Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ায় বন্ধের পথে হিজড়াদের একমাত্র স্কুল

বগুড়ায় বন্ধের পথে হিজড়াদের একমাত্র স্কুল
বগুড়ায় বন্ধের পথে হিজড়াদের একমাত্র স্কুল। ছবি: বার্তা২৪.কম
গনেশ দাস
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিজড়া সম্প্রদায়ের একমাত্র স্কুলটি অর্থের অভাবে বন্ধের পথে। সপ্তাহে দুইদিন করে হিজড়াদের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় স্কুলটিতে। কিন্তু শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর জন্য নেই বইখাতা, কোনো শিক্ষা উপকরণ। এমনকি ওই স্কুলের কোনো নামও দেয়া হয়নি।

শিক্ষক হিসেবে যিনি আছেন তিনি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হলেও সম্মানী ভাতা পান না মাসের পর মাস। এ কারণে শিক্ষকের আগ্রহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী উপস্থিতিও কমে যাচ্ছে দিন দিন।

জানা গেছে, ২০১৫ সালে তৃতীয় লিঙ্গের নেত্রী সুমি হিজড়া তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বগুড়া শহরের কামারগাড়ি (হাড্ডি পট্টি) এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় হিজড়াদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল গড়ে তোলেন। সেখানেই হিজড়াদের অক্ষর জ্ঞান দেয়ার কাজ শুরু করেন সুমি হিজড়া নিজেই। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই স্কুল বেশি দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। বন্ধ হয়ে যায় একসময়।

তবে সমাজসেবা অধিদপ্তর হিজড়াদের নিয়ে কাজ শুরু করলে ২০১৮ সালে ওই স্কুলটি ফের চালু হয়। তখন শিক্ষার্থী উপস্থিতি এবং শিক্ষার আগ্রহ বাড়াতে তাদের উপবৃত্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়। এছাড়াও হিজড়াদের সংগঠন বলাকা মানব উন্নয়ন সংস্থাকে নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকেই এই সংগঠনের মাধ্যমে সুদ মুক্ত ঋণ সহযোগিতা দিয়ে হিজড়াদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা করে আসছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

শহরের কামারগাড়ি এলাকায় একটি টিনের ছাপরা ঘরে চলে আসছে হিজড়াদের ওই স্কুলের কার্যক্রম। সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার সন্ধ্যার পর চলে স্কুলের কার্যক্রম।

শনিবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। স্কুলে আসা মালা, শেফালী ও রত্না হিজড়া জানান, তারা এক বছর যাবৎ স্কুলে লেখাপড়া করলেও তাদের কোনো বই খাতা দেয়া হয়নি। হিজড়াদের মধ্যেই শিক্ষিত একজন তাদেরকে নাম-ঠিকানা লেখা শিখিয়েছে। এছাড়াও তাদেরকে অক্ষর জ্ঞান দেয়া হয়। বই খাতা পেলে বাসায় অবসর সময়ে আরও লেখাপড়া করতে পারবেন।

তারা বলেন, ‘এমনিতেই আমরা সমাজে অবহেলিত। আমাদেরকে কেউ কাজে নিতে চায় না, বাসা ভাড়া দিতে চায় না। পরিবারও আমাদেরকে বোঝা হিসেবে মনে করে।’

হিজড়াদের নেত্রী ও বলাকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি সুমি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নিজের টাকায় রেলওয়ে থেকে জায়গা লিজ নিয়ে স্কুল ঘর তৈরি করেছি। সমাজসেবা থেকে বছরে একেক জনকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা করে উপবৃত্তি দেয়া হয়। এই টাকায় হিজড়ারা চলতে পারে না।’

তিনি জানান, সমাজে অবহেলিত হিজড়ারা কাজ চায়। কাজের পাশাপাশি শিক্ষা প্রয়োজন। আর এ কারণেই নিজ উদ্যোগে স্কুল গড়ে তোলা হয়েছে। শুরুতে স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল ১৪৭ জন। এখন রয়েছে ৯১ জন। তাও আবার উপবৃত্তি দেয়ার কারণে তাদেরকে ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু সরকারি বেসরকারি ভাবে কেউ স্কুলের উন্নয়নে কোনো সহযোগিতা করে না। ফলে স্কুলের কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। এখন এটি অর্থের অভাবে বন্ধের পথে।

হিজড়াদের স্কুলের শিক্ষক নাসিরুজ্জামান খান তপু নিজেও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। লাইট হাউজ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় তিনি হিজড়াদের নিয়ে কাজ করেন। বার্তা২৪.কমকে খান তপু জানান, লাইট হাউজের হিসেব অনুযায়ী বগুড়া জেলায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ রয়েছে ৭২৫ জন।

তিনি জানান, হিজড়াদের স্কুলে বই-খাতা, কলম এমনকি কোনো শিক্ষা উপকরণ দিয়ে কেউ সহযোগিতা করে না। তারপরেও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীরা এখন নিজের নাম ঠিকানা লিখতে পারে। বাংলার প্রত্যেকটি অক্ষর চিনতে পারে। এছাড়াও যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ দিয়ে ছোটখাট অংক করতে পারে।

বগুড়া শহরের সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম লিটন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নীতিমালার মধ্যে থেকে আমরা হিজড়াদের সাধ্যমতো সহযোগিতা করে থাকি। তাদের স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে। তাদের সংগঠনকে নিবন্ধন ভুক্ত করে সুদ মুক্ত ঋণ দেয়া হচ্ছে। তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে আরও উদ্যোগ নেয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

৬ বছরেও হয়নি জমা খারিজ: তদন্তে স্থানীয় সরকার পরিচালক

৬ বছরেও হয়নি জমা খারিজ: তদন্তে স্থানীয় সরকার পরিচালক
জেলা প্রশাসক কার্যালয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরমনসা গ্রামে এ এইচ এগ্রো পার্ক লিমিটেডের ২ একর সাড়ে পঞ্চান্ন শতাংশ জমির নামজারি ও জমা খারিজের জন্য ৬ বছর আগে আবেদন করা হয়। কিন্তু ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় এটি আটকে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এডভোকেট মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। সম্প্রতি দ্বিতীয়বার একই আবেদন করেও কোনো সুফল আসেনি।

কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে হয়রানির ঘটনায় মনিরুল ইসলাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক, এনডিসি, আরডিসি, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগটি স্থানীয় সরকারের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালককে তদন্তের জন্য বলা হয়। এর প্রেক্ষিতে বুধবার (২১ আগস্ট) স্থানীয় সরকারের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী লক্ষ্মীপুরে তদন্তে আসেন। তিনি সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অভিযোগকারী, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন। এসময় তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে লিখিত বক্তব্য নেন।

তদন্তের বিষয়ে জানতে স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তীকে বিকেলে ফোন করলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রণালয়ে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামে এ এইচ এগ্রো পার্ক লিমিটেড নামের একটি কৃষি ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে ২০১২ সালের ২৯ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির ২ একর সাড়ে পঞ্চান্ন শতাংশ জমির নামজারী ও জমা খারিজ করার জন্য আবেদন করা হয়। তখন কাজটি করতে জেলা প্রশাসকের তহবিলের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন উচ্চমান সহকারী আবদুল জলিল। টাকা না দেয়ায় নামজারি ও জমা খারিজের বিষয়টি নিয়ে আরডিসি, এনডিসি, জেলা প্রশাসক ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করতে থাকেন কোম্পানির প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম। এরপরও ৬ বছরেও তা সম্ভব হয়নি।

সবশেষ চলতি বছরের ২১ মার্চ নামজারিও জমা খারিজের জন্য পুনরায় জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পালের কাছে আবেদন করা হয়। কিন্তু প্রায় ৫ মাস হয়ে গেলেও তা সম্পন্ন হয়নি। কারণ জানতে ফোন করা হলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে অশোচনীয় আচরণ করেন ডিসি। এনিয়ে ওই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে ভুক্তভোগীর হয়রানির তদন্তের খবর পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন সংবাদকর্মী দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ডিসির কার্যালয়ে জড়ো হয়। এসময় ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল উপস্থিত সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। আমার বিরুদ্ধে কেন নিউজ করবেন? আপনারা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করতে পারবেন না। আমার বিরুদ্ধে তদন্ত আসলে সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তদন্ত আসলেই যে আপনাদের নিউজ করতে হবে, তার কোন মানে নেই’।

ভূমি সেবায় আসছে ই-পেমেন্ট গেটওয়ে

ভূমি সেবায় আসছে ই-পেমেন্ট গেটওয়ে
বক্তব্য রাখছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরি ভূমি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরণের লেনদেনের জন্য ই-পেমেন্ট গেটওয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ভূমি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরণের লেনদেনের জন্য ই-পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপনের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হলে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ ভূমি সেবায় একটি নতুন দিগন্ত শুরু হবে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এটুআই'র সহযোগিতায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত ঢাকা বিভাগীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিন দিনব্যাপী ‘ই-নামজারি সঞ্জীবনী কর্মশালা' এর দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এসব কথা বলেন।

উপস্থিত কর্মকর্তাদের ভূমিমন্ত্রী সরকারি জমি উদ্ধারে আরও তৎপর হবার নির্দেশ প্রদান করেন। সরকারি জমির অবৈধ দখলকে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে বিচার করার আইন প্রস্তুত করার কাজও চলছে বলে মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতির কারণে আমরা আমাদের যথার্থ জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে একসাথে কাজ করে যেতে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান। নিজ উদ্যোগে যেসব কর্মকর্তা ভূমি সেবা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন মন্ত্রী তাঁদের প্রশংসা করেন এবং অন্যদেরও এমন করতে উৎসাহ প্রদান করেন।

কর্মশালায় জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব),উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কানুনগো, সার্ভেয়ার, অফিস সহকারী, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করছেন। আজ বুধবার কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলার কর্মরতগণ।

এর আগে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন পর্যায়ের তিনজন কর্মকর্তা তাদের বক্তব্যে নিজ অভিজ্ঞতা ও ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারী এর সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সেলিম রেজা, স্থানীয় সরকার পরিচালক এম ইদ্রিস সিদ্দিকী এবং এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক ডঃ মোঃ আব্দুল মান্নান।

মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে যে সকল সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ সম্পদ ব্যক্তির সাথে আলোচনা এবং পরামর্শ গ্রহণ করা এবং সেইসাথে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান বের করার চেষ্টা করাই সঞ্জীবনী কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য। ‘ই-নামজারি’ অ্যাপ্লিকেশনটি মূলত ‘জমি’ নামক জাতীয় ভূমি-তথ্য ও সেবা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের (www.land.gov.bd) একটি অংশ।

উল্লেখ্য, পেমেন্ট গেটওয়ে লেনদেনকে নির্ভরযোগ্য করে তোলার জন্য কার্যকর ও সুরক্ষিত একটি প্ল্যাটফর্ম।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র