Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ আফতাবের

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ আফতাবের
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মো: আফতাব হোসেন, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বরিশাল
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শ্রমিকদের টানা আন্দোলনের মুখে অবশেষে সভাপতির পদ থেকে সড়ে দাঁড়ালেন বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মো: আফতাব হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে নিজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এতে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সহ-সভাপতি ইউনুস আলীকে খানকে সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। 

বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন (বাস-মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস) শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মো: আফতাব হোসেন পদত্যাগে শ্রমিকরা খুশি হয়েছেন। তাদের দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের দাবী পূরণ হয়েছে। এখন মালিক সমিতি ভালো লোক দেখে যাকে সভাপতি বানাবে আমরা শ্রমিক সংগঠন তাকেই মেনে নিবো।

এর আগে গত বুধবার (২ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় প্রভাতি পরিবহনের চালক আলমগীর হোসেনকে মারধর করে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি আফতাব হোসেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের নির্যাতন করা এবং বাস টার্মিনালে ব্যাপক চাঁদাবাজিরও অভিযোগ রয়েছে। আর ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শ্রমিকরা দফায় দফায় আন্দোলন করে পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলো।

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে কামরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়িয়া গ্রামের আবুল হোসেন ডিলারের ছেলে।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আনোয়ার পারভেজ লিমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯৮ সালে কামরুল ইসলামের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার দিয়ারধানগড়া মহল্লার আব্দুল আজিজের মেয়ে মুন্নী
খাতুনের (৩২) বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দুই লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে আব্দুল আজিজ আরো যৌতুকের জন্য মুন্নীকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ১২ জুলাই তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা এনে দিতে রাজি না হওয়ায় ওই দিন মুন্নীকে মারপিট করে গলা টিপে হত্যা করেন কামরুল। এ ঘটনায় মুন্নীর বড় বোন পারুল বেগম বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এ রায় দেন আদালত।

মামলার বাদী পারুল এ রায়ের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসামির দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি জানান।

বেনাপোলে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬০২৮ কোটি টাকা

বেনাপোলে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬০২৮ কোটি টাকা
বেনাপোল কাস্টম হাউজ/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের সর্বববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি পণ্যের উপর ছয় হাজার ২৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এত বড় অংকের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব জানালেও ব্যবসায়ীরা বলছেন অনশ্চিয়তার কথা।

এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এখানে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে চার হাজার ৪০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল এক হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট, এক্সপোর্ট সাব কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, এ পথে বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে ভারত-বাংলাদেশ সরকার উভয় আন্তরিক। ইতোমধ্যে তার ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান চার দেশের বাণিজ্য চুক্তিও বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানির ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সমস্যায় ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় সুফল পাচ্ছেন না। অবকাঠামোর উন্নয়ন না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নাও হতে পারে।’

বেনাপোল সিআ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘বন্দরের ধারণ ক্ষমতা ৩৮ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু এখানে সবসময় পণ্য থাকে প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। জায়গার অভাবে খোলা আকাশের নিচে রোদ, বৃষ্টি, কাদায় পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হয়। অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে বর্তমানে যে রাজস্ব আদায় হয়, তখন তার দ্বিগুণ হবে।’

বেনাপোল বন্দরের আমদানিকারক উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, ‘বন্দরে পরীক্ষাগার না থাকায় পণ্যের নমুনা পরীক্ষণের জন্য ঢাকাতে পাঠাতে হয়। রিপোর্ট হাতে পেতে ১৫ থেকে ২০ দিন, কখনো মাসের অধিক সময় লেগে যায়। এতে আমদানি পণ্য বন্দরে আটকে থেকে যেমন লোকসান গুনতে হয়, তেমনি পণ্যের মান নষ্ট হয়।’

বেনাপোল বন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) প্রদোষ কান্তি দাস বলেন, ‘পূর্বের চেয়ে বন্দরে নিরাপত্তা বেড়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নের বেশ কিছু কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বন্দরের জায়গা বাড়াতে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র