Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
যশোর
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের অভয়নগরের সিংগাড়ী গ্রামের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সবুরা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী আব্দুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। একই সাথে এ মামলার অপর দুই আসামি আব্দুল্লাহর পিতা ইঞ্জিল সরদার ও মা খাদিজা বেগমকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ জানুয়ারি) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর (জেলা জজ) বিচারক টিএম মুছা এ রায় দিয়েছেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেছেন বিশেষ পিপি এম ইদ্রিস আলী। মৃত্যুদণ্ড আসামি আব্দুল্লাহ পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ মতে, অভয়নগরের শুকপাড়া গ্রামের শামছুর রহমানের মেয়ে সবুরা বেগমকে ২০০৭ সালের ১৩ এপ্রিল বিয়ে করেন আব্দুল্লাহ। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই ৪০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে নির্যাতন শুরু করেন স্বামী আব্দুল্লাহ। এরমধ্যে সবুরা বেগম অন্তঃসত্ত্বা হন। ২০০৮ সালের ৬ জানুয়ারি আব্দুল্লাহ মা-বাবাসহ স্ত্রীকে সাথে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি যান। এদিন তারা সবুরার পিতা শামছুর রহমানের কাছে যৌতুক বাবদ ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু টাকা না পেয়ে সবুরাকে নিয়ে ফিরে আসেন। বাড়িতে নিয়ে সবুরার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন তারা। একই বছরের ১৫ জানুয়ারি বিকেলে সবুরাকে মারপিট করে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে আগুন দিয়ে বাড়ি থেকে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা দগ্ধ অবস্থায় সবুরা বেগমকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরদিন সবুরা বেগম হাসপাতালে একটি মৃত সন্তান প্রসব করেন। ২৮ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবুরা বেগম মারা যান। এর আগে ২১ জানুয়ারি যৌতুকের জন্য হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ওই তিনজনকে আসামি দিয়ে নিহতের পিতা শামছুর রহমান বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি এম ইদ্রিস আলী।

আপনার মতামত লিখুন :

পঞ্চগড়ে তিস্তায় ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

পঞ্চগড়ে তিস্তায় ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
তিস্তা নদীতে ডুবে মারা যাওয়া দুই শিশু

পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীতে নিখোঁজের প্রায় ৭ ঘণ্টা পর আব্দুল্লাহ (৯) ও শাওন (৬) নামে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলাধীন টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের রামগঞ্জ বিলাসী চিলাহাটিপাড়া এলাকার তিস্তা নদী থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ ওই এলাকার ফারুক হোসেনের ছেলে এবং নিহত অপর শিশু শাওন একই এলাকার আলিউল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে আব্দুল্লাহ ও শাওন খেলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। বিকেলে তারা দুজন বাড়িতে না ফিরলে উভয়ের পরিবার তাদের খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পার্শ্ববর্তী তিস্তা নদীর পাড়ে তাদের কাপড় দেখতে পায়।

স্থানীয়রা নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি করে দুই শিশুকে না পেয়ে ডোমার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা খোঁজাখুজির পর রাত সোয়া ১২টায় আব্দুল্লাহ ও শাওনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হাসান সরকার বার্তাটয়েন্টিফোর.কমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আটক

চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আটক
রফিকুল ইসলাম ববি

চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ববিকে আটক করেছে বিজিবি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সীপুর বিজিবির ক্যাম্পের সামনে থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।

আটক রফিকুল ইসলাম ববি উপজেলার দর্শনা পৌর শহরের কেরুজ ফুলতলা মহল্লার আব্দুল খালেকের ছেলে।

দামুড়হুদা থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে মুন্সীপুর বিজিবির ক্যাম্পের নায়েক জুলহাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ববির মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তার দেহ তল্লাশি করেন। এ সময় তার কাছে ২০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে দামুড়হুদা থানায় রাতে একটি মামলা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র