Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

নবীগঞ্জে বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

নবীগঞ্জে বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
হবিগঞ্জ
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার খাগাউড়া গ্রামে বিষপানে কানু রায় (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। কানু রায় ওই গ্রামের মৃত অবিরন রায়ের ছেলে।

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৮ডিসেম্বর) দুপুরে হঠাৎ বিষপান করে ছটফট করতে থাকেন। বিষয়টি আচঁ করতে পেরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। এ খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ হাসপাতালে এসে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।

তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন তা জানেন না বলে বলে দাবি নিহত কানু রায়ের পরিবারের সদস্যদের।

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, বিষপানের পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে দেড়ি হওয়ায় তার অবস্থা গুরুত্বও হয়ে যায়। তাই তাকে বাচাঁনো সম্ভব হয়নি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মুত্যু

খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মুত্যু
সাদিয়া (৮)

চাটখিল পৌরসভার ভীমপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে সাদিয়া (৮) নামে এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সাদিয়া একই উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের সাধুরখিল গ্রামের স্থানীয় ব্যবসায়ী শামছুল আলম শামীমের সন্তান।

সাদিয়ার স্বজনরা জানান, সে নানার বাড়িতে খেলার সময় সবার অজান্তে  বাড়ির পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিকেলে সাধুরখিলে তার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।  এর আগে রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। সাদিয়ার মৃত্যুতে তার নানা ও দাদা উভয়ের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল
রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বকভাবে প্রত্যাবাসন করা হবে-এমন গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। এসব গুজব ও অপপ্রচার রোধে  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সর্তক থাকতে।  

রোববার (১৮ আগস্ট) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া শালবন, লেদা ও নয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি ক্যাম্পের সিআইসি সঙ্গে রোহিঙ্গাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ক্যাম্পের চেয়ারম্যান, টিম লিডার, হেড মাঝি, বল্ক মাঝি ছাড়াও মাস্টার, ইমাম ও মুরব্বিসহ এনজিও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:মিয়ানমারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত রোহিঙ্গারা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!

সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া এলাকার শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

টেকনাফের নয়াপাড়া ও শালবন (২৬-২৭) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের  ইনচার্জ মো: খালেদ হোসেন বলেন, ‘রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। বৈঠকে তাদের বিভিন্ন সমস্যা কথা শুনেছি। বিশেষ করে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সেদিকে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566163453040.jpg

তিনি আরও বলেন, সরকার জোর করে কাউকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না, এ বিষয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। তাদের যাতে ভালো হয় সরকার সেই বিবেচনায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ 

বৈঠকে উপস্থিত রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ‘হঠাৎ প্রত্যাবাসন নিয়ে রোহিঙ্গারা উদ্বিগ্ন-তো বটেই, এমনকি ভয়-ভীতির মধ্যে রয়েছে অনেকে, বিষয়টি সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকে ক্যাম্পের কর্মকর্তারা ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন বিষয়টি তুলে ধরেন। সরকার কাউকে জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বলেও আশ্বাস দেন উপস্থিত কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:'নিজেদের স্বার্থেই রোহিঙ্গাদের ফিরতে হবে'

রোহিঙ্গা নেতারা বলেছেন, যেদেশ থেকে নির্যাতিত হয়ে এসেছি, সেই দেশে কিভাবে যাব? আবারো কি নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসব এদেশে? গোপনে প্রত্যাবাসন হতে পারে না, তাই প্রত্যাবাসন বিষয় নিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান তারা। 

টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো: আলম বলেন, ‘প্রত্যাবাসন বিষয়ে ক্যাম্পে যাতে কোন ভুল তথ্য প্রচার না করে, সেজন্য সর্তক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সিআইসি। ক্যাম্পে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, এজন্য জড়ো হয়ে লোকজনকে আলোচনা অথবা বৈঠক থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। 

প্রত্যাবাসনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব। তিনি জানান, সরকারের নির্দেশে ক্যাম্পে টহল দিয়ে যাচ্ছে র‌্যাব সদস্যরা। এছাড়া প্রত্যাবাসন নিয়ে ক্যাম্পে কোন গুজব ছড়াতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে গুজবকারীরদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাদা পোশাকে র‌্যাবের গোয়ান্দারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেন জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র