Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিকল্প নেশায় ঝুঁকছে মাদকসেবীরা

বিকল্প নেশায় ঝুঁকছে মাদকসেবীরা
ছবি: প্রতীকী
মাহমুদ আল হাসান রাফিন
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাদকের ছোবল প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে শেখ হাসিনা সরকার। এই অপরাধের সাথে যারা যুক্ত তাদেরকে কঠিন হাতে মোকাবিলা করা হচ্ছে, এতে করে অতিরিক্ত পুলিশি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় মাদকসেবীরা ঝুঁকছে বিকল্প নেশায়।

ফেনসিডিল বা ইয়াবা সহজলভ্য না হওয়ায় শ্যামপ্যাক, মিক্সার বা ড্যান্ডি দিয়ে চলছে মাদক সেবন। হাতের নাগালে পাওয়ায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সহজে ঝুঁকছে এসব নেশায়। ফার্মেসিতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই খুব সহজে মিলছে এসব উপকরণ ফলে মাদকসেবীদের ভিড় বেড়ে গেছে ফার্মেসিগুলোতে।

এসব বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরসহ স্থানীয় প্রশাসনের কোন কার্যকর ভূমিকা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানায়, গত এক বছরে সবচেয়ে বড় মাদকের চালান হিসেবে সৈয়দপুরে (২০ মে ২০১৮) ২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ তিন সরবরাহকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ১৩৮৫ বোতল ফেনসিডিলসহ এক কলেজ ছাত্রকে আটক করে সৈয়দপুর পুলিশ। জলঢাকা থানা সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে মাদক সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা শতাধিক। নামীয় আসামি প্রায় দুই শতাধিক।

গত এক বছরে জলঢাকা থানার সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আটক করা হয় (১লা জুন ২০১৮) জলঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বড়ঘাট পেট্রল পাম্প এলাকায় ৬০০ পিস ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে।

নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন আব্দুর রশিদের মতে, 'মাদক দ্রব্য একজন মানুষের শরীরে যে রকম ক্ষতি করে, এইসব ঔষধ মাদক দ্রব হিসেবে অতিরিক্ত হারে ব্যবহার করলে তার থেকে বেশি করে। এর প্রতিক্রিয়া খুবেই ভয়াবহ, গায়ে পানি জমবে, কিডনি নষ্ট হবে য়ার পরিণাম অকাল মৃত্যু।'

ফার্মেসিগুলোতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বিষয়টি নজরে এসেছে,ভূঁইয়া ডাক্তার, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক ও ফার্মেসিগুলোতে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ আটক ৩

কুষ্টিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ আটক ৩
পিস্তল ও মাদকসহ আটক তিনজন (মাঝে), ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুষ্টিয়ায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়া পূর্ব মিলপাড়ার শেখ আয়নাল আলী হেলাল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, চার রাউন্ড গুলি, ৭৭ বোতল ফেনসিডিল, পাঁচশ’ গ্রাম গাঁজাসহ উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-কুষ্টিয়া পূর্বপাড়ার শেখ আয়নাল আলী হেলাল (৫৬), কুমারখালী উপজেলার চড়াইকোল গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪৩) ও কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ মণ্ডলপাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৪)।

কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র