Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

গাজীপুরে ২ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ

গাজীপুরে ২ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ
গাজীপুরে ২ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামে একটি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ভেতর কারখানার মালামাল পরিবহনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। গুলিতে আহতরা হলেন উপজেলার মাওনা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে ফরহাদ হোসেন (২৪) ও তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলি গ্রামের তাঁরা মিয়ার ছেলে রাজন খান (২৬)। তারা উভয়েই স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য।

খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আকলিমা ফুডের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম জানান, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য হক ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে আসছেন।

গতকাল (৪ জানুয়ারি) রাজন খান নামের এক নেতা একটি পরিচয় সংবলিত কার্ড দিয়ে তার পরিবহনের মাধ্যমে মালামাল পরিবহনের জন্য বলে যান। অন্যথায় মালামাল পরিবহন বন্ধ করার কথা বলেন।

শনিবার দুপুরে কারখানায় মালামাল নিয়ে গাড়ি ঢুকলে ফরহাদ ও রাজন ফটকের সামনে এসে বাধা দেন। এ সময় কারখানার ফটক বন্ধ করে দিলে ফটকের সামনে গুলির শব্দ হয়। তবে কারা গুলি করেছে এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানান আবুল কালাম।

শ্রীপুরের আলহেরা হাসপাতালের ব্যবস্থাপক হাসান জানান, রাজন ও ফরহাদকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, তাদের পায়ে আঘাত ছিল। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় আহতদের স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজিব কুমার সাহা জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। তবে প্রকৃত ঘটনা এখনও জানা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

লঞ্চে সিট বাণিজ্য, গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ টাকা

লঞ্চে সিট বাণিজ্য, গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ টাকা
লঞ্চে ঢাকাগামী মানুষের দুর্ভোগ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকাগামী মানুষ কর্মস্থানে ফিরে যেতে শুরু করেছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বরগুনার লঞ্চে শুরু হয়েছে সিট বাণিজ্য, যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ টাকা। লঞ্চের একটি সিন্ডিকেট চক্র এ কাজ করছে বলে জানা যায়।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২টায় বরগুনা লঞ্চ টার্মিনালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডেকের ভাড়া নির্ধারিত হল ৪০০ টাকা কিন্তু সেই ডেকেই লঞ্চের একটি সিন্ডিকেট তাদের নিজস্ব বিছানার চাদর দিয়ে সাধারণ যাত্রীদের থেকে নিচ্ছে দ্বিগুণ টাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566040981376.jpg

 

এখানে চারটি লঞ্চ টার্মিনালে আছে। সব লঞ্চগুলোতেই বিছানার চাদর দিয়ে সিট বুক করা। সাধারণ যাত্রীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, সকালে এসে দেখি এগুলো দিয়ে সিট দখল করা দুপুর গড়িয়ে গেলেও পাওয়া যায়নি এর যাত্রী। এদিকে কেবিনের পাশেও দেখা যায় কেবিনবয় এর নির্ধারিত তোষক ও বিছানার চাদর।

কেবিনবয় লেখা টি-শার্ট পরা এক যুবকে কেবিনের পাশে একটি বিছানার চাদর দিয়ে সিট দখল করতে দেখা যায়। তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে আমি নিজের ঘুমানোর জন্য এ সিট রেখেছি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566040998728.jpg

 

বরগুনা লঞ্চ টার্মিনালের সুন্দরবন-২, এমভি সপ্তবর্ণা-৯, বোগদাদীয়া-১২, প্রিন্স-অব-রাসেল প্রতিটি লঞ্চেই একই চিত্র দেখা যায়।

সকাল হতেই জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বরগুনা লঞ্চ টার্মিনালে আসেন ঢাকামুখী মানুষ। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে পৌঁছাতে ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে এসব যাত্রীদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566041021460.jpg

 

সাধারণ যাত্রীরা অভিযোগ করেন লঞ্চের একটি সিন্ডিকেট তার তাদের বিছানার চাদর দিয়ে সিট বুক করে রাখেন, সেগুলো আমাদের যা নির্ধারিত ভাড়া তার চেয়ে দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনে ঢাকা যেতে হয়। একদিকে যেমন কষ্ট করে ঈদে বাড়িতে আসছি তেমনি দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে যেতে হয়। সিট দখল করে যদি নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০০ টাকা বেশি নিলে হতো কিন্তু নেওয়া হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566041035737.jpg

 

আবুল হোসেন, রাজু, ফেরদাউসসহ একাধিক যাত্রী বলেন, সেই সকাল ৮টায় লঞ্চে এসে একটু বসার জায়গা পেয়েছি। যদিও সবখানে বিছানার চাদর দিয়ে জায়গা দখল করে রাখা হয়েছে। এই দখল করা সিট কার কেউ জানে না।

বরগুনা নৌবন্দরের কর্মকর্তা মো. মামুন অর রশিদ এ বিষয়ে বলেন এমন কোনও অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন,

নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাড়ছে লঞ্চ

ঢাকায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলো ফিরছে বিলম্বে

আজও ঢাকায় ফিরছে মানুষ, ভোগান্তি ট্রেনে

ঈদের রাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামির জবানবন্দি

ঈদের রাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামির জবানবন্দি
আটক হওয়া আসামি মানিক, ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ফিল্মি কায়দায় বন্ধুকে তাড়িয়ে আরেক বন্ধু রাকিবকে (২০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূলহোতা মানিক ওরফে গিয়ার মানিককে (২৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মানিক গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যার দায় স্বীকার ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) ফতুল্লার পাগলা তালতলা এলাকা হতে মানিককে গ্রেফতার করা হয়। ঐদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহম্মেদের আদালতে সে হত্যার জবানবন্দি দেয়।

গ্রেফতারকৃত মানিক চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার শাহাপুর রামদাসের বাগ এলাকার আবুল কালামের ছেলে। সে পাগলা কুসুমবাগ রেজাউল করিমের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করে।

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মঈনুল হক জানান, নিহত রাকিবের সঙ্গে মানিকের পূর্বে বিরোধ ছিল। তাকে হত্যার জন্য পরিকল্পিতভাবে মানিকসহ আরও ৪ থেকে ৫ জন মিলে রাস্তায় অবস্থান করে। রাতে রাকিবসহ তার বন্ধু আব্দুল্লাহ পাগলা হতে রিকশা যোগে বাড়িতে ফেরার জন্য রওনা দেয়। মাঝে রাকিবদের রিকশা গতিরোধ করে ধারালো ছোড়া দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে রাকিবকে কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। রাকিবকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল ৫ থেকে ৬ জন।

তিনি আরও জানান, রাকিব হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা নওশাদ বেপারী বাদী হয়ে গিয়ার মানিককে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। এ মামলার প্রধান আসামি গিয়ার মানিককে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মানিক হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। আর হত্যাকাণ্ডে আরও যারা জড়িত রয়েছে খুব শিগগিরি তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।

প্রসঙ্গত, ঈদের আগের দিন রোববার গভীর রাতে ফতুল্লার পাগলা এলাকায় ফিল্মি স্টাইলে এক বন্ধুকে তাড়িয়ে আরেক বন্ধু রাকিবকে (২০) কুপিয়ে হত্যা করে মানিকসহ তার বন্ধুরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র