Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থনে সিক্ত সৈয়দ আশরাফ তনয়া রীমা

স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থনে সিক্ত সৈয়দ আশরাফ তনয়া রীমা
আশরাফ কন্যাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার ঢেউ, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কিশোরগঞ্জ
বার্তা২৪.কম



  • Font increase
  • Font Decrease

ভাগ্য সম্ভবত একেই বলে। যিনি কোনো দিন রাজনীতির ত্রিসীমানায় আসেননি, ভাগ্য তাকে প্লাবনের মতো ভাসিয়ে এনেছে রাজনীতির প্রচার স্রোতে। প্রতিদিন প্রতিমুহূর্ত স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থনে সিক্ত হচ্ছেন সৈয়দ আশরাফ তনয়া রীমা। পিতার মতোই তিনিও হয়ে উঠছেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের আওয়ামী রাজনীতির আইকন।

সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুর পর থেকেই পলিটিক্যাল স্পটলাইটের আলো এসে পড়ে তার একমাত্র কন্যা সৈয়দা রীমা রহমানকে ঘিরে। শোক ও সমবেদনার পাশাপাশি রীমাকে সৈয়দ আশরাফের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার রূপে দেখতে চায় কিশোরগঞ্জের মানুষ। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীমার সমর্থনে আশরাফ ভক্তদের অকুণ্ঠ সমর্থন সঞ্চারিত হয়। ফেসবুকের নিউজ ফিড, ওয়াল, পেজ, গ্রুপ ভেসে যায় আশরাফ ও রীমার ছবিতে। সৈয়দা রীমাকে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করার জন্য দাবি জানাতে থাকে হাজার হাজার মানুষ।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে রীমা এক অভূতপূর্ব শিহরণ ও জনসমর্থন জাগানিয়া চরিত্রে আবির্ভূত হয়েছেন। কোনো আগ্রহ প্রকাশ না করে এবং সামান্যতম ক্যাম্পেইন না করেও এমন সমর্থনের প্লাবন সচরাচর দেখা যায় না। প্রকাশ্য বা আকারে-ইঙ্গিতে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ না করেও যে এতো বিপুল জনসমর্থন পাওয়া যায়, তার প্রমাণ সৈয়দ আশরাফ তনয়া রীমা। বিপুল জনপ্রিয় পিতার সকল অর্জন ও সুকীর্তির প্রতিনিধি রূপে জনমানুষ তাকে রাজনীতির মাঠে সম্মিলিত কণ্ঠে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।

ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া, বড় হওয়া এবং সেখানকার এক বহুজাতিক ব্যাংকে উচ্চপদে কর্মরত সৈয়দা রীমা ইসলাম আদৌ বাংলাদেশের রাজনীতিতে এসে অংশ নেবেন কিনা, তা এখনো নিশ্চিত না হলেও সমর্থকরা তার প্রার্থিতার পক্ষে জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রকাশ করেছেন রঙিন পোস্টার ও প্রচারপত্র।

আশরাফ তনয়া রীমা সমর্থকরা বলছেন, 'বাংলাদেশের রাজনীতির সাহসী, স্বচ্ছ ও শুদ্ধ নেতা সৈয়দ আশরাফের একমাত্র বংশধর হিসাবে রীমা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। সৈয়দ আশরাফের রক্ত ও ঐতিহ্যের উত্তরসূরি রীমা। একমাত্র তার পক্ষেই সম্ভব গোপালগঞ্জের পর আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় দুর্গ কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ঐক্য ও শক্তি অটুট রাখা। নচেৎ দলের ঐক্য ও শক্তিতে ফাটল ধরতে পারে।'

ভাগ্যের অনিশ্চিত খেলায় তরুণী রীমা পিতা-মাতার মৃত্যুর পর এতিম হয়েও পেয়েছেন লাখো মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন। রাজনীতি থেকে হাজার মাইল দূরে থেকেও হয়েছেন রাজনীতিক প্রচারণার মধ্যমণি। সে তরুণীকে ভাগ্য শেষ পর্যন্ত কোথায় নিয়ে যায়, তা-ই এখন দেখার বিষয়।

সবার মনেই এখন একটি প্রশ্ন, রীমার ভাগ্যের খেলায় রাজনীতি তাকে কোন ঠিকানায় নিয়ে যাবে? কোন পরিচয়ে তাকে পরিচিত করবে? ব্যাংকার? নাকি রাজনীতিবিদ, জননেতা সৈয়দ আশরাফের রক্ত ও রাজনীতির উত্তরাধিকারী?

আপনার মতামত লিখুন :

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ আটক ৩

কুষ্টিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ আটক ৩
পিস্তল ও মাদকসহ আটক তিনজন (মাঝে), ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুষ্টিয়ায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়া পূর্ব মিলপাড়ার শেখ আয়নাল আলী হেলাল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, চার রাউন্ড গুলি, ৭৭ বোতল ফেনসিডিল, পাঁচশ’ গ্রাম গাঁজাসহ উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-কুষ্টিয়া পূর্বপাড়ার শেখ আয়নাল আলী হেলাল (৫৬), কুমারখালী উপজেলার চড়াইকোল গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪৩) ও কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ মণ্ডলপাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৪)।

কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র