Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বগুড়ার ৮টি উপজেলায় আ’লীগের নুতন মুখ

বগুড়ার ৮টি উপজেলায় আ’লীগের নুতন মুখ
আওয়ামী লীগের মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে ঘোষিত প্রার্থীর তালিকায় আটটিতে নুতন মুখ এবং চারটিতে পুরনোরাই রয়েছেন।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় ধাপে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দলীয়কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাসের পাশাপাশি হতাশা ও চাপা ক্ষোভ দেখা গেছে। তবে বঞ্চিতরা এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না।

আগামী ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী অনেকেই বেশ কিছুদিন প্রচার প্রচারাণা চালিয়ে আসছিলেন। অনেকেই আবার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগেই জেলা পরিষদ সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

বগুড়ার ১২টি উপজেলায় মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলায় শাঁখারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শফিক, সারিয়াকান্দিতে সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মুনজিল আলী সরকার, সোনাতলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং বগুড়া জেলা পরিষদের সদস্য মিনহাদুজ্জামান লিটন, শেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু, আদমদীঘিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, শিবগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক, ধুনটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন, গাবতলীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ আযম খান, দুপচাঁচিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, কাহালুতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, নন্দীগ্রামে যুবলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, শাজাহানপুরে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন ছান্নু।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘কেন্দ্রের নির্দেশে একক প্রার্থীর তালিকা পাঠানো হয়েছিল। তারপরেও কেন্দ্র থেকে কিছু পরিবর্তন এনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে জেলা থেকে পাঠানো তালিকায় মাত্র তিনজন বাদ পড়েছেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

মানিকগঞ্জে সবজির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

মানিকগঞ্জে সবজির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
সাটুরিয়ায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে স্থানীয়ভাবে সিরিআনাজ নামে পরিচিত কহি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

অনুকূল আবহাওয়া আর যথাযথ পরিচর্যায় মানিকগঞ্জে সবিজর বাম্পার ফলন হয়েছে। স্থানীয় ও পাইকারি বাজারে চাহিদা থাকায় ও দাম পাওয়ায় সবজি চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

জেলা কৃষি অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি খরিপ মৌসুমে জেলার চার হাজার ১৭৯ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঢেঁড়স, ঝিঙ্গা, বরবটি, করলা, কাকরোল, বেগুন, কহি, জালি (চাল কুমড়া), ডাটাসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করেছেন কয়েক হাজার কৃষক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561479070901.jpg

বিশেষ করে- মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর ও সাটুরিয়া উপজেলায় সবজির আবাদ হয় সবচেয়ে বেশি। রাজধানীর সাথে এসব এলাকার উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি পাইকারি বাজারেও এখানের সবজির বেশ চাহিদা রয়েছে।

জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সবজি চাষি আনোয়ার হোসেন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘জমি তৈরি থেকে ফলন আসা পর্যন্ত এক বিঘা জমিতে কহি (স্থানীয়ভাবে সিরিআনাজ হিসেবে পরিচিত) চাষে খরচ হয় ৩০ হাজার টাকা। বাজারে কহির চাহিদা এবং ফলন ভালো হওয়ায় বাজারদরও বেশ ভালো। ফলে এক বিঘা জমি থেকে প্রায় লাখ টাকার কহি বিক্রি করা সম্ভব।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561479104155.jpg

একই এলাকার সবজি চাষি বাচ্চু মিয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘৪০ হাজার টাকা খরচ করে দুই বিঘা জমিতে ঢেঁড়স আবাদ করেছি। এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। বাজারদর ভালো থাকলে আরও প্রায় ৬০ হাজার টাকার ঢেঁড়স বিক্রি করা যাবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561479130964.jpg

জেলা কৃষি অধিদফতরের উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান চৌধুরী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘রবি মৌসুমে জেলার ৯ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়েছিল। আর চলতি খরিপ (১) মৌসুমে চার হাজার ১৭৯ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন রকমের সবিজ আবাদ হয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা আর বাজারদর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে মানিকগঞ্জের সবজি চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।’

ছাগল বাঁচাতে গিয়ে কুয়ায় পড়ে প্রাণ গেল মালিকের

ছাগল বাঁচাতে গিয়ে কুয়ায় পড়ে প্রাণ গেল মালিকের
ছবি: বার্তা২৪.কম

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কুয়ায় পড়ে গিয়ে ফরিদ উদ্দীন (৫২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। তিনি স্থানীয় মৃত মাজেদ আলী মণ্ডলের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় ফরিদ উদ্দীনের একটি পালিত ছাগল তার বাড়ির পেছনের পরিত্যক্ত কুয়ায় পড়ে যায়। এ সময় ছাগলটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন মালিক ফরিদ উদ্দীন। তবে হঠাৎ পা পিছলে কুয়ার ভেতরে পড়ে মারা যান তিনি।

শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মতিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র