Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘দোহার-নবাবগঞ্জকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করব’

‘দোহার-নবাবগঞ্জকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করব’
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক সহায়তায় অবহেলিত দোহার নবাবগঞ্জের সড়ক, ব্রিজ ও গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে হবে।'

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বিকালে নবাবগঞ্জ পাইলট স্কুল মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংর্ধনা অনুষ্ঠানে দোহার নবাবগঞ্জ ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান এমপি তিনি এসব কথা বলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমি নির্বাচনের সময় আপনাদের কাছে অঙ্গীকার করেছিলাম এই অঞ্চলকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করব। ইতোমধ্যে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করেছি। দ্রুত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শুরু হবে ইনশাল্লাহ। আগামী দিনে আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রূপান্তর করব ইনশাল্লাহ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকায় গ্যাস নেই। গ্যাসের লাইন আনার ব্যবস্থা করা হবে। মাদক ,সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাসির উদ্দিন ঝিলুর সভাপতিত্বে ও জালাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান শিল্পপতি মো. নুর আলী, সাবেক জাতীয় পরিষদ সদস্য আবু মো, সুবেদ আলী, সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার হারুনুর রশিদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুর রহমান, আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম জালাল, ওসি মোস্তফা কামাল, জেলা পরিষদ সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, হাজী ইব্রাহীম খলিল, দেওয়ান তুহিনুর রহমান, ছাত্রলীগের মেহেদি হাসান রানা প্রমূখ।

আপনার মতামত লিখুন :

চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
প্রতীকী ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমানগন্ডা ও কালির বাজার এলাকায় এ দু’টি দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার পূর্ব ধনমুড়ির ওবায়েদুল্লাহর ছেলে নুরুল আলম জাবলু (৩৫), প্রাণ গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের পড়ুয়া গ্রামের জুয়েল মোল্লার ছেলে জোবায়ের (২১) ও ফেনী জেলার কুমিড়া গ্রামের গিত্তলাল দাসের ছেলে শিমুল দাস (২০)।

চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, সকাল ৯টার দিকে চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকা থেকে বাই সাইকেলে করে মিয়াবাজার যাচ্ছিলেন জোবায়ের ও শিমুল। পথে মহাসড়কের আমানগন্ডা এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় তারা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই শিমুল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে জোবায়ের মারা যান।

অপরদিকে কালির বাজার এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মানসিক প্রতিবন্ধী নুরুল আলম জাবলু নিহত হন।

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, দুর্গতদের আহাজারি

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, দুর্গতদের আহাজারি
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধায় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, যমুনা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জেলার সুন্দরগঞ্জ, সদর, সাঘাটা ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষদের সহায় সম্বল ভেসে যাচ্ছে। নানান দর্ভোগে পড়ে তাদের মধ্যে আহাজারি শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়, নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে পানি তীব্র স্রোতে বেশ কিছু বাঁধ ও রাস্তা-ঘাট ভেঙে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364202006.gif

গাইবান্ধা শহরের কোম্পানিপাড়ার বাসাবাড়িতে কোমর পানি জমেছে। শহরের পিকে বিশ্বাস রোডের ডিসি, এসপি ও দায়রা জজের বাসভনে হাঁটুপানি জমেছে। শহরে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলো ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশেষ জরুরি কাজে অনেকে বিকল্প সড়কে আবার কেউ ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364127351.gif

এদিকে পানিবন্দি মানুষরা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। অনেকে উঁচু রাস্তায় অস্থায়ী ঘর তুলে বসবাস করছে। এসব জায়গা অনেকে স্থান না পেয়ে নৌকায় বা কলাগাছের ভেলায় দিন-রাত কাটাচ্ছে।

বন্যা কবলিত মানুষ গৃহপালিত পশুপাখি ও আসবাপত্র নিয়ে আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। এসব দুর্গত মানুষদের সরকারিভাবে নানান সহায়তা করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বন্যা কবলিত মানুষদের খাদ্য ও আবাসনসহ বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

দূষিত পানি পানে বন্যাদুর্গতদের মাঝে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন চিন্তায় মাথায় রেখে ইতোমধ্যে নিরাপদ পানি সরবারহে কাজ করেছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গাইবান্ধা ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364150846.gif

এই পরিস্থিতিতে জেলার ৩০টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ গ্রামের প্রায় চার লাখ মানুষের সাড়ে ৩৫ হাজার ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পাকা-কাঁচা রাস্তা ও বাঁধ এবং ১০টি ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে গেছে। ফসলহানি হয়েছে দুই হাজার একর জমির, ভেসে গেছে চার শতাধিক পুকুরের মাছ।

জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী জানান, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে ঐসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563364177416.gif

পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।’

জেলা প্রশাসক রোখসানা বেগম বার্তাটুয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘পানিবন্দি মানুষদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে। দুর্গতদের ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে। যা বিতরণ চলমান থাকবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র