Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভোলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২০টি দোকান ভস্মীভূত

ভোলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২০টি দোকান ভস্মীভূত
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ভোলা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলা সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি টাকার মালামাল ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার (১৩ জানুয়ারি) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। ভোলা ফায়ার সার্ভিস একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পরাণগঞ্জ বাজারের পূর্ব পাশে একটি কাপড়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তাৎক্ষণিক আগুনের লেলিয়ান শিখা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। স্থানীয়রা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে এবং ভোলা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় সর্বস্ব হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মো. কামাল হোসেন ও মো. জাকির হোসেনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, আমরা এই দোকান দিয়ে সংসার ও ঋণের কিস্তি দিতাম। এখন আমাদের দোকান পুড়ে যাওয়ায় আমরা সর্বস্ব হারিয়েছি। কিভাবে নতুন করে ব্যবসা শুরু করব এবং ঋণের টাকা দিব সেটাই বুঝতে পারছি না।

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াাখালীর সেনবাগে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার পশ্চিমপাড়ার ও দিঘিরপাড়ার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফয়েজ, মামুন, ফিরোজসহ পাঁচজনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির জের ধরে ছাতারপাইয়া পশ্চিমপাড়ার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দিঘিরপাড়ার ফয়েজ নামে এক ছেলেকে মারধর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র