এখন আমাদের চাওয়া যত দ্রুত সম্ভব জহিরুল ইসলাম পলাশকে গ্রেপ্তার করে মামলার রায় কার্যকর করা হোক।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেদিন এ রায় কার্যকর করা হবে সেদিনই আমরা সবচেয়ে বেশি খুশি হব। এখন শুধু আমরা অপেক্ষায় আছি কবে খুনিকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। সেই দিনের অপেক্ষায় থাকলাম আমরা।’

২০১৫ সালের ৩০ মার্চ রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ৩/১২ নম্বর বাসায় খুন হন কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাস (৩৫)। ঐ ঘটনায় নিহতের স্বামী শীতাংশু ও দুই মেয়ে শ্রুতি বিশ্বাস (১৫) ও অদ্রি বিশ্বাস (৯) গুরুতর আহত হন। শীতাংশু ঐ সময় বিআরটিএ’র প্রকৌশল বিভাগের উপ-পরিচালক ছিলেন।

মামলায় জমা দেওয়া চার্জশিট থেকে জানা যায়, শীতাংশুর জন্মদিন উপলক্ষে কেক ও মিষ্টি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করেন পূর্বপরিচিত জহিরুল ইসলাম পলাশ। পরে হাতুড়ি দিয়ে শীতাংশুকে আঘাত করার পর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার চিৎকারে স্ত্রী কৃষ্ণা এগিয়ে এলে তাকেও হাতুড়িপেটা করে পরে গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যান ঘাতক পলাশ। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কৃষ্ণার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সুধাংশু শেখর বিশ্বাস মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৬ সালের ৩০ মে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ দুর্নীতির একের পর এক সংবাদে দেশবাসী যখন উৎকণ্ঠিত তখন বিকাশের ভুল নম্বর থেকে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের শিরফল মিয়া (৪০)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মালিকের হাতে টাকাগুলো তুলে দেন শিরফল মিয়া। শিরফল মিয়া উপজেলা সদরের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া গ্রামের ফকির চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাতে শিরফল মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা আসে। কিন্তু এতো টাকা কিভাবে আসল তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। ভয়ে কারও সঙ্গে বিষয়টি আলাপও করেননি। পরদিন (১২ জুলাই) তার নম্বরে পটুয়াখালি থেকে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সাথে বানিয়াচং ঘুরে যাওয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার টাকা ফেরত নিতে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে বানিয়াচং আসেন আল আমিন (২৯)। পরে বিকেলে শিরফল মিয়া তার ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এসময় টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে শিরফল মিয়াকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শিব্বির আহমদ আরজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ সাগর আহমদ ও রেজাউল করিম।

এ টাকা ফেরত পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আল আমিন মিয়া। তিনি বলেন- ‘যখন জানতে পারি ৩০ হাজার টাকা বিকাশের ভুল নম্বরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং গিয়েছে তখন ফেরত পাব বলে বিশ্বাস ছিলো। কারণ এখানকার মানুষ অনেক সৎ ও ভালো হিসেবে জানি। সে বিশ্বাসের প্রতিফলন আজ পেয়েছি।’

এ ব্যাপারে শিরফল মিয়া বলেন- ‘ভুল করে টাকা আসতেই পারে। তাই বলে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করব এমন শিক্ষা পেয়ে আমি বড় হইনি।’
শিরফল মিয়া বিদেশ ফেরত এক যুবক। তিনি প্রবাস থেকে অর্থ-কড়ি খুইয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রায় ৫ বছর। পেশা হিসেবে টাইলস মিস্ত্রি। কিন্তু ৫ সদস্যের সংসারে অর্থের টানাপোড়েন লেগেই আছে। এমতাবস্থা থেকেও শিরফল মিয়া সেই টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি। এতে তিনি টাকা ফেরত দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় জাহাঙ্গীর মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর রিকশা চালক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের কাছে রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রিকশা চালক আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা চালিয়ে আউশকান্দি বাজারে আসছিল জাহাঙ্গীর। এ সময় মুনিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছা মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক জাহাঙ্গীরের রিকশাকে চাপা দেয়। এতে রিকশাটি দুমড়ে মুছড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

মহাসড়কের প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ হাইওয়ে থানায় রয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র