Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কে হচ্ছেন গোপালগঞ্জের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ?

কে হচ্ছেন গোপালগঞ্জের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ?
বাঁ থেকে রাজিয়া কাজল, আরেফিন রুমা, তানিয়া শভা, কানতারা খান, নাসিমা আক্তার ও শেখ মিলি, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গোপালগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ গঠন সম্পন্ন হওয়ার পর এখন জেলার সর্বত্র আলোচনা শুরু হয়েছে, কারা হবেন সংরক্ষিত।আসনের নারী সাংসদ?

গোপালগঞ্জেও এই চলছে নারী নেত্রীদের দৌড়ঝাঁপ। দলীয় মনোনয়ন পেতে নারী নেত্রীরা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে জোর লবিং চালাচ্ছেন বলে নানা সূত্র থেকে খবর পাওয়া গেছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের ত্যাগী ও আস্থাভাজন নারী নেত্রীদের মধ্য থেকে সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দেয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জে যারা বেশি আলোচনায় রয়েছেন তারা হলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামাতো বোন ঢাকার ধানমন্ডি থানা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মিলি, গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর আসনের সংসদ সদস্য লে.কর্নেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খানের মেয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য কানতারা খান, গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাসিমা আক্তার রুবেল, ঢাকা ইউনিভার্সিটির সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী আরিফা রহমান রুমা ও গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য এবং সম্মিলিত সংগীত শিল্পী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তানিয়া হক শোভা।

এছাড়া বর্তমান সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেত্রী অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল পুনরায় সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান সাংবাদিকদেরকে বলেন, 'সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের মনোনয়ন দেবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে থেকে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব দিক বিবেচনা করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তিনিই মনোনয়ন পাবেন।'

আপনার মতামত লিখুন :

আবারো ধরলা-তিস্তার পানি বেড়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আবারো ধরলা-তিস্তার পানি বেড়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুড়িগ্রামে কয়েকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আবারো ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ দুই নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563872473762.jpg

অপরদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে এখনো বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করলেও বাড়ি ফিরতে পারছে না বানভাসিরা। কারণ তাদের ঘর-বাড়ি থেকে এখনো পানি নেমে যায়নি। এখনো তলিয়ে আছে চিলমারী উপজেলা শহরের বিভিন্ন অফিস, ঘরবাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563872491385.jpg

গত দুই সপ্তাহের বন্যায় মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুর খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত নানা রোগ-ব্যাধি।

এদিকে সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে চিলমারী ও উলিপুর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন দলটির যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মা. জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে কামরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়িয়া গ্রামের আবুল হোসেন ডিলারের ছেলে।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আনোয়ার পারভেজ লিমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯৮ সালে কামরুল ইসলামের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার দিয়ারধানগড়া মহল্লার আব্দুল আজিজের মেয়ে মুন্নী
খাতুনের (৩২) বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দুই লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে আব্দুল আজিজ আরো যৌতুকের জন্য মুন্নীকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ১২ জুলাই তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা এনে দিতে রাজি না হওয়ায় ওই দিন মুন্নীকে মারপিট করে গলা টিপে হত্যা করেন কামরুল। এ ঘটনায় মুন্নীর বড় বোন পারুল বেগম বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এ রায় দেন আদালত।

মামলার বাদী পারুল এ রায়ের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসামির দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র