Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

চেয়ারম্যানের পেটে সরকারি গাছ!

চেয়ারম্যানের পেটে সরকারি গাছ!
চেয়ারম্যানের পেটে সরকারি গাছ। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পটুয়াখালী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুরের অভ্যন্তরীণ সড়কের দু’পাশের গাছ কেটে নিচ্ছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির। গত এক সপ্তাহ যাবৎ চেয়ারম্যানের বাড়ির লোকজন এসব গাছ কেটে নিলেও প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না স্থানীয়রা।

তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে স্থানীয় বাদুরা বাজারের একটি সমিল থেকে ইতোমধ্যে বেশ কিছু গাছের টুকরা জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (১৩ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক থেকে পূর্বদিকের শাখা রাস্তা শরীফ বাড়ির স্ট্যান্ড থেকে আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের মেহগনি ও আকাশমনি গাছ কেটে নেয়া হয়েছে। সড়কের মোল্লাবাড়ির উত্তর পাশ থেকে ২টি আকাশমনি, মইনউদ্দিন হাওলাদারের বাড়ির সামনে থেকে একটি মেহগনি এবং দুটি আকাশমনি, শরিফ বাড়ি থেকে খাঁ বাড়ি পর্যন্ত ২টি মেহগনি ও ২টি আকাশমনি সহ বিভিন্ন বাড়ি, মসজিদ, কালভার্ট ও বাজার থেকে অন্তত ১৯টি বৃহৎ অকারের গাছ কেটে নেয়ার প্রমাণ মিলেছে। এসব গাছের গোড়া পরে থাকলেও তা আড়াল করতে সক্রিয় চেয়ারম্যানের লোকজন।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ যাবৎ চেয়ারম্যানের ভাতিজা হিসেবে পরিচিত বেল্লাল মৃধা এবং সোহেল মৃধার নেতৃত্বে এসব গাছ কেটে নেয়া হয়েছে। তবে গাছ কেটে নেয়ার আগে চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির নিজেই এসব গাছ দেখিয়ে দিয়েছেন বলেও জানান তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/13/1547371617026.jpg

প্রায় এক দশক আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্মিত এ সড়কের দু’পাশে সারি করে মেহগনি ও আকাশমনি গাছ লাগানো হয়। সে সময় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার তত্ত্বাবধানে এ গাছ রোপণ করা হলেও স্থানীয়রা এর দেখভাল ও পরিচর্যার দায়িত্বে ছিলেন। সে সময়ে স্থানীয়দের গাছের একটি লভ্যাংশ দেয়ার কথা ছিল। তবে হঠাৎ করেই চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে গাছ কেটে নেয়ায় হতবাক তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, গাছ কাটার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বর্তমানে এলাকার বাইরে আছেন। এলাকায় ফিরে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেবেন।

এদিকে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লতিফা জান্নাতি জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে কিছু গাছ স্থানীয় একটি সমিল থেকে জব্দ করা হয়েছে। কী পরিমাণ গাছ কাটা হয়েছে তা নিরূপণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির নিজে বাড়ি তৈরি করছেন। তার বাড়ির আসবাবপত্র ও দরজা জানালা তৈরির কাজে কাঠ ব্যবহার করতেই এসব গাছ কাটা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার
ঘরের সামনে বাঁশ দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বসতবাড়ির প্রবেশ পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২ দিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের চরপাড়ার সদের আলীর ছেলে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তার দুই ভাই ইদ্রিস আলী ও আবু বক্করের ৩ পরিবারের ১৭ জন সদস্য।

অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, ‘একই গ্রামের আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তানরা প্রভাব খাটিয়ে ঘরের প্রবেশ পথে বাঁশবেড়া দিয়ে রাখায় পরিবারের কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। বাচ্চারা স্কুলেও যেতে পারছে না। বিষয়টি সমাধান চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

সরেজমিনে রোববার (২৫ আগস্ট) উপজেলার দেবীপুর গ্রামের চরপাড়া গিয়ে দেখা যায়, বসতবাড়ির পথে বাঁশের বেড়া ও কাটা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তিনটি পরিবারকে। খোঁজখবর নিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উভয়পক্ষের মাঝে বাড়ির জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এমন কী জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। তবে প্রভাব দেখিয়ে গ্রামের প্রধান বা কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে পরিবারগুলোকে।

বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধের কারণ জানতে চাইলে আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তান মকুল হোসেন বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি বেড়া দিয়েছি। যা লেখার লেখেন। আমাদের অনেক বড় নেতা আছে। কিছুই করতে পারবেন না।’

তবে নওগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু বলেন, ‘তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা অমানবিক ও বেআইনি। ইউএনও স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি।’

তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মানিক (২৪) নামে এক দোকান কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ভোলা সদর রোডে অবস্থিত সফিউদ্দিন মালিকানাধীন জাপান গ্লাস হাউজে এ ঘটনা ঘটে।

মানিক ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের মো. রতনের ছেলে।

জানা গেছে, দুপুরের দিকে দোকানের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত গোডাউন থেকে এস এস পাইপ নামাচ্ছিলেন মানিক। তখন অসাবধানতা বশত একটি পাইপ পাশে বিদ্যুতের তারে গিয়ে লাগে। এতে মানিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র