Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

বরগুনার মুক্তিযোদ্ধা পল্লীতে নানা সংকট

বরগুনার মুক্তিযোদ্ধা পল্লীতে নানা সংকট
নানা সমস্যায় জর্জরিত বরগুনার মুক্তিযোদ্ধা পল্লী/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ইমরান হোসেন
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পানির সংকট, খারাপ ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ নানা সমস্যায় দুর্বিষহ দিন কাটাচ্ছেন বরগুনার মুক্তিযোদ্ধা পল্লীর বাসিন্দারা। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তুপ হয়ে যায়, মশার উৎপাত, ভাঙা রাস্তা ও বেড়িবাঁধ না থাকায় বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত এলাকাটি। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার প্রতিকার চেয়েও কোনো লাভ হয়নি।

জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার খাজুরতলা গ্রামে ২০০০ সালে মুক্তিযোদ্ধা পল্লীর উদ্বোধন করেন তৎকালীন খাদ্য উপমন্ত্রী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। পুনর্বাসন করা হয় ৩৪টি যুদ্ধাহত ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে। যেখানে বসানো হয় ৬টি গভীর নলকূপ ও একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/08/1546965840071.gif

মুক্তিযোদ্ধা পল্লীর বাসিন্দারা জানান, সময়ের ব্যবধানে অকেজো হয়ে গেছে সবকটি নলকূপ। আর ময়লা-আবর্জনার নিচে চাপা পড়েছে ড্রেনটি। নেই পয়:নিষ্কাসন ব্যবস্থা। ফলে ময়লা পানি জমে জন্ম নিচ্ছে নানা রোগের বাহক মশা। এছাড়া বেড়িবাঁধ না থাকায় সামান্য জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় এই পল্লীর ঘড়বাড়ি, ভেঙে  যায় রাস্তাঘাট। ফলে সমস্যার যেন শেষ নেই এই পল্লীতে।

মুক্তিযোদ্ধা আ. খালেক বার্তা২৪কে বলেন, ‘এখন এই পল্লীতে বসবাস করা আর কোনো অপরাধের শাস্তি ভোগ করা সমান মনে হয়। একদিকে ড্রেনের পঁচা গন্ধ আর অন্যদিকে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ আমাদের জীবন।’

মুক্তিযোদ্ধা সুশিল মণ্ডল বার্তা২৪কে বলেন, ‘নামমাত্র মুক্তিযোদ্ধা পল্লী এটি। এখানে মুক্তিযোদ্ধারা অসহায়ত্ব বরণ করে দিন কাটাচ্ছেন। প্রত্যেক জোয়ারে সামান্য পানি বাড়লেই ডুবে যায় এলাকার রাস্তাঘাট। নলকূপগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গোসলের জন্য নেই কোনো ঘাটলা। একটু পানি পেতে যেতে হয় প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে। সেখানে পানি আনতে গিয়ে মানুষের নানান কথাও শুনতে হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/08/1546965867722.gif

একাধিক মুক্তিযোদ্ধা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করে বলেন, ‘আগে মাঝে মাঝে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা এখানে পরিদর্শনে আসতেন। তবে এখন আর কেউ আসেন না। ফলে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান উপাধি পেয়েও বৃদ্ধ বয়সে সমস্যার মধ্যেই দিন পার করতে হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের।’

তারা আরো অভিযোগ করেন, সমস্যার সমাধানের জন্য জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধরনা দিয়ে এখন সবাই ক্লান্ত।

আর জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বার্তা২৪কে বলেন, ‘খুব শিগগিরই মুক্তিযোদ্ধা পল্লীর সব সমস্যার সমাধান করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

মাদারীপুরের শিবচরে ট্রাকের চাপায় নিহত ১

মাদারীপুরের শিবচরে ট্রাকের চাপায় নিহত ১
সড়ক দুর্ঘটনার প্রতীকী ছবি

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচরে ট্রাকের চাপায় জাকির ফকির (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। নিহত জাকির হোসেন শিবচর উপজেলার বাবলা তলা এলাকার ইমারত ফকিরের ছেলে। সে পেশায় ভ্যান চালক।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের হাজী শরিয়তউল্লাহ সেতুর পূর্বপাড়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে কাঠালবাড়ি ঘাট থেকে ভাঙ্গাগামী একটি মালবাহী ট্রাক একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এ সময় ভ্যান চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান।

শিবচর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবী হোসেন বলেন, 'একটি ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই ভ্যানের চালক মারা যায়। ট্রাকটি আটকের চেষ্টা চলছে।'

মাদারীপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মাদারীপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা এলাকায় পানিতে ডুবে এনি নামে ৪ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এনি মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা গ্রামের দাউদ মিয়ার মেয়ে।

পারিবরের সদস্যরা জানায়, এনি বিকেলে ঘরের পাশে খেলছিল। এ সময় পরিবারের আজান্তে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। বাড়ির আশেপাশে কোথাও শিশু এনিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে পুকুরের পানিতে খুঁজতে গেলে এনিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহবুব আবির বলেন, ‘পানিতে পড়ে ডুবে যাওয়া এক শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসে স্থানীয় লোকজন। আমরা চেকআপ করে দেখি হাসপাতালে আনার পূর্বে শিশুটি মারা যায়।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র