Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দুর্ঘটনা এড়াতে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের বিশেষ উদ্যোগ

দুর্ঘটনা এড়াতে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের বিশেষ উদ্যোগ
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যস্ততম তিন রাস্তার মোড়ে ডিভাইডার না থাকায় প্রায়ই ঘটতো দুর্ঘটনা। সম্প্রতি মেহেরপুর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের (পিপিএম) উদ্যোগে ডিভাইডার স্থাপন করা হয়েছে। যা এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এতে মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড় এলাকা এখন দুর্ঘটনা মুক্ত।  

জানা গেছে, মেহেরপুর শহরে প্রবেশদ্বার হিসেবে কলেজ মোড় অন্যতম। মেহেরপুর ও মুজিবনগরে চলাচলকারী যানবাহনগুলো কলেজ মোড় থেকে ভাগ হয়ে চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে যায়। সরকারি কলেজ মোড়ের পাশে রয়েছে ছোটছোট দোকানপাট ও পেট্রোল পাম্প। গোল চত্বর থেকে মাত্র দুশো গজ দুরে সরকারী কলেজের প্রধান ফটক। এই গোল চত্বরের তিনটি প্রধান সড়কের কারণে ভোর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত যানবাহনের ভিড় থাকে। বিশেষ করে সকাল ৯টার দিকে ভিড় অনেক বেড়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, মেহেরপুর শহর থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনগুলো চুয়াডাঙ্গা সড়কে প্রবেশ করার সময় এবং ওয়াপদা মোড়ের দিক চলাচলকারী যানবাহনগুলো ট্রাফিক আইন না মেনে চলাচল করেছে। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা লোকাল বাসগুলো দ্রুত গতিতে শহরে প্রবেশের সময় ট্রাফিক আইন না মানায় বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটেছে একাধিকবার। গোল চত্ত্বরের অব্যবস্থাপনার কারণে ট্রাফিক পুলিশ যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে পারেননি।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনা এড়াতে মেহেরপুর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান (পিপিএম) বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি রোড ডিভাইডার পিলার দিয়ে কলেজ মোড়টাকে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ঘিরে দিয়েছেন। পুলিশ সদস্যরা নিজেরাই এগুলো স্থাপন করেন। এখন সব ধরনের যানবাহন ট্রাফিক সিগন্যাল অনুযায়ী চলাচল করছে। যার ফলে এখন দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন পথচারীরা।

এ প্রসঙ্গে মেহেরপুর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কলেজ মোড়ের সমস্যা আপাতত জোড়াতালি দিয়ে সমাধান করা গেছে। সমস্যা হচ্ছে, আমাদের সড়কের গোল চত্বর একেবারে ক্রুটিপূর্ণভাবে নির্মাণ করেছে সড়ক বিভাগ। এগুলো ভেঙে সঠিক নিয়মে নির্মাণ করা গেলে জেলার অন্যান্য গোল চত্বর এলাকার সমস্যাগুলো সমাধান হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী
স্বামী সোহেলের সঙ্গে মার্কিন নাগরিক সারলেট, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রেম-ভালোবাসা মানে না কোনো বাধা। আর সেই প্রেমের টানেই দেশ ছেড়েছেন মার্কিন নারী সারলেট। সুদূর আমেরিকা ছেড়ে এসে ঘর বাঁধলেন বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে।

শ্রীরামপুর গ্রামের সফিক উল্যার ছেলে সোহেল হোসেনকে বিয়ে করে এখন তিনি বাংলাদেশের বধূ। তাকে দেখতে আশপাশের মানুষ ভিড় জমায় সোহেলদের বাড়িতে।

শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানায়, ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয়। এরপর বন্ধুত্ব-প্রেম। দুই দেশের দুই সংস্কৃতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই জয় হয়েছে। উভয়ের পরিবার মেনে নেওয়ার পর ১২ জুলাই বাংলাদেশে আসেন সারলেট।

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করে নেয়া হয়। ভিনদেশি হলেও পুত্রবধূকে দেখে বেশ খুশি সোহেলের মা-বাবা।

এদিকে মার্কিন এই নারীকে দেখতে আসেন আশপাশ এলাকার বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সারলেটর বাড়ি আমেরিকার নিউজার্সিতে। এর আগে ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই বাংলাদেশে তাদের বিয়ে হয়।

স্বামী সোহেল হোসেন বলেন, 'সাত বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে সারলেটের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। একপর্যায়ে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর সারলেট বাংলাদেশে আসে। ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই আমরা বিয়ে করেছি। পরে সে আমেরিকায় চলে যায়। ১২ জুলাই পুনরায় বাংলাদেশে আসলে আমাদের গ্রামের বাড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়।'

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে মার্কিন নারী

সোহেলের বাবা সফিক উল্যা বলেন, 'আমরা ছেলের বিয়েতে বেশ খুশি। এ বিয়ের মাধ্যমে প্রেমের জয় হয়েছে। আমার ছেলে ও তার বউয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন।'

জানতে চাইলে দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসানুল কবির রিপন বলেন, 'মার্কিন নারী আমাদের এলাকার বধূ। এ নিয়ে এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। তাকে এক নজর দেখতে মানুষজন ওই বাড়িতে ভিড় করছে।'

কচুয়ায় খাল দখলের হিড়িক

কচুয়ায় খাল দখলের হিড়িক
খাল দখল করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ভূমি কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে অধিকাংশ ছোট ও বড় খাল স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। একজনকে দখল করতে দেখে অন্যরাও খাল ভরাট করে সেখানে ভবন নির্মাণ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। তবে খাল দখলের এমন হিড়িকে নীরব ভূমিকায় রয়েছে প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কচুয়া বাজার খাল, হাজীগঞ্জ খাল, পরানপুর খাল, সাচার খাল, নায়েরগাঁ খাল, বড়দৈল খাল, রঘুনাথপুর খাল, কাপিলা বাড়ি খাল, বাখৈইয়া খাল, সাপলোলা খাল ও সুন্দরী খালসহ বেশকিছু খাল দখল করে নিয়েছে স্থানীয়রা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563367358595.jpg

সরেজমিনে আরও দেখা গেছে, খালের উপরে কেউ বাঁধ নির্মাণ করে বাড়িতে আসা যাওয়ার পথ তৈরি করেছে, আবার কোথাও কোথাও খাল ভরাট করে দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করছে।

এতে খালের পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাঠে ঘাটে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে ফসল উৎপাদনে মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমন দে জানান, খালগুলো দখলমুক্ত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া চলতি মাস থেকে খালগুলো উদ্ধারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র