Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের আলো ছড়াচ্ছে সততা স্টোর

কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের আলো ছড়াচ্ছে সততা স্টোর
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
চুয়াডাঙ্গা
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাথমিকস্তরের কোমলমতি শিক্ষার্থীর মাঝে সততার আলো ছড়িয়ে দিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সততা স্টোর চালু করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। আর এরই মাধ্যমে পড়ালেখায় বাড়তি মনোনিবেশ লক্ষ করা যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে। ইতোমধ্যে জেলার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর খোলা হয়েছে। ছোট পরিসরে এই সততা স্টোর চালু হলেও ভবিষ্যতে বড় পরিসরে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের।

বিদ্যালয়ে সততা স্টোরে নেই কোন বিক্রেতা। বিক্রেতা না থাকলেও এসব স্টোর থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য কিনতে পারবে। আলমারিতে রাখা আছে কলম, খাতা, চকলেট, চিপসসহ কোমলমতি শিশুদের বিভিন্ন খাওয়ার সামগ্রী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/13/1547380315261.jpg

প্রতিটি পণ্যের নির্ধারিত দাম উল্লেখ্য করা আছে পণ্যের উপরে। যেকোনা শিক্ষার্থী তার পছন্দমতো পণ্যটি কিনে ক্যাশ বাক্সে টাকা জমা রাখছে। শিক্ষার পাশাপাশি সৎভাবে চলার অনুশীলন কেন্দ্র এই সততা স্টোর। মূলত দোকানের প্রকৃত বিক্রেতা এবং ক্রেতা হলো শিক্ষার্থীরা নিজেরাই।

দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা ইউনিয়নের কালিয়াবক্করী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হয়েছে সততা স্টোর। স্কুলটির প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বার্তা২৪ কে বলেন সততা স্টোর চালু হওয়ার পর স্কুলের শিক্ষার্থীদের উল্লাসে স্কুলটি যেন রাঙ্গিয়ে উঠেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা তাদের মাঝে সততার চিহ্ন খুঁজে পাবে।

স্কুলের শিক্ষার্থী রাইশা বলে তাদের স্কুলে সততা স্টোর হওয়ার পর সকলের মনের মধ্যে বাড়তি আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে। রাইশার মতোই রিমি, আকাশ, শ্রাবণ একই সুরে বলে, আমরা আমাগো (আমাদের) ভবিষ্যৎ জীবনে কিভাবে সৎ ভাবে চলব তা সততা স্টোরের মাধ্যমেই শিখতে পারছি। 

দামুড়হুদা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল হাসান বার্তা২৪ কে বলেন, সৎ, সমৃদ্ধ এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও দেশ গঠনে এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে তৈরি করার লক্ষে এ সততা স্টোর চালু করা। সততা স্টোরে সততার চর্চার একটি প্লাটফর্ম শিক্ষার্থীদের জন্য। যা আস্তে আস্তে কোমলমতি শিশুদের সত্যের পথে চলতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। 

 

আপনার মতামত লিখুন :

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার
ঘরের সামনে বাঁশ দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বসতবাড়ির প্রবেশ পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২ দিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের চরপাড়ার সদের আলীর ছেলে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তার দুই ভাই ইদ্রিস আলী ও আবু বক্করের ৩ পরিবারের ১৭ জন সদস্য।

ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, ‘একই গ্রামের আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তানরা প্রভাব খাটিয়ে ঘরের প্রবেশ পথে বাঁশবেড়া দিয়ে রাখায় পরিবারের কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। বাচ্চারা স্কুলেও যেতে পারছে না। বিষয়টি সমাধান চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

সরেজমিনে রোববার (২৫ আগস্ট) উপজেলার দেবীপুর গ্রামের চরপাড়া গিয়ে দেখা যায়, বসতবাড়ির পথে বাঁশের বেড়া ও কাটা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তিনটি পরিবারকে। খোঁজখবর নিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উভয়পক্ষের মাঝে বাড়ির জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এমন কী জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। তবে প্রভাব দেখিয়ে গ্রামের প্রধান বা কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে পরিবারগুলোকে।

বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধের কারণ জানতে চাইলে আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তান মকুল হোসেন বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি বেড়া দিয়েছি। যা লেখার লেখেন। আমাদের অনেক বড় নেতা আছে। কিছুই করতে পারবেন না।’

তবে নওগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু বলেন, ‘তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা অমানবিক ও বেআইনি। ইউএনও স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি।’

তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দোকান কর্মচারীর মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

ভোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মানিক (২৪) নামে এক দোকান কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ভোলা সদর রোডে অবস্থিত সফিউদ্দিন মালিকানাধীন জাপান গ্লাস হাউজে এ ঘটনা ঘটে।

মানিক ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের মো. রতনের ছেলে।

জানা গেছে, দুপুরের দিকে দোকানের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত গোডাউন থেকে এস এস পাইপ নামাচ্ছিলেন মানিক। তখন অসাবধানতা বশত একটি পাইপ পাশে বিদ্যুতের তারে গিয়ে লাগে। এতে মানিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিয়া এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র