Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

রূপগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ৩২

রূপগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ৩২
কারখানার প্রধান ফটকের সামনে শ্রমিক পুলিশের অবস্থান / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নারায়ণগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা না দিয়ে বিনা নোটিশে একটি কারখানা বন্ধ করে দেওয়ায় বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। এতে পুলিশ বাধা দিলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রুপ নেয়। এ ঘটনায় চার পুলিশসহ আন্তত ৩২ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) উত্তেজিত শ্রমিকরা কারখানার সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

শ্রমিকরা জানান, উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা এলাকায় অবস্থিত অন্তিম নিটিং ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং কারখানার বিভিন্ন সেকশনে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। প্রত্যেক মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সব সেকশনের বেতন-ভাতা পরিশোধ করার কথা থাকলেও ডিসেম্বর মাসের বেতন চলতি মাসের ১০ তারিখে পরিশোধ না করে গড়িমসি শুরু করে মালিকপক্ষ। পরে চলতি মাসের ১৬ তারিখে বেতন পরিশোধ করে দেওয়ার কথা বলে শ্রমিকদের কোন কিছু না জানিয়ে ২৩ জানুয়ারি (বুধবার) পর্যন্ত কারখানা ছুটি ঘোষণা করে। ২৪ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বেতন পরিশোধ করা হবে উল্লেখ্য করে কারখানার দেয়ালে নোটিশ লাগিয়ে গেইটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

তারা আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টারদিকে শ্রমিকরা কারখানার সামনে এসে দেখে আগামী ৩১ জানুয়ারি বেতন ভাতা পরিশোধ করা হবে এবং ওইদিন পর্যন্ত কারখান বন্ধ থাকবে উল্লেখ করে দেয়ালে আবারও নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। এমনকি কারখানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় কারখানার শ্রমিকরা প্রতিষ্ঠানের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/24/1548333007850.jpg

পুলিশ বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। কয়েকটি যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর করে তারা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ও লাঠিচার্জ শুরু করলে শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩২ জন আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যার কারণে বেতন-ভাতা দিতে একটু দেরি হচ্ছে। তবে আগামী ৩১ জানুয়ারি সকল বকেয়া বেতন পরিশোধ করে কারখানা পুনরায় চালু করা হবে।‘

নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের এসপি জাহিদুল ইসলাম জানান, অন্তিম কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।

তিনি আরও জানান, পুলিশের চার সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি, ৬ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র