Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভবন আছে, ছাত্রও আছে, নেই শিক্ষক!

ভবন আছে, ছাত্রও আছে, নেই শিক্ষক!
ছবি: বার্তা২৪
অভিজিৎ ঘোষ
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
টাঙ্গাইল
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

ভবন আছে, ছাত্রও আছে কিন্তু শিক্ষকের অভাবে তালা ঝুলছে স্কুলগুলোতে। এ অবস্থা বাসাইল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্মিত ১৫ টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

স্কুল সবসময় বন্ধ থাকে বিধায় প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নাকি স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে, বিদ্যালয়গুলো বছরের পর বছর এভাবে পড়ে থাকলেও সচল করার কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা শিক্ষা অফিস জানায়, ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে নির্মিত এসব বিদ্যালয়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্কুল চালু করার সময় স্থানীয়দের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার বিধান ছিল। সেই অনুসারে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।  তখন উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বিধি মোতাবেক যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক পাওয়া যায়নি। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বেতন কম থাকায় তারা শিক্ষকতা বাদ দিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন। ধীরে ধীরে শিক্ষক শূন্যতায় বন্ধ হয়ে যায় স্কুলগুলো।

যে সব এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি বিদ্যালয় নেই সেই সব এলাকায় সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে বেগবান করার জন্য প্রায় দুই যুগ আগে এসমস্ত কমিউনিটি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাসাইলের বিভিন্ন স্থানে ৩৬ টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে ২১ টি বিদ্যালয় বিভিন্ন ধাপে সরকারি বিদ্যালয় হলেও আলোর মুখ দেখেনি বাকী ১৫টি বিদ্যালয়।

বাসাইল উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকলিমা চৌধুরী বলেন, এগুলোর খোঁজ খবর নিয়েছি আমরা। এগুলো চালু করার আপাতত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে যদি পরবর্তী কোনো নির্দেশনা পাই তাহলে সে অনুপাতে কাজ করা হবে।

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলাম জানান, ১৯৯৮ সনে তৎকালীন সরকার বাসাইলের বিভিন্ন স্থানে কমিউনিটি বিদ্যালয় স্থাপন করে সেখান থেকে যেসব বিদ্যালয় বন্ধ আছে সেসব বিদ্যালয় পর্যায়ক্রমে চালু করার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার
ঘরের সামনে বাঁশ দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বসতবাড়ির প্রবেশ পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২ দিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের চরপাড়ার সদের আলীর ছেলে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তার দুই ভাই ইদ্রিস আলী ও আবু বক্করের ৩ পরিবারের ১৭ জন সদস্য।

ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, ‘একই গ্রামের আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তানরা প্রভাব খাটিয়ে ঘরের প্রবেশ পথে বাঁশবেড়া দিয়ে রাখায় পরিবারের কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। বাচ্চারা স্কুলেও যেতে পারছে না। বিষয়টি সমাধান চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

সরেজমিনে রোববার (২৫ আগস্ট) উপজেলার দেবীপুর গ্রামের চরপাড়া গিয়ে দেখা যায়, বসতবাড়ির পথে বাঁশের বেড়া ও কাটা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তিনটি পরিবারকে। খোঁজখবর নিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উভয়পক্ষের মাঝে বাড়ির জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এমন কী জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। তবে প্রভাব দেখিয়ে গ্রামের প্রধান বা কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে পরিবারগুলোকে।

বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধের কারণ জানতে চাইলে আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তান মকুল হোসেন বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি বেড়া দিয়েছি। যা লেখার লেখেন। আমাদের অনেক বড় নেতা আছে। কিছুই করতে পারবেন না।’

তবে নওগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু বলেন, ‘তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা অমানবিক ও বেআইনি। ইউএনও স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি।’

তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মানিক (২৪) নামে এক দোকান কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ভোলা সদর রোডে অবস্থিত সফিউদ্দিন মালিকানাধীন জাপান গ্লাস হাউজে এ ঘটনা ঘটে।

মানিক ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের মো. রতনের ছেলে।

জানা গেছে, দুপুরের দিকে দোকানের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত গোডাউন থেকে এস এস পাইপ নামাচ্ছিলেন মানিক। তখন অসাবধানতা বশত একটি পাইপ পাশে বিদ্যুতের তারে গিয়ে লাগে। এতে মানিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র