ভবন আছে, ছাত্রও আছে, নেই শিক্ষক!

ছবি: বার্তা২৪

অভিজিৎ ঘোষ, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, টাঙ্গাইল, বার্তা২৪

ভবন আছে, ছাত্রও আছে কিন্তু শিক্ষকের অভাবে তালা ঝুলছে স্কুলগুলোতে। এ অবস্থা বাসাইল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্মিত ১৫ টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

স্কুল সবসময় বন্ধ থাকে বিধায় প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নাকি স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে, বিদ্যালয়গুলো বছরের পর বছর এভাবে পড়ে থাকলেও সচল করার কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা শিক্ষা অফিস জানায়, ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে নির্মিত এসব বিদ্যালয়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্কুল চালু করার সময় স্থানীয়দের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার বিধান ছিল। সেই অনুসারে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।  তখন উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় বিধি মোতাবেক যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক পাওয়া যায়নি। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বেতন কম থাকায় তারা শিক্ষকতা বাদ দিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন। ধীরে ধীরে শিক্ষক শূন্যতায় বন্ধ হয়ে যায় স্কুলগুলো।

যে সব এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি বিদ্যালয় নেই সেই সব এলাকায় সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে বেগবান করার জন্য প্রায় দুই যুগ আগে এসমস্ত কমিউনিটি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাসাইলের বিভিন্ন স্থানে ৩৬ টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে ২১ টি বিদ্যালয় বিভিন্ন ধাপে সরকারি বিদ্যালয় হলেও আলোর মুখ দেখেনি বাকী ১৫টি বিদ্যালয়।

বাসাইল উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকলিমা চৌধুরী বলেন, এগুলোর খোঁজ খবর নিয়েছি আমরা। এগুলো চালু করার আপাতত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে যদি পরবর্তী কোনো নির্দেশনা পাই তাহলে সে অনুপাতে কাজ করা হবে।

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলাম জানান, ১৯৯৮ সনে তৎকালীন সরকার বাসাইলের বিভিন্ন স্থানে কমিউনিটি বিদ্যালয় স্থাপন করে সেখান থেকে যেসব বিদ্যালয় বন্ধ আছে সেসব বিদ্যালয় পর্যায়ক্রমে চালু করার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা এর আরও খবর