বিকল্প নেশায় ঝুঁকছে মাদকসেবীরা

ছবি: প্রতীকী

মাহমুদ আল হাসান রাফিন, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

মাদকের ছোবল প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে শেখ হাসিনা সরকার। এই অপরাধের সাথে যারা যুক্ত তাদেরকে কঠিন হাতে মোকাবিলা করা হচ্ছে, এতে করে অতিরিক্ত পুলিশি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় মাদকসেবীরা ঝুঁকছে বিকল্প নেশায়।

ফেনসিডিল বা ইয়াবা সহজলভ্য না হওয়ায় শ্যামপ্যাক, মিক্সার বা ড্যান্ডি দিয়ে চলছে মাদক সেবন। হাতের নাগালে পাওয়ায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সহজে ঝুঁকছে এসব নেশায়। ফার্মেসিতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই খুব সহজে মিলছে এসব উপকরণ ফলে মাদকসেবীদের ভিড় বেড়ে গেছে ফার্মেসিগুলোতে।

এসব বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরসহ স্থানীয় প্রশাসনের কোন কার্যকর ভূমিকা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানায়, গত এক বছরে সবচেয়ে বড় মাদকের চালান হিসেবে সৈয়দপুরে (২০ মে ২০১৮) ২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ তিন সরবরাহকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ১৩৮৫ বোতল ফেনসিডিলসহ এক কলেজ ছাত্রকে আটক করে সৈয়দপুর পুলিশ। জলঢাকা থানা সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে মাদক সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা শতাধিক। নামীয় আসামি প্রায় দুই শতাধিক।

গত এক বছরে জলঢাকা থানার সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আটক করা হয় (১লা জুন ২০১৮) জলঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বড়ঘাট পেট্রল পাম্প এলাকায় ৬০০ পিস ইয়াবা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে।

নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন আব্দুর রশিদের মতে, 'মাদক দ্রব্য একজন মানুষের শরীরে যে রকম ক্ষতি করে, এইসব ঔষধ মাদক দ্রব হিসেবে অতিরিক্ত হারে ব্যবহার করলে তার থেকে বেশি করে। এর প্রতিক্রিয়া খুবেই ভয়াবহ, গায়ে পানি জমবে, কিডনি নষ্ট হবে য়ার পরিণাম অকাল মৃত্যু।'

ফার্মেসিগুলোতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বিষয়টি নজরে এসেছে,ভূঁইয়া ডাক্তার, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক ও ফার্মেসিগুলোতে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হবে।'

জেলা এর আরও খবর