Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভিডিও ধারণ করা নিয়ে বগুড়া শজিমেক ক্যান্টিনে ভাঙচুর

ভিডিও ধারণ করা নিয়ে বগুড়া শজিমেক ক্যান্টিনে ভাঙচুর
ভাঙচুরের পরের অবস্থা , ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বগুড়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রীদের দুপুরে খাওয়ার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করা নিয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ক্যান্টিনে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা সোমবার (১১ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ক্যান্টিনে ভাঙচুর চালায়।

আনন্দমোহন সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের শিক্ষক আশরাফুজ্জামান জানান, তাদের বিভাগের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী বগুড়ার মহাস্থান গড় শিক্ষা সফরে যাচ্ছিলেন। দুপুরে তারা শজিমেক হাসপাতালের দোতলায় আকবরিয়া গ্রুপ পরিচালিত ক্যান্টিনে দুপুরের খাওয়া দাওয়া করার জন্য প্রবেশ করেন। খাওয়া দাওয়া চলাকালে ক্যান্টিন কর্মচারীরা ছাত্রীদের খাওয়ার দৃশ্য ভিডিও করে। এনিয়ে ক্যান্টিন কর্মচারীদের সাথে শিক্ষার্থীদের তর্ক বিতর্ক শুরু হলে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

তবে ক্যান্টিন ম্যানেজার রাশেদ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'খাওয়া শেষে দই কম পড়ায় ছাত্ররা ভাঙচুর চালায়। শিক্ষা সফরে আসা দেড়শ জনকে দুপুরে খাওয়ানোর ব্যাপারে তাদের সাথে চুক্তি হয়েছিল। সেখানে ১৭৪ জনকে খাওয়াতে গিয়ে দই কম পড়লে ছাত্ররা ভাঙচুর শুরু করেন।'

ক্যান্টিনের কর্মচারীরা জানান, ছাত্ররা ভাঙচুর শুরু করলে মেডিকেল কলেজের একজন কর্মকর্তা তাদেরকে শান্ত করতে গিয়ে তিনি নিজেও ছাত্রদের হাতে লাঞ্ছিত হন। আনসার সদস্যরা ও হাসপাতালের কর্মচারীরা ছাত্রদেরকে বের করে দেয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে এঘটনার পর ছাত্ররা শিক্ষা সফরে চলে যায়।

বিকেল চারটায় শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ গোলাম রসুল তার কক্ষে জরুরি বৈঠকে বসেন। সেখানে আনন্দ মোহন কলেজ শিক্ষক,পুলিশ কর্মকর্তা এবং ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে শজিমেক হাসপাতাল পরিচালক জানান, সৃষ্ট ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান হয়েছে। তবে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে এত গুলো মানুষের দুপুরের খাবারের দায়িত্ব নেয়া ঠিক হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

পদ্মায় তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচলে ধীর গতি

পদ্মায় তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচলে ধীর গতি
পদ্মার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচলে ধীর গতি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার শূন্য দশমিক  ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় স্রোতের তীব্রতার কারণে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ফেরি চলাচলে।

নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে এখন দেড় সহস্রাধিকেরও বেশি যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক। ঘাট এলাকায় এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে। এতে যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। নষ্ট হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাকের মালামাল।

নদীর স্রোতের বেগ না কমলে বেশ কিছুদিন যানজট থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ঘাট কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ফেরিগুলোর নদী পার হতে দ্বিগুণ সময় লাগার কারণে ঘাটে এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563352784998.gif

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে দেখা যায়, দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য তিন সারিতে অপেক্ষা করছে দেড় সহস্রাধিক যানবাহন। এছাড়াও দৌলতদিয়া টার্মিনালেও ফেরির জন্য অপেক্ষারত আছে প্রায় শতাধিক ট্রাক। দুই থেকে তিনদিন পর্যন্ত টার্মিনালে ও মহাসড়কে অপেক্ষা করতে হচ্ছে এ যানবাহনগুলোকে।

বাগেরহাট থেকে আসা ট্রাক চালক মনোরঞ্জন কর্মকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকালে এখানে এসেছি। সারা রাত সড়কেই কেটেছে। আমার আগে আরও হাজারের উপরে ট্রাক অপেক্ষা করছে নদী পারের জন্য। আমি ঘাট থেকে এখনো চার কিলোমিটার দূরে রয়েছি। আজতো পার হতে পারবই না, কবে নাগাদ পার হতে পারব তাও বুঝতে পারছি না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563352800836.gif

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘পদ্মার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার কারণে নদীতে স্রোতের বেগ অনেক বেশি। আর তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলতে পারছে না। স্বাভাবিক সময়ে ফেরিগুলোর নদী পার হতে যে সময় লাগত, এখন তার দ্বিগুণ লাগছে। ফলে ফেরিগুলোর ট্রিপ কমে গেছে। আর ফেরির টিপ কমে যাওয়ায় ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে।’

দৌলতদিয়া ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর আবুল হোসেন বার্তাটোয়েন্টি.কম-কে বলেন, ‘স্রোতের কারণে ফেরিগুলোর নদী পার হতে বেশি সময় লাগায় ঘাটে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তবে যাত্রীদের যাতে কোনো ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাসগুলোকে আগে নদী পার করতে চেষ্টা করছি। আর ঘাটে যে ট্রাকগুলো অপেক্ষা করছে সেগুলো সিরিয়াল অনুযায়ী পার করছি।’

মধুমতি নদী থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

মধুমতি নদী থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
ছবি: প্রতীকী

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মধুমতি নদী থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের (৭০) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুলাই) উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের চরআড়িয়ালা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

লোহাগড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু বক্কর জানান, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের চরআড়িয়ালা এলাকার মধুমতি নদীতে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশে সংবাদ দেয় তারা। এরপর পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায়।

নিহতের পরনে লুঙ্গি ও গায়ে চেক জামা ছিল। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র