Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ার ৮টি উপজেলায় আ’লীগের নুতন মুখ

বগুড়ার ৮টি উপজেলায় আ’লীগের নুতন মুখ
আওয়ামী লীগের মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে ঘোষিত প্রার্থীর তালিকায় আটটিতে নুতন মুখ এবং চারটিতে পুরনোরাই রয়েছেন।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় ধাপে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দলীয়কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাসের পাশাপাশি হতাশা ও চাপা ক্ষোভ দেখা গেছে। তবে বঞ্চিতরা এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না।

আগামী ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী অনেকেই বেশ কিছুদিন প্রচার প্রচারাণা চালিয়ে আসছিলেন। অনেকেই আবার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগেই জেলা পরিষদ সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

বগুড়ার ১২টি উপজেলায় মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলায় শাঁখারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শফিক, সারিয়াকান্দিতে সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মুনজিল আলী সরকার, সোনাতলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং বগুড়া জেলা পরিষদের সদস্য মিনহাদুজ্জামান লিটন, শেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু, আদমদীঘিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, শিবগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক, ধুনটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন, গাবতলীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ আযম খান, দুপচাঁচিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, কাহালুতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, নন্দীগ্রামে যুবলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, শাজাহানপুরে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন ছান্নু।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘কেন্দ্রের নির্দেশে একক প্রার্থীর তালিকা পাঠানো হয়েছিল। তারপরেও কেন্দ্র থেকে কিছু পরিবর্তন এনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে জেলা থেকে পাঠানো তালিকায় মাত্র তিনজন বাদ পড়েছেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে চলছে প্রস্তুতি!
প্রত্যাবাসন ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছে শ্রমিকরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অবশেষে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া অল্প সংখ্যক রোহিঙ্গাকে তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মিয়ানমার। তাই মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে কক্সবাজারের টেকনাফের কেরুণতলী প্রত্যাবাসন ঘাট ও নয়াপাড়া শালবন রোহিঙ্গা শিবিরে চলছে প্রস্তুতি।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আগামী ২২ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত যাবে তিন হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গার একটি দল। মিয়ানমার সরকারের এমন ঘোষণা দেয়ার পর এ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566085892098.jpg

শনিবার (১৭ আগষ্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টেকনাফের সদর ইউনিয়নের কেরুণতলী প্রত্যাবাসন ঘাটে কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছেন। এ সময় প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করা একটি দল কেন্দ্রের বিভিন্ন স্থান ও কক্ষ ঘুরে দেখেন।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারের আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিস্মিত রোহিঙ্গারা

সেখানে শ্রমিক হামিদুর রহমান ও মো. সেলিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এখান থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা রয়েছে। ফলে ক্যাম্প ইনচার্জের নির্দেশে গত কয়েকদিন প্রত্যাবাসন ঘাটে নতুন করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন অফিসের লোকজন তদারকি করছেন।

ঘাটে দায়িত্বে থাকা প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের প্রতিনিধি মো. শহীদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এই ঘাট দিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হওয়ার কথা রয়েছে। তাই কতৃপক্ষের নির্দেশে এখানে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন কাজ কর্ম চলছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566085916417.jpg

প্রত্যাবাসন ঘাটে দায়িত্বরত ১৬ আনসার ব্যাটালিয়নের হাবিলদার মো. আইনুল হক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘাটে কয়েকদিন ধরে কাজ চলছে। তাদেরকে আমরা সহযোগিতা করছি। শুনেছি কয়েকদিনের মধ্যে এই ঘাট দিয়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে।’

অন্যদিকে, একইদিন নয়াপাড়া শালবন রোহিঙ্গা শিবিরে সিআইসি কার্যালয়ের পাশে ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায়’ নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাতকার নেওয়ার জন্য তড়িগড়িভাবে প্লাস্টিকের ছোট ঘর তৈরি করে ঘেরা দিতে দেখা গেছে। এতে বেশকিছু রোহিঙ্গা শ্রমিক কাজ করছে।

কথা হয় শিবিরের চেয়ারম্যান রমিদা বেগমের সঙ্গে। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মিয়ানমারে ফেরত যাবে এমন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য এসব তৈরি করা হচ্ছে। আমরা শুনেছি এরপর তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা রয়েছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566085936946.jpg

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরসি) মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে কখন প্রত্যাবাসন শুরু হবে সে-বিষয়ে এখনো অবগত নই।

তিনি আরও বলেন, ‘রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসন ও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের প্রত্যাবাসন সক্রান্ত জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে ‘

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566085963278.jpg

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ নভেম্বর নির্ধারিত সময়ে রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদে প্রত্যাবাসন শুরু করতে পারেনি। সে-সময় উখিয়ার ঘুমধুম ও টেকনাফের নাফ নদীর তীরে কেরুণতলী (নয়াপাড়া) প্রত্যাবাসন ঘাট নির্মাণ হয়েছিল। এর মধ্যে টেকনাফের প্রত্যাবাসন ঘাটে প্যারাবনের ভেতর দিয়ে লম্বা কাঠের জেটি, ৩৩ আধা সেমি-টিনের থাকার ঘর, চারটি শৌচাগার রয়েছে। সেখানে ১৬ আনসার ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ইউনুস শেখ (৫৫) নামে এক ব্যাক্তি মারা গেছেন।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। ইউনুস শেখ রাজবাড়ীর সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের আয়নাল শেখের ছেলে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, ‘ইউনুস শেখ গত ১২ আগস্ট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।’

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে কলেজছাত্রের মৃত্যু

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন মাগুরা সদর উপজেলার চদপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মো. মিজানুর রহমানের ছেলে ও স্থানীয় সত্যজিৎপুর কলেজের মানবিক বিভাগে দ্বাদশ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমন বাশার (২২) মারা যান।

এ নিয়ে এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হলো।

ফরিদপুরের সিভির সার্জন ডা. এনামুল হক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতারে ৮৯জন রোগী ভর্তি হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৩৭২ জন, চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬১১ জন, রেফার্ড করা হয়েছে ১৩১ জন। ২০ জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছে পাঁচজন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র