Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

অপহৃত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্ধার করেছে পুলিশ

অপহৃত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্ধার করেছে পুলিশ
ফাইল ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অপহরণের শিকার ছয় এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আশারতলীর পাহাড়ী এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ ও গ্রামবাসী। 

তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। অপহৃত সবাই উপজেলার শাপলাপুরের বাসিন্দা এবং শাপলাপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী।

পুলিশ জানায়, অপহৃত ছয় জনের মধ্যে একজনের সাথে আজম নামে এক ছেলের প্রেম ছিল। সেই সুবাধে আজম সহ কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সবাইকে তার বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ানোর কথা বলে পাহাড়ে নিয়ে যান। যাওয়ার পথে বাকি শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হলে তারা চিৎকার করলে এলাবাসী তা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেয়। এরপর পুলিশ ও এলাকাবাসী মিলে তাদের উদ্ধার করে।

ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘পরীক্ষা কেন্দ্র মহেশখালী পৌর এলাকার পুটিবিলা এলাকায় হওয়ায় তারা ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আশারতলীতে একটি ভাড়া বাসায় থাকত। সেখান থেকেই মূলত দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে এসব ছাত্রীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।’

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শফিকুর রহমান বার্তা২৪.কমকে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজমকে আটকের জন্য ঐ ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে অভিযান পরিচালনা করবে পুলিশ। অসৎ উদ্দেশ্যে তাদের দাওয়াতের কথা বলে পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলেও জানান তিনি। 
এর আগে, ছয় শিক্ষার্থীসহ সাত জনকে দাওয়াতের কথা বলে নিয়ে যায় আজম সহ অন্যরা। এরপর পুলিশের অভিযানে প্রথমে পাঁচ জন ও দ্বিতীয় অভিযানে বাকি ছাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

কোম্পানীগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবক নিহত

কোম্পানীগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবক নিহত
জাবের হোসেন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলায় জাবের হোসেন (২৫) নামে এক যুবব নিহত হয়েছেন।

নিহত জাবের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের দানদরিগো বাড়ির লোকমান হোসেনের ছেলে।

নিহতের মামা ইসমাইল হোসেন রুবেল জানান, বিয়ে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বাড়ি থেকে বের হন জাবের। পরে রাত ৯টার দিকে তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিলোনিয়া বাজার থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। একপর্যায়ে তার বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে গেলে তাকে আইসিইউও থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে রোববার (২৫ আগস্ট) তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বাড়ি আনার পথে দুপুর ২টার দিকে কুমিল্লায় তিনি মারা যান।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এ অপরাধের ঘটনাস্থল দাগনভূঞা উপজেলার সিলোনিয়া বাজার। এ ঘটনায় দাগনভূঞার ওসি ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিষয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি আকরাম সিকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ফেনীগামী চলন্ত অটোরিকশা থেকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গুরুতর জখম অবস্থায় জাবেরকে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের মহল্লা বাজার এলাকায় ফেলে রেখে যায়। যেহেতু এ ঘটনার উৎপত্তিস্থল সুনির্দিষ্ট নয়, তাই তার পরিবার চাইলে কোম্পানীগঞ্জ অথবা দাগনভূঞা, যে কোনো থানায় আইনের আশ্রয় নিতে পারবে।

উখিয়া ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

উখিয়া ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
রোহিঙ্গা ক্যাম্প, ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে এক রোহিঙ্গা যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ৮টার সময় উখিয়ার কুতুপালং রেজি. ক্যাম্পের দুই নং স্কুলের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম রহিম উল্লাহ। সে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি ব্লকের বাসিন্দা আবদুস সালামের ছেলে।

ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা আবদুস সালামের ছেলে রহিম উল্লাহ ও একই ক্যাম্পের বাসিন্দা শহীদুল্লাহ, তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শহীদুল্লাহ সহ বেশ কয়েকজন মিলে রহিমকে বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এসে রহিমকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও পরিচালনাধীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। রাত ৯টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, 'এ ধরনের ঘটনার কথা শুনেছি। তবে বিস্তারিত ঘটনা এখনো পায়নি।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র