Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
সাতক্ষীরা
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

সাতক্ষীরায় এক মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষক সাজেদুল ইসলামকে আটক করেছে। সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে শহরের তালতলা হাইস্কুল গেটের সম্মুখে এ ঘটনাটি ঘটে।

আটক ধর্ষক সাজেদুল ইসলাম তালতলা গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে।

ধর্ষিতার পিতা আব্দুল লতিফ জানান, তারা ইটভাটায় কাজ করার জন্য প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে বাড়িতে রেখে যায়। প্রতিবন্ধী মেয়েটি বাড়িতে একা ছিল। বাড়িতে কেউ না থাকায় ধর্ষক সাজেদুল ইসলাম তার মেয়েটিকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। মেয়েটিকে ধর্ষণ করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন ধর্ষক। এ সময় মেয়ের চিৎকারে তার পিতাসহ এলাকার লোকজন সাজেদুলের বাড়িতে যেয়ে তার খাটের নিচে থেকে মেয়েটিকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে। এরপর, স্থানীয় লোকের সহায়তায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে সাজেদুল ও তার বাহিনী বাধা দেয় এবং তাদের ব্যাপক মারপিট করেন। তাদের হামলায় প্রতিবন্ধী মেয়েটির পিতাসহ হাকিম, মোবারক ও রোজিনা খাতুন মারাত্মক আহত হন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষককে আটক করেছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াাখালীর সেনবাগে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার পশ্চিমপাড়ার ও দিঘিরপাড়ার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফয়েজ, মামুন, ফিরোজসহ পাঁচজনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির জের ধরে ছাতারপাইয়া পশ্চিমপাড়ার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দিঘিরপাড়ার ফয়েজ নামে এক ছেলেকে মারধর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র