Barta24

সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বগুড়ায় বাস-কাভার্ডভ্যান সংর্ঘষ, হেলপার নিহত

বগুড়ায় বাস-কাভার্ডভ্যান সংর্ঘষ, হেলপার নিহত
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় বাস কাভার্ড ভ্যান সংর্ঘষে একজন নিহত এবং কমপক্ষে আরো পাচঁজন আহত হয়েছে।

রোববার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকিরঘাট এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইসমাইল হোসেন (৩৩) দুর্ঘটনা কবলিত কার্ভাড ভ্যানের হেলপার। তিনি টাঙ্গাইল জেলা কালিহাতি উপজেলার পাচ ডোহাইর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস রংপুর যাচ্ছিল। পথিমধ্যে চৌকিরঘাট এলাকায় কাভার্ড ভ্যানটি অপর একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে শ্যামলী পরিবহনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কাভার্ড ভ্যানের হেলপার মারা যায়। এতে চালকসহ বাসের কমপক্ষে পাঁচ জন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।

গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতারুজ্জামান বার্তা২৪.কমকে জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও কাভার্ড ভ্যান হাইওয়ে পুলিশ আটক করেছে। বাসের চালক-হেলাপার পলাতক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা: নিহত ১০

সিরাজগঞ্জে বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা: নিহত ১০
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় বরবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা লাগার ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছেন । এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সিরাজগঞ্জ শহরের কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে রাজন (২৫), উল্লাপাড়া পৌর শহরের এনায়েতপুর গুচ্ছ গ্রামের আব্দুল গফুর সেখের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (১৯), সয়াধানগড়ার সুরুজ শেখের ছেলে সবুজ (২১), রামগাতী গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে আব্দুস সামাদ (৫৫) ও তার ছেলে শাকিল হোসেন (২১), সয়াগোবিন্দ মিলন মোড় এলাকার মৃত একরামুলের ছেলে মাইক্রোবাসের চালক স্বাধীন (৪০) ও দিয়ারধানগড়া আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফ (২৬), কালিয়া হরিপুর চুনিয়াহাটির মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা শেখ (৫৫) । বাকি ২ জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আহতরা হলেন- নাদেম তালুকদার (১৮), বায়েজিদ (১৮), নীরব তালুকদার (১৪), সুমন (২৭), নাজমুল আহসান (২৫) ও ইমরান (২০)।

আহতদের সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর ট্রেনটি প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকা পড়ে থাকে।

উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ জানান, বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস উল্লাপাড়া থেকে বেতকান্দি যাবার পথে ওই এলাকায় রেলক্রসিং পার হবার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। প্রায় ২০০ গজ দূরে গিয়ে ট্রেনটি থামার পর মাইক্রোবাস থেকে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার ‍দিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপে একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয় পদ্মা এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন। এতে মাইক্রোবাসের ১০ জন নিহত হওয়ার খবর জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেছে। উদ্ধার কাজ চলছে। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

সাজাপ্রাপ্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতার ১৭ বছর পর আত্মসমর্পণ

সাজাপ্রাপ্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতার ১৭ বছর পর আত্মসমর্পণ
ছবি: সংগৃহীত

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাইদুল আলম লাভলু ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। ২০০০ সালে তিনি তৎকালীন ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে তিনি ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু হান্নানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাকে জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ফেনীতে একজনকে খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০০২ সালের ৩০ জুন ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মাইদুল আলম লাভলুর যাবজ্জীবন সাজা হয়। তখন তিনি পলাতক ছিলেন।

এছাড়া তিনি সোমবার আরও একটি দণ্ডপ্রাপ্ত মামলায় ফেনীর যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ১৯৯৬ সালের ৮ জুলাই তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মাসুদকে অপহরণ করে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় তার বাবা আবদুল খালেক ভূঁঞা ফেনী থানায় মামলা করেন।

২০০৬ সালের ১৭ জানুয়ারি ওই মামলায় রায় প্রদান করা হয়। এতে আসামি মাইদুল আলম লাভলুকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত।

সোমবার তিনি ফেনীর যুগ্ম জেলা জজ (১ম আদালত) ফরিদা ইয়াসমিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেয়।

পৃথক মামলায় যাবজ্জীবন এবং পাঁচ বছর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আদালতে আত্মসমর্পণ ও কারাগারে প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী এম. শাহজাহান সাজু।

উল্লেখ্য, মাইদুল আলম লাভলু ২০০০ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে কানাডায় পাড়ি দেন। ১৯ বছর প্রবাসে কাটিয়ে কয়েক দিন আগে দেশে ফিরেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র