Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

খালের পানির উৎসমুখ বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা

খালের পানির উৎসমুখ বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গোপালগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জে  বিভিন্ন খালে পানির উৎসমুখ বন্ধ হওয়ায় হাজারো কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা নদী বা খালের পানি ব্যবহার করতে পারছেনা।  তাদেরকে বেশী খরচে ভুগর্ভস্থ পানির উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

জানা যায়, গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট মহাসড়কের ৩৫ কিলোমিটার বেড়ি বাঁধ এলাকায় ৮ টি খালের মুখ বালি পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে। এসব খালগুলো শুরু হয়েছে মধুমতি বিলরুট ক্যানেল থেকে। প্রতিটি খালের মুখে অকেজো স্লুইচ গেট ও লকগেট রয়েছে । এসব গেটের মুখ বালি পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে । ফলে পানি বিলে প্রবেশ করতেও পারছেনা, আবার বিলের পানি সময়মত নামতেও পারছেনা। এতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা ব্যাপক বেকাদায় পড়েছেন ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/15/1547545437233.jpg

এলাকাবাসী জানান, অপরিকল্পিতভাবে এসব স্লুইচ গেট ও লকগেটগুলোকে নির্মাণ করা হয়েছে।  ফলে এলাকার খালগুলি বালিতে ভরে যায়। গোপালগঞ্জে বিভিন্ন খালের মুখ বালিতে ভরে যাওয়ায় কৃষকরা খালের পানি সেচের কাজে লাগাতে পারছে না।

এলাকার কৃষকরা জানান, খালের পানির মুখ বন্ধ হওয়ায় আমরা অনেক সমস্যায় আছি। পানির সমস্যা সমাধান করতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/15/1547545458239.jpg

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সমীর কুমার গোস্বামী  বলেন, পানির সমস্যার জন্য কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে । বন্ধ হয়ে যাওয়া খালের বালি সরিয়ে ফেলে খালে পানির প্রবাহ সৃষ্টির ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শফি উদ্দিন জানান, খালের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষি কাজে কৃষকদের অসুবিধা হচ্ছে । প্রতি বছর যাতে  খাল গুলোর মুখ থেকে বালু সরানো হয় বা খালগুলো কেটে সচল করা হয় তার ব্যবস্থা করা হবে ।

আপনার মতামত লিখুন :

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াাখালীর সেনবাগে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার পশ্চিমপাড়ার ও দিঘিরপাড়ার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ফয়েজ, মামুন, ফিরোজসহ পাঁচজনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির জের ধরে ছাতারপাইয়া পশ্চিমপাড়ার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দিঘিরপাড়ার ফয়েজ নামে এক ছেলেকে মারধর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র