Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের খুঁজছেন বদি

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের খুঁজছেন বদি
কক্সবাজার-২ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক আলোচিত সাংসদ আব্দুর রহমান বদি। ছবি: বার্তা২৪.কম
মুহিববুল্লাহ মুহিব
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কক্সবাজার
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের খুঁজতে মাঠে নেমেছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক আলোচিত সাংসদ আব্দুর রহমান বদি।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া, সাবরাংসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ইয়াবার মালিক ও ব্যবসায়ীর বিষয়ে তল্লাশি চালিয়েছেন বদি।

রাত ৮টার দিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুর রহমান বদি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি ইয়াবা প্রতিরোধ কমিটি করেছি। এ কমিটিতে সাংবাদিক ও বিভিন্ন সামাজিক ব্যক্তিদেরকে রাখা হয়েছে। এরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে।’

আব্দুর রহমান বদি বলেন, ‘গতকাল ১৩ জানুয়ারি রোববার ভোরে একটি পরিত্যক্ত সিএনজি থেকে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে একটি মামলাও হয়েছে। কিন্তু তার পেছনে কারা রয়েছে সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। আমি এ কমিটি নিয়ে সেসব মালিককে খুঁজছি।’

সাবেক সাংসদ বদির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কক্সবাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে যদি এ তল্লাশি চালানো হয় তাহলে তা আলোরমুখ দেখবে না। যদি টপ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে তা হয়, তাহলে অবশ্যই বিষয়টি সুনামের দাবিদার।

পিপলস ফোরামের মুখপাত্র এইচ এম নজরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, আব্দুর রহমান বদি গরিবের বন্ধু হিসেবে অনেকটা পরিচিত। তার জনপ্রিয়তাও রয়েছে। তার উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। তবে শুধুমাত্র ছোট ইয়াবা ব্যবসায়ীই নয়, শীর্ষদের ক্ষেত্রেও তা করতে হবে।

টেকনাফস্থ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আছাদুদ জামান চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘তার এ উদ্যোগকে আমরা পজেটিভলি দেখছি। এভাবে যদি সামাজিক প্রতিরোধ করা যায়, তাহলে ইয়াবা নির্মূল সম্ভব।’

এর আগে, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আগামী ৫ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানান বদি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তুমুল আলোচনা।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে একটি সিএনজির সিটের নিচ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি। টেকনাফের সাবরাংয়ের আলীর ডেইল এলাকা থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন কোটি টাকা বলে জানিয়েছিল বিজিবি।

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে

বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকছেন রফিকুল ইসলাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে পায়ে হেঁটে সুদুর রংপুর থেকে গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন বঙ্গবন্ধুপ্রেমী রফিকুল ইসলাম। জেলায় জেলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও মাজার জিয়ারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নেই তার এ পদযাত্রা।

রফিকুল ইসলাম জানান, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার পর থেকেই তিনি জাতির পিতার ভক্ত। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে থাকেন তিনি। অবশেষে পায়ে হেঁটে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের স্বপ্ন পূরণের জন্য রংপুর জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র নিয়ে গত ১৩ জুন পদযাত্রা শুরু করেন।

রফিকুল ১১ জেলার ২৬টি স্থানে জাতির জনকের ছবি এঁকেছেন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তিনি গোপালগঞ্জে অবস্থান করছেন এবং পরিকিল্পনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকছেন ডিসি অফিস ভবনের দ্বিতীয় তলায়। এরপর তিনি টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করবেন। পরে ৪ আগস্ট গনভবনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপনের মাধ্যমে তার এ পদযাত্রা শেষ করবেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563449760261.gif

রফিকুল ইসলাম পেশায় রিকশাচালক। রংপুর শহরের তাজহাট বাবুপাড়া এলাকায় স্ত্রী রশিদা বেগম, দুই মেয়ে ও তিন ছেলেসহ বাবাকে নিয়ে এক বাড়িতেই তার বসবাস। পরিবার পরিচালনার ভার ছেলেদের হাতে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালবাসা নিয়েই স্বপ্ন পূরণে ঘর থেকে বের হন ৫৯ বছর বয়সী রফিকুল।

মা-বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ায় স্বাধীনতা যুদ্ধে যেতে পারেননি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন রফিকুল। তিনি বলেন, ‘রিকশা চালানোর পাশাপাশি প্রেস শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের দেয়ালে দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করে আসছি। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলো ছড়াতে জেলায় জেলায় ছবি অংকন ও বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের জন্য আমার এ পদযাত্রা।’

গোপালঞ্জ জেলা প্রসাশকের পক্ষে এমডিসি সোভন সরকার জানান, রফিকুল ইসলাম গোপালগঞ্জে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি ডিসি অফিস ভবনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করেছেন।

ব্যাগের ভেতর শিশুর মাথা, গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু

ব্যাগের ভেতর শিশুর মাথা, গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু
গণধোলাইয়ে নিহত যুবক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ব্যাগের ভেতরে পাঁচ-ছয় বছর বয়সের এক শিশুর কাটা মাথা নিয়ে ঘোরাফেরা করার সময় নেত্রকোনায় স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে নিহত হয়েছেন যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা শহরের নিউ টাউন এলাকার পাটগুদাম বড় পুকুরপাড় নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

কাটা মাথার ওই শিশুটি হল- জেলার সদর উপজেলার আমতলা এলাকার রহিছ মিয়ার ছেলে সজীব মিয়া। তবে তারা জেলা শহরের কাটলি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত বলে জানান স্থানীয়রা। 

গণধোলাইয়ে নিহত যুবক জেলাশহরের কাটলি এলাকার এখলাছ উদ্দিনের ছেলে রবিন (২২) পেশায় রিকশাচালক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ব্যাগের ভেতর শিশুর কাটা মাথা নিয়ে রবিন জেলার শহরের হরিজন পল্লী এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে হরিজন পল্লী এলাকার স্থানীয় লোকজন ওই যুবককে ধাওয়া করে। যুবক দৌড়ে পালানোয় তাকে ধাওয়া করে ধরে শহরের নিউটাউন এলাকার পাটগুদাম বড় পুকুর নামক স্থানে গণধোলাই দেয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় ওই যুবক।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) নাজমুল হাসানসহ মডেল থানার পুলিশ।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী বলেন, 'শিশুর কাটা মাথা ও গণধোলাইয়ে নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র