Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিদ্যালয়ের মাঝ দিয়ে রাস্তা, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

বিদ্যালয়ের মাঝ দিয়ে রাস্তা, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা
বিদ্যালয়ের মাঝ দিয়ে রাস্তা, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা। ছবি: বার্তা২৪.কম
সোহেল মিয়া
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাজবাড়ী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যালয়ের মাঠের ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে পাকা রাস্তা। রাস্তাটি দিয়ে দ্রুত গতিতে চলাচল করছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। আর পাকা রাস্তার দুই পাশে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানের শ্রেণিকক্ষ। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটির মাঝ দিয়ে পাকা সড়ক থাকায় শিক্ষার্থীরা টিফিনের সময় সেখানেই খেলায় মেতে উঠছে। এতে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা।

বলছিলাম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা। ওই বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় আড়াই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম ইয়াছিন জানান, প্রতিদিনের অ্যাসেম্বলি ও সমাবেশ এই রাস্তার উপরই করতে হয়। বিদ্যালয়ের বাড়তি কোনো জায়গা না থাকার কারণে শিশুদের নিয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ে প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। টিফিন ও ছুটির সময় তারা ছোটাছুটি করে। তাদের সহজে ধরে রাখা যায় না। তারপরেও যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে তাই যতদূর সম্ভব তারা তাদের চোখের নজরে রাখার চেষ্টা করেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আসজাদ হোসেন জানান, দুই পাশে বিদ্যালয়ের ভবন রেখে মাঝ দিয়ে পাকা সড়ক নির্মাণ করাটা মোটেও ঠিক হয়নি। শিশুরা সময় পেলেই রাস্তাটির উপর খেলায় মেতে উঠে। তাছাড়া বিদ্যালয়ের দুই পাশেই ভবন থাকার কারণে শিশুদের শ্রেণিকক্ষে যাওয়ার সময়ও রাস্তা পার হয়ে যেতে হয়। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই তারা শিশুদের নিরাপত্তায় বিদ্যালয় ভবনের পেছন দিয়ে বিকল্প সড়ক তৈরি ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্র জানায়, গোয়ালন্দ-রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধের জন্য ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে হাউলি কেউটিল গ্রাম থেকে শুরু করে তিন কিলোমিটার কাটাখালী জিসি টু খানখানাপুর সড়কটি নির্মিত হয়। এ সময়ই বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে ওই সড়কটি নির্মিত হয়। তবে বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে সড়ক থাকায় শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এলাকাবাসী যদি বিদ্যালয়ের পেছন দিকে যে জায়গা রয়েছে সেটি দেয় তাহলে একটি বিকল্প সড়ক তৈরি করা যেতে পারে। তবে এটা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এরই মধ্যে রাস্তাটি আলাদা রেখে বিদ্যালয়ের দুটি ভবনের পাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু বার্তা২৪ কে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সমস্যাটি সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াাখালীর সেনবাগে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার পশ্চিমপাড়ার ও দিঘিরপাড়ার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফয়েজ, মামুন, ফিরোজসহ পাঁচজনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির জের ধরে ছাতারপাইয়া পশ্চিমপাড়ার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দিঘিরপাড়ার ফয়েজ নামে এক ছেলেকে মারধর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র