Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ভবন ধসে নিহত ১

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ভবন ধসে নিহত ১
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ভবন ধসে নিহত ১, আটকা পড়েছে কয়েকজন। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
কুষ্টিয়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের নির্মাণাধীন ভবন ধসে বজলু নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৫ শ্রমিক।

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি নির্মাণাধীন ভবনে এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকরা ওই সময় ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিল।

নিহত বজলু কুমারখালী উপজেলার চড়াইকোল এলাকার ভাদু প্রমাণিকের ছেলে এবং রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন তিনি।

জানা গেছে, ভবনে ত্রুটি থাকার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। আহত ৫ শ্রমিককে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে সেই ধসে যাওয়া ভবনে আরও কয়েকজন শ্রমিক আটকা পড়েছে। তাদের উদ্ধারে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার আলী সাজ্জাদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ইতোমধ্যে এ ঘটনায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

কুষ্টিয়া ও এর আশপাশের জেলার মানুষের অন্তত ২০ বছর পরের চাহিদা মাথায় রেখে একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের। ২০১৫ সালের মে মাসে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

আবারো ধরলা-তিস্তার পানি বেড়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আবারো ধরলা-তিস্তার পানি বেড়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুড়িগ্রামে কয়েকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আবারো ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ দুই নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563872473762.jpg

অপরদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে এখনো বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করলেও বাড়ি ফিরতে পারছে না বানভাসিরা। কারণ তাদের ঘর-বাড়ি থেকে এখনো পানি নেমে যায়নি। এখনো তলিয়ে আছে চিলমারী উপজেলা শহরের বিভিন্ন অফিস, ঘরবাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563872491385.jpg

গত দুই সপ্তাহের বন্যায় মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুর খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত নানা রোগ-ব্যাধি।

এদিকে সরকারি-বেসরকারি ত্রাণের পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে চিলমারী ও উলিপুর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন দলটির যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মা. জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে কামরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়িয়া গ্রামের আবুল হোসেন ডিলারের ছেলে।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আনোয়ার পারভেজ লিমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯৮ সালে কামরুল ইসলামের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার দিয়ারধানগড়া মহল্লার আব্দুল আজিজের মেয়ে মুন্নী
খাতুনের (৩২) বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দুই লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে আব্দুল আজিজ আরো যৌতুকের জন্য মুন্নীকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন। এরই জের ধরে ২০১২ সালের ১২ জুলাই তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা এনে দিতে রাজি না হওয়ায় ওই দিন মুন্নীকে মারপিট করে গলা টিপে হত্যা করেন কামরুল। এ ঘটনায় মুন্নীর বড় বোন পারুল বেগম বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এ রায় দেন আদালত।

মামলার বাদী পারুল এ রায়ের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসামির দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র