Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

কাদা-মাটিতে স্বপ্ন গড়ছে পাল’রা!

কাদা-মাটিতে  স্বপ্ন গড়ছে পাল’রা!
মাটির তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্রের একটি দোকান, ছবি: বার্তা২৪
আব্দুস সালাম আরিফ
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পটুয়াখালী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর বাউফলের পাল পাড়ায় মাটির তৈরি বিভিন্ন পণ্য এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও রফতানি হচ্ছে। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় মার্কেটগুলোতে এই পণ্যের কদর দিন দিন বাড়ছে। তবে সরকারিভাবে মৃত্তিকা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা করলে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি এই পণ্য বিপ্লব ঘটাতে পারবে বলে মনে করেন এ শিল্পের উদ্যোক্তারা।

বর্তমানে সিঙ্গাপুর, জাপান, ইন্ডিয়া, মালয়েশিয়া সহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বাউফলের মাটির তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্র রফতানি হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এ পণ্য রফতানির পরিমাণ কম হলেও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী হিসেবে দেশের বাইরে মাটির তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা অনেক বেশি বলে জানান এ শিল্পর সাথে জড়িতরা।

পাল পাড়ার উদ্যোক্তা বরুণ পাল জানালেন, বছরের বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে এক সময়ে মাটির তৈরির পণ্যে চাহিদা থাকলেও প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে এখন সারা বছরই উৎপাদন হয় মাটির পণ্য। এক সময়ে শোপিস কিংবা ফুলের টবের মত পণ্য তৈরি করলেও বর্তমানে প্লেট, গ্লাস, বাটি, চায়ের কাপ থেকে শুরু করে ডিনার সেটের মত নিত্য প্রয়োজনীয় ১০৮ ধরনের পাত্র তৈরি করছেন তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/09/1547025029495.gif

নান্দনিক গঠন আর হাতের কারুকাজে দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই পণ্যগুলো। এরই সাথে তাল মিলিয়ে বেড়েছে ব্যবসায়ের পরিধি, সুযোগ হয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের। তবে এই শিল্পের প্রতি সরকারের বিশেষ দৃষ্টি ও আধুনিকায়নের জন্য ঋণ সহায়তার দাবি জানালেন উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, 'সহযোগিতা পেলে মৃত্তিকা শিল্প দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।'

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিজুস চন্দ্র দে জানালেন, মৃত্তিকা শিল্পের উন্নয়নের পাশাপাশি এই শিল্পের প্রসারে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কিভাবে তাদের পণ্যের মান আরও উন্নত করা যায় এবং মৃত্তিকা শিল্পের বাজার আরও বিস্তৃত করা যায় সে জন্য আমরা কাজ করছি। এ বিষয়ে সরকারি সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ চলছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

গত কয়েক দশকে দেশের দক্ষিণ উপকূলে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই শিল্প এখন সারা দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন পালা পার্বণে মাটির তৈরি এসব তৈজসপত্র বড় একটি চাহিদা থাকলেও বর্তমানে সারা বছরই এর জমজমাট বেচা বিক্রি থাকে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন :

খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মুত্যু

খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মুত্যু
সাদিয়া (৮)

চাটখিল পৌরসভার ভীমপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে সাদিয়া (৮) নামে এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সাদিয়া একই উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের সাধুরখিল গ্রামের স্থানীয় ব্যবসায়ী শামছুল আলম শামীমের সন্তান।

সাদিয়ার স্বজনরা জানান, সে নানার বাড়িতে খেলার সময় সবার অজান্তে  বাড়ির পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিকেলে সাধুরখিলে তার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।  এর আগে রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। সাদিয়ার মৃত্যুতে তার নানা ও দাদা উভয়ের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল
রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বকভাবে প্রত্যাবাসন করা হবে-এমন গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। এসব গুজব ও অপপ্রচার রোধে  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সর্তক থাকতে।  

রোববার (১৮ আগস্ট) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া শালবন, লেদা ও নয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি ক্যাম্পের সিআইসি সঙ্গে রোহিঙ্গাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ক্যাম্পের চেয়ারম্যান, টিম লিডার, হেড মাঝি, বল্ক মাঝি ছাড়াও মাস্টার, ইমাম ও মুরব্বিসহ এনজিও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:মিয়ানমারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত রোহিঙ্গারা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!

সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া এলাকার শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

টেকনাফের নয়াপাড়া ও শালবন (২৬-২৭) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের  ইনচার্জ মো: খালেদ হোসেন বলেন, ‘রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। বৈঠকে তাদের বিভিন্ন সমস্যা কথা শুনেছি। বিশেষ করে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সেদিকে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566163453040.jpg

তিনি আরও বলেন, সরকার জোর করে কাউকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না, এ বিষয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। তাদের যাতে ভালো হয় সরকার সেই বিবেচনায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ 

বৈঠকে উপস্থিত রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ‘হঠাৎ প্রত্যাবাসন নিয়ে রোহিঙ্গারা উদ্বিগ্ন-তো বটেই, এমনকি ভয়-ভীতির মধ্যে রয়েছে অনেকে, বিষয়টি সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকে ক্যাম্পের কর্মকর্তারা ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন বিষয়টি তুলে ধরেন। সরকার কাউকে জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বলেও আশ্বাস দেন উপস্থিত কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:'নিজেদের স্বার্থেই রোহিঙ্গাদের ফিরতে হবে'

রোহিঙ্গা নেতারা বলেছেন, যেদেশ থেকে নির্যাতিত হয়ে এসেছি, সেই দেশে কিভাবে যাব? আবারো কি নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসব এদেশে? গোপনে প্রত্যাবাসন হতে পারে না, তাই প্রত্যাবাসন বিষয় নিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান তারা। 

টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো: আলম বলেন, ‘প্রত্যাবাসন বিষয়ে ক্যাম্পে যাতে কোন ভুল তথ্য প্রচার না করে, সেজন্য সর্তক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সিআইসি। ক্যাম্পে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, এজন্য জড়ো হয়ে লোকজনকে আলোচনা অথবা বৈঠক থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। 

প্রত্যাবাসনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব। তিনি জানান, সরকারের নির্দেশে ক্যাম্পে টহল দিয়ে যাচ্ছে র‌্যাব সদস্যরা। এছাড়া প্রত্যাবাসন নিয়ে ক্যাম্পে কোন গুজব ছড়াতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে গুজবকারীরদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাদা পোশাকে র‌্যাবের গোয়ান্দারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেন জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র