Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

নানা সমস্যায় জর্জরিত শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের ভবন

নানা সমস্যায় জর্জরিত শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের ভবন
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
মৌলভীবাজার
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের হবিগঞ্জ রোডস্থ ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত আশির দশকে নির্মিত শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন। এই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের পুরাতন দোতলা ভবনের বিভিন্ন স্থানে বিপদজনক ফাটল দেখা দিয়েছে। গত ৪০ বছরে এখানে উল্লেখযোগ্য কোন সংস্কার কাজও করা হয়নি। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ এই ভবনটি ধ্বসে পড়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে। যে কোন সময় বিল্ডিং ধ্বসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে এমন আতঙ্কে রয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা নিজেরা অগ্নিকান্ড সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় বিপন্ন মানুষকে দূর্যোগমুক্ত করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও এখন তারা নিজেরাই আতঙ্কে সময় পার করছেন।

ফায়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, ভবনের ছাদ, কার্নিশসহ বিভিন্ন অংশে বিপদজনক ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে তাদের জীবনযাপন এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কর্মচারী ও অন্যান্য ফায়ারম্যানরা জানান, ভবনটির দুরবস্থার কারণে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কিত থাকেন সবসময়। কিন্তু বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় অর্ধ শতাব্দী আগের নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ভবনটির নিচতলায় রয়েছে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তার অফিস কক্ষসহ ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি রাখার জায়গা। ২য় তলায় রয়েছে এখানকার কর্মকর্তার বাসস্থান এবং স্টাফদের ব্যারাক। এখানে নিয়মিতভাবে বসবাস করেন ২৩ জন মানুষ।

ব্যারাকে বসবাসকারীদের মধ্যে রয়েছেন ১ জন স্টেশন অফিসার, ১৫ জন ফায়ারম্যান, ২ জন টিম লিডার, ২ জন গাড়ি চালক, ১ জন বাবুর্চি ও ১ জন ঝাড়ুদার। এই কক্ষগুলোর বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে, ছাদ থেকে পলেস্তারা খুলে পড়ছে।

২য় তলায় অফিসার কোয়ার্টারেরও একই অবস্থা। ছাদের পলেস্তারা খুলে রড বেরিয়ে গেছে বিভিন্ন জায়গায়। শুধু তাই নয়, গাড়ি রাখার জায়গায় বীমের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং ভেঙে পড়ে রড বের হয়ে আছে। গত বছরের জানুয়ারিতে ভূমিকম্পে ভবনটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ভূমিকম্পের ফলে ভবনের জানালার গ্রীলগুলো বেঁকে গিয়েছে। তাছাড়া স্টাফদের ব্যবহারের জন্য যে বাথরুমগুলো রয়েছে, সেগুলোর অবস্থাও করুণ। বাথরুমের দরজা ভাঙা, কমোড ব্যবহারের অনুপযোগী এবং ফ্লাশগুলোও নষ্ট।

স্টেশনের গাড়ি চালক অরুন কুমার সিংহ জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে ভূমিকম্পের সময় আমার গায়ে বিল্ডিংয়ের পলেস্তারা খসে পড়ে এতে আমি আহত হয়েছিলাম ৷ আমরা মাঝে মাঝে নিজেরা জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করি। তবে ভবনটি ড্যাম্প হয়ে যাওয়ায় সেই মেরামতগুলি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বর্তমান অবস্থা এমন যে, যে কোনো সময় এই ভবনটি ধসে পড়ে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। এই ভবনের বসবাসকারী ফায়ারম্যানসহ অফিস ভবনে অবস্থানকারী কর্মকর্তাদের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মীরা।

শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে কর্মরত ফায়ারম্যানরা জানান, দুর্যোগ ও বিপন্ন মানুষকে উদ্ধার করতে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি আমরা। আর আমাদের জীবনই এখন ঝুঁকিপূর্ণ।

ভবনটির ভগ্নদশা সম্পর্কে কয়েকবার লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই ভবনের মেরামত কিংবা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভবনটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছি এমনি জানালেন শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার আজিজুল হক রাজন।

এ সম্পর্কে মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিয় কুমার সাহা বলেন, আসলে আমাদের কাজ হচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মতো। সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। আর যেহেতু এটা মেরামতের বিষয়, তাই মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড় হলে তবেই আমরা পরিদর্শনপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারব।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল

প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ছড়াতে সক্রিয় কুচক্রী মহল
রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বকভাবে প্রত্যাবাসন করা হবে-এমন গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। এসব গুজব ও অপপ্রচার রোধে  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সর্তক থাকতে।  

রোববার (১৮ আগস্ট) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া শালবন, লেদা ও নয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি ক্যাম্পের সিআইসি সঙ্গে রোহিঙ্গাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ক্যাম্পের চেয়ারম্যান, টিম লিডার, হেড মাঝি, বল্ক মাঝি ছাড়াও মাস্টার, ইমাম ও মুরব্বিসহ এনজিও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:মিয়ানমারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত রোহিঙ্গারা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!

সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া এলাকার শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রত্যাবাসন নিয়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

টেকনাফের নয়াপাড়া ও শালবন (২৬-২৭) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের  ইনচার্জ মো: খালেদ হোসেন বলেন, ‘রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। বৈঠকে তাদের বিভিন্ন সমস্যা কথা শুনেছি। বিশেষ করে প্রত্যাবাসন নিয়ে যাতে ক্যাম্পে গুজব, অপপ্রচার, মানুষের মাঝে ভয়-ভীতি সৃষ্টি না হয় সেদিকে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566163453040.jpg

তিনি আরও বলেন, সরকার জোর করে কাউকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না, এ বিষয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। তাদের যাতে ভালো হয় সরকার সেই বিবেচনায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ 

বৈঠকে উপস্থিত রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ‘হঠাৎ প্রত্যাবাসন নিয়ে রোহিঙ্গারা উদ্বিগ্ন-তো বটেই, এমনকি ভয়-ভীতির মধ্যে রয়েছে অনেকে, বিষয়টি সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকে ক্যাম্পের কর্মকর্তারা ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন বিষয়টি তুলে ধরেন। সরকার কাউকে জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বলেও আশ্বাস দেন উপস্থিত কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:'নিজেদের স্বার্থেই রোহিঙ্গাদের ফিরতে হবে'

রোহিঙ্গা নেতারা বলেছেন, যেদেশ থেকে নির্যাতিত হয়ে এসেছি, সেই দেশে কিভাবে যাব? আবারো কি নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসব এদেশে? গোপনে প্রত্যাবাসন হতে পারে না, তাই প্রত্যাবাসন বিষয় নিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করার দাবি জানান তারা। 

টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো: আলম বলেন, ‘প্রত্যাবাসন বিষয়ে ক্যাম্পে যাতে কোন ভুল তথ্য প্রচার না করে, সেজন্য সর্তক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সিআইসি। ক্যাম্পে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, এজন্য জড়ো হয়ে লোকজনকে আলোচনা অথবা বৈঠক থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। 

প্রত্যাবাসনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব। তিনি জানান, সরকারের নির্দেশে ক্যাম্পে টহল দিয়ে যাচ্ছে র‌্যাব সদস্যরা। এছাড়া প্রত্যাবাসন নিয়ে ক্যাম্পে কোন গুজব ছড়াতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে গুজবকারীরদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাদা পোশাকে র‌্যাবের গোয়ান্দারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেন জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা
খুলনাগামী ট্রেন চুয়াডাঙ্গায়, নিরাপত্তাহীনতায় যাত্রীরা

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এরপর পরপরই খুলনার সাথে সারা দেশের ট্রেন চলাচল অচল হয়ে পড়ে। কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ফলে খুলনা রুটে অন্যান্য ট্রেন চুয়াডাঙ্গার রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে হাজারো যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

সরজমিনে রাত ১১ টার দিকে খুলনামুখী তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেনকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন রেল লাইনের পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশন হতে দুই কিলোমিটার দূরে ফার্মপাড়া ও উথলীতে এই তিনটি ট্রেন অপেক্ষমান রয়েছে। ট্রেনগুলো হলো খুলনামুখী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন, চিলহাটি থেকে ছেড়ে আসা রূপসা ও গোয়ালন্দ থেকে ছেড়ে আসা নকশী। ট্রেনগুলোর বগিতে ৪ হাজারেরও বেশী যাত্রী। এসব যাত্রী দীর্ঘ সময় ট্রেনের মধ্যে বসে নিশ্চুপ সময় পাড় করছেন। তারা জানেন না কখন তাদের ট্রেন খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160769719.jpg

স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে আন্ত:নগর রূপসা ট্রেনকে যাত্রী নিয়ে নিরাপত্তাহীনভাবে শহরের অন্ধকারাচ্ছন্ন ফার্মপাড়ায় রেল লাইনে অপেক্ষমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।  যাত্রীদের নিরাপত্তায় ট্রেনের আশপাশে স্টেশনের কোনও জিআরপি পুলিশকে দেখা যায়নি। আর যাত্রীদের মালামাল রক্ষার্থে যে পুলিশ সদস্য দায়িত্বে থাকে-তাকেও দেখা গেছে ট্রেনের ভেতরে গভীর ঘুমে মগ্ন।

খুলনাগামী রূপসা ট্রেনের যাত্রী রোকন বলেন, স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি নাটোর থেকে খুলনায় ফিরছেন। সকালে তার অফিস। এখন কখন ট্রেন ছাড়বে তা কেউ বলতে পারছে না। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566160786981.jpg

সরকারী চাকরীজীবী মেরিনা বলেন, যে জায়গায় ট্রেন থামানো হয়েছে স্থানটি ভালো নয়। আশপাশের লোকজন বাজে বাজে কথা বলছে ট্রেনের জানালার ওপাশ থেকে। ট্রেনটি যদি প্লাটফর্মে থামাত তাহলে ভালো হত।

চুয়াডাঙ্গা স্টেশনের মাস্টার নাসরিন ফারহানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান সন্ধ্যার পরপরই তিনটি ট্রেন পর্যায়ক্রমে চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে ঢুকলে আমরা ট্রেনগুলোকে বিভিন্ন রুটে দাঁড় করিয়ে দেই। কোটচাঁদপরে কপোতাক্ষ ট্রেন সচল করতে ঈশ্বরদী থেকে এরই মধ্যে রিলিফ ট্রেন পোড়াদহ স্টেশন ছেড়ে এসেছে। রিলিফ ট্রেনটি গিয়ে লাইনচ্যুত ট্রেনকে উদ্ধার করার পরপরই চুয়াডাঙ্গায় অপেক্ষমান ট্রেনগুলো খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র