Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

কসবায় ঐতিহ্যবাহী পিঠা মেলা

কসবায় ঐতিহ্যবাহী পিঠা মেলা
কসবায় ঐতিহ্যবাহী পিঠা মেলা। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রাম বাংলার চিরায়ত নিয়ম অনুযায়ী পুরানো দিনের হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রতি বছরের মতো এবারো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পিঠা মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের আলহাজ্ব শাহ আলম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চত্বরে এ পিঠা মেলার আয়োজন করা হয়। পিঠা মেলা উদ্বোধন করেন কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওছার ভূঁইয়া জীবন।

আলহাজ্ব শাহ আলম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ আকরাম খানের সভাপতিত্বে মেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাসান আজাদ বাদল, এমজি হাক্কানী, কসবা পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, এস এম মান্নান জাহাঙ্গীর, আমজাদ হোসেন হিরণ, কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মনির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন রিমন প্রমুখ।

মেলায় ৩০টি পিঠা স্টল অংশগ্রহণ করে। পিঠা মেলায় অংশগ্রহণকারী ৩টি স্টলকে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। মেলায় দর্শকদের প্রচুর ভিড় দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত

মহেশপুরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী নিহত
আটক স্বামী আব্দুল কুদ্দুস, ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামে স্ত্রী ফিরোজা খাতুনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ স্বামীকে আটক করেছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাতে সেজিয়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মহেশপুর থানার ওসি রাশিদুল আলম জানান, শনিবার মধ্যরাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ফিরোজাকে কুপিয়ে হত্যা করে আব্দুল কুদ্দুস। পরে সকালে নিজেই প্রতিবেশীদের খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী। সে প্রায় নেশা করতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ

দেশে আনা হলো কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ
বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভারতের কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া ও মাঈনুল আলমের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টায় ভারতের পেট্রাপোল ও বাংলাদেশের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ দুটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার চান্দুর গ্রামের মুন্সি আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বাবা মায়ের দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। তার মৃতদেহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই আবু ওবায়দা শাফিন। ফারজানা ইসলাম তানিয়া সিটি ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে রাজধানীর ধানমণ্ডি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

অপরদিকে মাঈনুল আলম ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতি গ্রামের কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি গ্রামীণ ফোনের এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার মৃতেদহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই জিহাদ আলী।

নিহতদের স্বজনরা জানান, চিকিৎসার উদ্দেশে তারা গত ১৪ আগস্ট কলকাতায় যান। পরে ১৬ আগস্ট ফারজানা, মাঈনুল ও তাদের এক সহকর্মী শফিউল্লাহ সহ তারা তিন জন কলকাতার সেক্সপিয়র সরণিতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566099097478.jpg
কলকাতায় নিহত মাঈনুল আলম ও ফারজানা ইসলাম তানিয়া/ ছবি: সংগৃহীত

 

এ সময় দুই দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা দুটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি প্রাইভেট কার উল্টে তাদের গায়ের ওপর এসে পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন ফারজানা, মাঈনুল। আহত হন অপরজন শফি উল্লাহ।

শফি উল্লাহ জানান, কপালের জোরে তিনি বেঁচে গেছেন। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এমন ঘটনার জন্য তিনি ভারত সরকারের কাছে বিচার দাবি করেন।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মৃতদেহ দুটির কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে তাদের পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, মৃতদেহ দুটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছালে তা দেখতে শত শত মানুষের ভিড় জমে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র