Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিপিএলে ৭ ম্যাচের আনন্দে মাতবে নীলফামারী

বিপিএলে ৭ ম্যাচের আনন্দে মাতবে নীলফামারী
নীলফামারী শেখ কামাল স্টেডিয়াম, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নীলফামারী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আয়োজনে ঘরোয়া ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) সাতটি ম্যাচ।

আগামী ২৩ জানুয়ারি নীলফামারীতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে প্রিমিয়ার ফুটবল লীগের খেলা। নীলফামারীতে প্রথম খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গতবারের লীগ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী লিমিটেড বনাম বাংলাদেশের ফুটবলে নবাগত শক্তি ও স্বাধীনতা কাপের চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস।

সূত্রমতে, বিপিএল ফুটবলে ক্লাবগুলো হোম গ্রাউন্ড বাছাইয়ের সুযোগ পায়। এ কারণে নীলফামারীর এই স্টেডিয়ামকে বেছে নেয় বসুন্ধরা কিংস।

হোম ভেন্যু হিসেবে নীলফামারীতে বসুন্ধরা কিংস ঢাকা আবাহনী ছাড়াও মুখোমুখি হবে আরও ৬টি ক্লাবের সঙ্গে। ৩০ জানুয়ারি নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব, ১৪ ফেব্রুয়ারি রহমতগঞ্জ এমএফএস, ২৪ ফেব্রুয়ারি আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, ৫ মার্চ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিঃ, ১১ এপ্রিল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম আবাহনী লিঃ-এর বিপক্ষে খেলবে ‘দ্য কিংস’ খ্যাত বসুন্ধরা।

প্রতিটি ক্লাবে দেশি-বিদেশি সেরা খেলোয়াড়সহ তারকা খেলোয়াড়রা খেলবেন বলে জানা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/18/1547786593472.gif

আগামী ২৩ জানুয়ারি নীলফামারীতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) খেলা অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় নীলফামারী জেলার মানুষের মধ্যে আনন্দের আমেজ বইছে।

বিপিএল পর্যায়ের প্রথম ভেন্যু হলেও গত বছরের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার জাতীয় ফুটবল দলের প্রীতি ম্যাচের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক হিসেবে এ  শেখ কামাল স্টেডিয়ামের অভিষেক হয়েছিল।

পরে সেখানে খেলেছে দেশি-বিদেশি পর্যায়ের একাধিক ফুটবল দল। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের নিউ রেডিয়্যান্ট ক্লাবও খেলেছে এই মাঠে। এমনকি এই মাঠে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফিফার তারকারাও খেলেছে।

এই দুই দফায় আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে জনসাধারণের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

বিপিএল সামনে রেখে ২২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়ামকে সাজাতে নানা রং ব্যবহার করা হয়েছে গ্যালারিতে। সেই সঙ্গে কর্মীরা ব্যস্ত মাঠ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়।

জনসাধারণের জন্য থাকছে এই ৭টি ম্যাচ উপভোগের টিকেটের ব্যবস্থা। সাধারণ গ্যালারীতে ৩০ (ত্রিশ) টাকা ও ভিআইপি গ্যালারী ৫০০ (পাঁচশত) টাকায় বিনিময়ে উপভোগ করা যাবে এক একটি ম্যাচ৷

শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) শুরু হওয়া বাফুফে'র ঘরোয়া প্রফেশনাল ফুটবল লীগের শীর্ষ আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) দেশের ছয়টি ভেন্যুতে লীগটি আয়োজন করা হয়।

ছয়টি ভেন্যুর মধ্যে রয়েছে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম, ময়মনসিংহ স্টেডিয়াম, নোয়াখালী স্টেডিয়াম, গোপালগঞ্জ স্টেডিয়াম ও নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়াম।

আপনার মতামত লিখুন :

বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট, খুশির চেয়ে দুশ্চিন্তা বেশি

বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট, খুশির চেয়ে দুশ্চিন্তা বেশি
হাজীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৩৫ সালে স্থাপিত হয়। ২০১৯ সালে এই বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট করা হয়। তবে স্কুল আর এই মাঠের মাঝখান দিয়ে এখন উপজেলার ৯নং ও ১০নং গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের প্রধান সড়ক চলে গেছে।

সরেজমিনে রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন মাঠে খেলাধুলা করছে। আবার কেউ ছোটাছুটি করছে। ছোটাছুটি করতে করতে কেউ কেউ মাঠ পার হয়ে সড়কের উপরে উঠে যাচ্ছে। সড়কটিতে দৈনিক শতাধিক অটোচালিত সিএনজি, ট্রাক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলছে। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাই মাঠ ভরাট করায় খুশির চেয়ে দুশ্চিন্তা যেন বেশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566742336561.jpg

জানা গেছে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শতাধিক। শিক্ষক রয়েছেন ৮ জন।

ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাছান ও উম্মে হাবিবা বলে, ‘আমরা নতুন মাঠ পেয়ে খুশি। মাঠে আমরা ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা খেলি। তবে সড়ক পার হয়ে মাঠে যেতে হয়। আমাদের সহপাঠীরা মাঝে মাঝে সিএনজির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে আহত হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566742354104.jpg

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ ও সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ কামাল হোসাইন জানান, ৮৪ বছর পর বিদ্যালয়ে মাঠ হয়েছে। আর মাঠ ভরাট হয়েছে একমাস হলো। এরই মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী সিএনজির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে আহত হয়েছে। এখন মাঠের পশ্চিম পাশ দিয়ে সড়কটি নেয়া প্রয়োজন। আর বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর থাকলে তারা ঝুঁকিমুক্ত থাকবেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাছরিন সুলতানা জানান, বিদ্যালয়ে মাঠ হয়েছে। এখন একটি ভবনও প্রয়োজন। সড়কটি পরিবর্তন হলে নতুন ভবন করতে সুবিধা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার

তাড়াশে বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ ইউপি সদস্যসহ ৩ পরিবার
ঘরের সামনে বাঁশ দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বসতবাড়ির প্রবেশ পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে তিন পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২ দিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের চরপাড়ার সদের আলীর ছেলে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তার দুই ভাই ইদ্রিস আলী ও আবু বক্করের ৩ পরিবারের ১৭ জন সদস্য।

ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, ‘একই গ্রামের আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তানরা প্রভাব খাটিয়ে ঘরের প্রবেশ পথে বাঁশেরবেড়া দিয়ে রাখায় পরিবারের সদস্যদের কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। বাচ্চারা স্কুলেও যেতে পারছে না। বিষয়টি সমাধান চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

সরেজমিনে রোববার (২৫ আগস্ট) উপজেলার দেবীপুর গ্রামের চরপাড়া গিয়ে দেখা যায়, বসতবাড়ির পথে বাঁশের বেড়া ও কাটা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেকসহ তিনটি পরিবারকে। খোঁজখবর নিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উভয়পক্ষের মাঝে বাড়ির জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এমন কী জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। তবে প্রভাব দেখিয়ে গ্রামের প্রধান বা কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘরের সামনে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে পরিবারগুলোকে।

বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধের কারণ জানতে চাইলে আফজাল হোসেনের স্ত্রী ময়না ও তার সন্তান মকুল হোসেন বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি বেড়া দিয়েছি। যা লেখার লেখেন। আমাদের অনেক বড় নেতা আছে। কিছুই করতে পারবেন না।’

তবে নওগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু বলেন, ‘তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা অমানবিক ও বেআইনি। ইউএনও স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি।’

তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র