Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

টাঙ্গাইলে যুবকের লাশ উদ্ধার, অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

টাঙ্গাইলে যুবকের লাশ উদ্ধার, অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে
নিহতের বাড়িতে স্বজনদের ভিড়, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
টাঙ্গাইল
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে দেলদুয়ার উপজেলা নুরনবি (২৫) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিহতের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। নিহত নুরনবি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে বাসিন্দা। সে ওই গ্রামের জুব্বার শিকদারের ছেলে।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/05/1546691035826.gif

নিহতের মা লাইলি বেগম জানান, গত মাসে সদর উপজেলার কাতুলি গ্রামের সোরহাবের মেয়ে কল্পনার (২২) সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আমাদের ও আমার ছেলের সঙ্গে কল্পনা খুব একটা কথা বলে না। ঘটনার দিন রাতে ঘরে গিয়ে দেখি নুরনবি শুয়ে আছে। পাশে কল্পনা দাঁড়িয়ে আছে। মেঝেতে ফাঁস লাগানো দড়ি পড়ে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জিয়ারত মিয়া জানান, আমি রাতে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ নুরনবির ঘরে কেউ ছটফট করছে এমন শব্দ শুনতে পাই। বিষয়টি সন্দেহজনক হলে আমি তার ঘরের মেঝের ফাঁক দিয়ে দেখতে পাই নুরনবিকে তার স্ত্রী খাটের নিচ থেকে তুলে খাটে ওঠাচ্ছে। পরে আমি প্রতিবেশী দারোগা আলী ও নুরনবির পরিবারকে অবহিত করি। এবং তার পরিবারকে বিষয়টি জানালে তার মা ঘরে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। নিহতের গলায় ফাঁস লাগানোর চিহ্ন পাওয়া গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/05/1546691059955.gif

স্থানীয়দের অভিযোগ, নুরনবিকে ঘুমন্ত অবস্থায় তার স্ত্রী কল্পনা গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেছে। নুরনবি ভ্যান চালাত। বিয়ের অল্প কয়দিনেই সে আত্মহত্যা করবে আমরা বিশ্বাস করি না। এছাড়া নুরনবি আত্মহত্যা করলে তার স্ত্রী অবশ্যই টের পেত।

দেলদুয়ার থানার (ওসি) সাইদুল হক ভূঁইয়া জানান, পুলিশ খবর পেয়ে শনিবার নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আবারো ধরলা-তিস্তার পানি বেড়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আবারো ধরলা-তিস্তার পানি বেড়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুড়িগ্রামে কয়েকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আবারো ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ দুই নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563872473762.jpg

অপরদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে এখনো বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করলেও বাড়ি ফিরতে পারছে না বানভাসিরা। কারণ তাদের ঘর-বাড়ি থেকে এখনো পানি নেমে যায়নি। এখনো তলিয়ে আছে চিলমারী উপজেলা শহরের বিভিন্ন অফিস, ঘরবাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563872491385.jpg

গত দুই সপ্তাহের বন্যায় মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুর খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত নানা রোগ-ব্যাধি।

এদিকে সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে চিলমারী ও উলিপুর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন দলটির যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মা. জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে কামরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়িয়া গ্রামের আবুল হোসেন ডিলারের ছেলে।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আনোয়ার পারভেজ লিমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯৮ সালে কামরুল ইসলামের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার দিয়ারধানগড়া মহল্লার আব্দুল আজিজের মেয়ে মুন্নী
খাতুনের (৩২) বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দুই লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে আব্দুল আজিজ আরো যৌতুকের জন্য মুন্নীকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ১২ জুলাই তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা এনে দিতে রাজি না হওয়ায় ওই দিন মুন্নীকে মারপিট করে গলা টিপে হত্যা করেন কামরুল। এ ঘটনায় মুন্নীর বড় বোন পারুল বেগম বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এ রায় দেন আদালত।

মামলার বাদী পারুল এ রায়ের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসামির দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র