Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে জামাই খুন

স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে জামাই খুন
প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার নন্দীগ্রামে শ্বশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে আনতে গিয়ে সৎ ছেলের লাঠির আঘাতে  আরব আলী (৪৫) নামের এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন। নিহত আরব আলী নন্দীগ্রাম উপজেলার বিজরুল গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। শনিবার বিকেলে বিজরুল গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে সৎ ছেলে ময়নুলের লাঠির আঘাতে তিনি আহত হন।

স্থানীয়রা জানান, আরব আলী দেড়বছর আগে একই গ্রামের মর্জিনাকে বিয়ে করেন। আরব আলী মর্জিনার ৩য় স্বামী। ১৫ দিন আগে মর্জিনা স্বামীকে না জানিয়ে শেরপুর চলে যায় এবং সেখানে বসবাস করতে থাকে।

শনিবার মর্জিনা বিজরুল গ্রামে তার মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এ খবর পেয়ে আরব আলী স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি গেলে মর্জিনা জানায়, সে স্বামী তালাক করে শেরপুরে চতুর্থ বিয়ে করেছে। কিন্তু আরব আলী স্বামী তালাকের কোন চিঠি না পাওয়ায় মর্জিনাকে স্ত্রী দাবী করে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য টানা হেচড়া শুরু করে। এর সময় মর্জিনার আরেক পক্ষের ছেলে ময়নুল (১৫) তার মাকে উদ্ধার করার জন্য আরব আলীর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন আরব আলীকে উদ্ধার শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ১০ টার দিকে তিনি মারা যান।

নন্দীগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মনোয়ার হোসেন বার্তা২৪.কম-কে জানান, ঘটনার পর থেকেই মর্জিনা তার মা জরিনা ও ছেলে ময়নুল পলাতক রয়েছে। নিহতের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।                           

আপনার মতামত লিখুন :

পেকুয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত

পেকুয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু নিহত
কক্সবাজার, ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের পেকুয়ায় র‍্যাবের সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধে কামাল হোসেন বাদশা (৩৩) নামের এক জলদস্যু নিহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভোররাতে পেকুয়ার মগনামাঘাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাদশা চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কচুয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। বাদশা দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগরের বাঁশখালী চ্যানেল দিয়ে জলদস্যু বাহিনী পরিচালনা করে আসছিল।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইন কমান্ডার আজিম আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে
রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমারের দেয়া প্রত্যাবাসনের তালিকায় যে সব রোহিঙ্গার নাম রয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই শুরু হবে প্রথমবারের মতো মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে কক্সবাজার টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে এ মতামত নেয়া শুরু হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, মূলত মিয়ানমার যাদের নাম দিয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের সূচনা হবে কী হবে না। মতামত নেয়ার কাজ করছে ইউএনএইচসিআর ও আরআরআরসি’র প্রতিনিধিরা। রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের পৃথকভাবে মতামত নেয়া হচ্ছে।

টেকনাফের জাদিমোরা শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জ অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৩১০ জনের পর্যায়ক্রমে মতামত নেওয়া হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যদি স্ব-ইচ্ছে যেতে রাজি হয় তাহলে আমরা চূড়ান্ত প্রত্যাবাস প্রক্রিয়া শুরু করব। তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না আমরা। তাই তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র